১১ ডিসেম্বর ২০১৯

বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোনের বিক্রি কমবে

স্মার্টফোন - ছবি : সংগ্রহ

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, চলতি বছর বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন বিক্রি ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে, যা বাজারটির মন্দাভাব কটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ ছাড়া বার্ষিক স্মার্টফোন বিক্রি কমার হার এটাই সর্বোচ্চ হবে। বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজার খারাপ সময় পার করছে।
বাজারটিতে টানা কয়েক বছরই বিক্রি কমছে।

চীনের জাঁকজমকপূর্ণ বাজারটিতে অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামীদামি হাই-অ্যান্ড স্মার্টফোন বাজারে আসছে ঠিকই, কিন্তু ডিভাইসগুলো নির্মাতাদের জন্য ব্যবসায় সুফল বয়ে আনতে পারছে না। কারণ ক্রেতা পর্যায়ে প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের প্রতি আগ্রহ কমে গেছে। একে তো দাম বেশি, তার পরও নতুনত্ব কিংবা উদ্ভাবনী ফিচার না থাকায় তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজার। ডিভাইসগুলোর লাইফসাইকেল বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহকপর্যায়ে ঘন ঘন পরিবর্তনের প্রবণতাও কমে গেছে। গার্টনারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, হাই-অ্যান্ড স্মার্টফোনের আয়ুষ্কাল আড়াই বছর থেকে বেড়ে ২ বছর ৯ মাসে পৌঁছেছে। আগামী চার বছর এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। মোবাইল ডিভাইসের নকশা এবং দরকারি ফিচার কিংবা গ্রাহক চাহিদার আলোকে অভিজ্ঞতা যুক্ত করা না হলে মানুষ ফোন হালনাগাদ করবে না। যে কারণে আগামীতে মোবাইল ফোনের বাজার আরো খারাপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে। এখন মোবাইল ডিভাইসের আয়ুষ্কালও বেড়েছে। গত বছর মানুষ যেসব মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার শুরু করেছে সেগুলো অনায়াসে চলতি বছরজুড়ে ব্যবহার হবে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে কয়েকটি মোবাইল অপারেটর যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের বেশকিছু অঞ্চলে পঞ্চম প্রজন্মেও মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ফাইভজি চালু করেছে। দ্রুতগতির এ সেবা বিস্তৃত হতে আরো সময় লাগবে।

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যকার বাণিজ্য বিরোধের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে। বাণিজ্য বিরোধের জেরে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারের দুই মহারথী স্যামসাং ও অ্যাপল আর্থিক লোকসানের মুখে পড়লে এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে হুয়াওয়ের রাজস্ব বেড়েছে।


আরো সংবাদ