২৫ মার্চ ২০১৯

আন্দোলনের বিকল্প নেই : নজরুল ইসলাম খান

-

আলোচনা ও সংলাপে সরকারের আচরণ পরিবর্তন না হওয়ায় গণ-আন্দোলন ছাড়া কোনো উপায় নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, সরকারের আত্মরার জেদের কারণে পরিস্থিতির কাক্সিক্ষত কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস কাবের তৃতীয় তলার মিলনায়তনে বাংলাদেশ লেবার পার্টি আয়োজিত সংহতি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এই সমাবেশ হয়। সংগঠনের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে সমাবেশে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক রহমান, আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, অর্থ সম্পাদক আল আমিন, ছাত্রমিশনের যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশ এখন অস্বাভাবিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যে গণতন্ত্র, সুশাসন ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার স্বপ্নে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সেই স্বপ্ন বারবার ধূলিসাৎ করা হয়েছে। বারবার মতাসীনেরা ও তাদের প্রধান সহযোগী জাতীয় পার্টি গণতন্ত্র হরণ করেছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সেই গণতন্ত্র লড়াইয়ের আন্দোলনে নেমেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানই প্রথম গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
তিনি বলেন, তারা বলে সংবিধানের বাইরে চলা যাবে না। সংসদ বিলুপ্ত করে তফসিল ঘোষণা করার কথা সংবিধানেই বলা আছে। সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনে আসেন। এটা সংবিধানের বাইরের কিছু না। ইভিএমের কথা সংবিধানের কোথায় লেখা আছে? সেনাবাহিনী নিয়োগে সংবিধানের কোথায় বাধা দেয়া হয়েছে? এই গণতন্ত্রহীনতার যে সংস্কৃতি তা অতিক্রম করতে রাজপথে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে রাখার বিষয়ে আওয়ামী লীগের প থেকে মন্তব্যের পরিপ্রেেিত নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারা বলে, সেনাবাহিনী শহরে কোনো একটা স্টেডিয়াম বা মাঠে ভোটের সময় তাঁবু গেড়ে বসে থাকবে। রিটার্নিং অফিসাররা চাইলে তারা গিয়ে নির্বাচনী কাজে সহযোগিতা করবে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের অনুগত, তারা কেন বলবে? সেনাবাহিনী তাঁবুতে থাকবে, আর এই সুযোগে তাদের গুণ্ডাপাণ্ডা আর পুলিশ দিয়ে সিল মারবে, এর নাম স্ট্রাইকিং ফোর্স। বরং সেনাবাহিনীকে নির্বাচনের প্রত্য কাজে অংশ নিতে দিলেই জনগণ নির্বিঘেœ ভোট দিতে আসতে পারবে। এতে করে সরকারের জেতার কোনো সম্ভাবনা নেই।
তিনি আরো বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আরো উন্নত চিকিৎসা দরকার। উন্নত চিকিৎসা না হলে তিনি পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন, অন্ধ হয়ে যেতে পারেন। সরকার কি সেটাই চায়? তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অথচ তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরা জানতেই পারলেন না। আজ হোক কাল হোক, সরকারের প্রত্যেকটা কাজের হিসাব জনগণের কাছে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন এই নেতা।


আরো সংবাদ

ভয়ঙ্কর অস্ট্রেলিয়ার কাছে ধরাশায়ী পাকিস্তান ব্যর্থ যুবরাজের লড়াই, ওয়াংখেড়েতে উড়ে গেল মুম্বই মন্ত্রিসভায় অভ্যুত্থান চক্রান্ত : বিদায় নিচ্ছেন থেরেসা মে হত্যা মামলায় নূর হোসেনের বান্ধবী নীলাকে জিজ্ঞাসাবাদ উপজেলা নির্বাচনের ফল : বিজয়ী হলেন যারা টাটা মেমোরিয়ালের সাথে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর আর কে মিশন রোডে দোকানে আগুন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ৪৫ শতাংশ ভোটার উপস্থিতিই যথেষ্ট : হানিফ কবরস্থানে আলিশান বাড়ি উচ্ছেদে হাইকোর্টের রুল বিআরটিএ পিডিবি ও পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান খিচুড়ির ব্যবস্থা করেও ভোটার আনতে পারছে না ক্ষমতাসীনেরা : রিজভী

সকল