১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

সড়ক আইন বাস্তবায়নে সরকার ছাড় দিচ্ছে?

সড়ক আইন বাস্তবায়নে সরকার ছাড় দিচ্ছে? - ফাইল ছবি

বাংলাদেশে নতুন সড়ক আইনে সংশোধনীর দাবির ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে মালিক শ্রমিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করার পর বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে পণ্যবাহী ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তবে বৃহস্পতিবারও টাঙ্গাইল বগুড়া এবং উত্তরাঞ্চলসহ দেশের অনেক জেলায় বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।

যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেছেন, সড়ক আইন প্রয়োগে অহেতুক বাড়াবাড়ি হবে না।

পরিবহন মালিক শ্রমিকদের চাপের কাছে সরকার ছাড় দিচ্ছে কিনা বা আপোষ করছে কিনা- এই প্রশ্ন তুলেছেন নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অনেকেই।

সরকার কোথায় ছাড় দিচ্ছে?

বাস-ট্রাকের ৫০ লাখের বেশি চালকের লাইসেন্স বা বৈধ কাগজপত্র তৈরির জন্য আগামী বছরের জুন পর্যন্ত সাত মাস সময় দেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ফিটনেসবিহীন বাস ট্রাকেরও বৈধ্যতা নেয়া যাবে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ২০ লাখের মতো চালকের লাইসেন্স আছে এবং ৬০ শতাংশের বেশি বাস, ট্রাক বা কাভার্ড ভ্যানের ফিটনেস নাই। এই দু'টি মুল ইস্যুতে পরিবহন মালিক শ্রমিকরা একটা লম্বা সময় পেলেন। 

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইন কার্যকর করার পর এই সুযোগ দিয়ে তা কার্যত শিথিল করা হলো। বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে এমন আলোচনার পর ট্রাক মালিক শ্রমিকরা তাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

ঐ বৈঠকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী ইলিয়াস কাঞ্চনও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলছিলেন, চাপের মুখে আইনটি কার্যকর করা না গেলে সেটা সবার জন্যই পরাজয় হবে। এই বক্তব্য তিনি ঐ বৈঠকেও তুলে ধরেছেন বলে জানিয়েছেন।

‘এবার যদি আমরা এই আইন বাস্তবায়ন করতে না পারি, এবার যদি আমরা হেরে যাই, তাহলে হেরে যাবে পুরো বাংলাদেশ।’

ট্রাক মালিক শ্রমিক নেতারা বলেছেন, নতুন আইনে জামিন না পাওয়ার যে বিধান আনা হয়েছে, সেটাকে জামিনযোগ্য করার আশ্বাস তারা পেয়েছেন। এরসাথে জেল জরিমানা কমানোসহ তাদের বিভিন্ন দাবিতে আইনটি সংশোধন করার ব্যাপারে সরকার পদক্ষেপ নিতে পারে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন আশ্বাসও দিয়েছেন বলে তারা জানিয়েছেন। 

মানুষের উদ্বেগ

নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্কুল কলেজের