১৯ জুলাই ২০১৯
তথ্য গোপন করে মামলা বাতিলের আবেদন

দু’জনকে গ্রেফতার করে হাজির করার নির্দেশ

-

তথ্য গোপন করে দুর্নীতির মামলা বাতিলের আবেদন করায় দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তারা হলেনÑ আসামি মো: ফজলুল হক ও তার আবেদনের হলফকারী মো: আবুল হোসেন। সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার (এসপি) ও কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) আগামী ২১ জুলাই এ দুজনকে গ্রেফতার করে হাজির করতে বলা হয়েছে।
গতকাল বিচারপতি মো: নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো: তানভীর আহমেদ।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের স্টোর কিপার মো: ফজলুল হককে ২০১৭ সালের ২৮ মে সাতক্ষীরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জামিন দেন। সেই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদক সাতক্ষীরা সিনিয়র দায়রা জজ আদালতে রিভিশন আবেদন করেন। রিভিশন শুনানি শেষে দায়রা জজ আদালত ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই রিভিশন মঞ্জুর করে এবং আসামির জামিন বাতিল করে তাকে ১৫ দিনের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।
আত্মসমর্পণ না করে ফজলুল হক দুদকের ওই রিভিশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন করেন। ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই করা ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত মামলাটি বাতিলের বিষয়ে রুল জারি করেন।
কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশনা সত্ত্বেও আত্মসমর্পণ না করে এবং তথ্য গোপন করে আসামি নিয়ম না মেনে মামলা বাতিলের আবেদন করেন।
বিচারিক আদালতের নির্দেশনা সত্ত্বেও আত্মসমর্পণ না করায় এবং তথ্য গোপনের বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামি ফজলুল হক ও তার জামিন আবেদনের হলফকারী মো: আবুল হোসেনকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এ আদেশের পরেও তারা হাজির হননি।
সাত কোটি ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৫ টাকার মালামাল আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৭ সালের ২১ মে দুদকের সহকারী পরিচালক মো: মাহতাব উদ্দিন সিভিল সার্জন ডা: সালাহ আহমেদ ও ফজলুল হককে আসামি করে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

 


আরো সংবাদ