২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কৃষিযন্ত্রের দামের চেয়ে মানের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। - ছবি : সংগৃহীত

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আমাদের মাটি ও জমির উপযোগী কৃষিযন্ত্র কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে জমির আকার ও মাটির ভিন্নতা পর্যবেক্ষণ করে কোন এলাকায় কোন যন্ত্রের কত চাহিদা মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের তা দ্রুততার সাথে জানাতে হবে। মাঠ পর্যায়ের প্রকৃত চিত্র মূল্যায়নের কাজ ও এলাকা চিহ্নিতকরণের করতে হবে। কৃষিযন্ত্রের ক্ষেত্রে দামের দিকে গুরুত্ব নয় বরং মানের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। মন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে কৃষিযন্ত্র সক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালককে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প বিষয়ে সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সনৎ কুমার সাহা (সম্প্রসারণ অনুবিভাগ), ড. মো. আব্দুর রউফ (পিপিসি অনুবিভাগ), বিএডিসি’র চেয়ারম্যান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেরর মহাপরিচালক, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট’এর মহাপরিচালক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রকল্পের বিষয় উপস্থাপন করেন কৃষি প্রোকৌশলী শেখ মো. নাজিম উদ্দিন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, চাহিদার ভিত্তিতে কৃষিযন্ত্র সরবরাহ করতে হবে। ভালো টেকসই মেশিনের দাম বেশি হলে সেটাই গ্রহণ করা হবে। কোম্পানির সাথে কথা বলে কৃষকদের জন্য সহজ কিস্তি সুবিধা দেয় যায় কিনা তাও দেখতে হবে। কাজটা কঠিন তবে সততার সাথে করলে তা সম্ভব। যন্ত্র মেরামতকারীদের ও ব্যবহারকারীদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি কোম্পানির যন্ত্রই পরীক্ষা করে মাঠে নামাতে হবে। সাথে সাথে এসব যন্ত্রের মানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে কিনা তাও দেখতে হবে। এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মাঠ পর্যায়ের এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরকে জমা দিতে হবে।

কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, কৃষককে কিভাবে লাভবান করা যায় তা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। গুণগতমান ও যন্ত্রেও আকার একটা বড় ব্যাপার সেটা মনে রাখতে হবে। বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানকে যন্ত্রের মেরামত ও খুচরা যন্ত্রাংশের নিশ্চয়তা এবং সহজলভ্যতা করতে হবে।


আরো সংবাদ