২১ নভেম্বর ২০১৯

৪০ হাজার ধারণক্ষমতার কারাগারে বন্দী ৮৬ হাজার

-

সারাদেশে ৬৮টি কারাগারে ১৪১টি পদের বিপরীতে মাত্র ১০ জন চিকিৎসক রয়েছেন। অপরদিকে, মোট ৪০ হাজার ৬৬৪ জন ধারণ সংখ্যার বিপরীতে বন্দী রয়েছেন ৮৬ হাজার ৯৯৮ জন (২৭ আগস্ট পর্যন্ত)।

কারা অধিদফতরের পক্ষ থেকে দেয়া এ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ২০ জন চিকিৎসককে কারাগারে পদায়ন করা হলে মাত্র চারজন যোগদান করেছেন। বাকি ১৬ জন এখনো কেন যোগদান করেননি তা ১১ নভেম্বরের মধ্যে জানাতে রাষ্ট্রপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান রিটকারী আইনজীবী মো: জে আর খাঁন রবিন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও আইনজীবী মো: জে আর খাঁন রবিন। সাথে ছিলেন আইনজীবী শাম্মী আকতার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

আইনজীবী মো: জে আর খাঁন রবিন জানান, গত ২৩ জুন এক আদেশে আদালত সারাদেশের সব কারাগারে বন্দীদের ধারণক্ষমতা, বন্দী ও চিকিৎসকের সংখ্যা এবং চিকিৎসকের শূন্যপদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করেন।

ওই নির্দেশ অনুসারে কারা মহাপরিদর্শক ব্রি. জে একেএম মোস্তফা কামাল পাশার পক্ষে ডেপুটি জেলার মুমিনুল ইসলাম একটি প্রতিবেদন দেন।

এ বিষয়ে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী মো: জে আর খাঁন রবিন।

গত ২৩ জুন জারি করা রুলে কারাগারে আইনগত অধিকার নিশ্চিতে মানসম্মত থাকার জায়গা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি হবে না এবং বন্দীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে কারা চিকিৎসকের শূন্যপদে নিয়োগ দিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে তা জানতে চেয়েছেন।

বিবাদীরা হচ্ছেন আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব (সুরক্ষা বিভাগ), স্বাস্থ্য সচিব, সমাজ কল্যাণ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও কারা মহাপরিদর্শক।


আরো সংবাদ