১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

শরীয়তপুরে অপহৃত শিশু উদ্ধার আটক ৩

-

অপহরণের ১৮ ঘণ্টার মাথায় আব্দুস নুর শিশির (৮) নামে এক অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ। ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা ৩টায় গোসাইরহাটের কোদালপুর এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ইউসুফ ঢালী, রাসেদ ও সৌরভ নামে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে পালং মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আসলাম উদ্দিন। শিশির শরীয়তপুর পৌরসভার তুলাসার গ্রামের মাস্টার সাত্তার খালাসী ও সালমা আক্তার বকুল দম্পতির একমাত্র সন্তান। সে শরীয়তপুর কালেক্টরেট কিশলয় কে জি স্কুলের নার্সারি শ্রেণীর ছাত্র।

শিশিরের পরিবার ও পালং মডেল থানা পুলিশ জানায়, গত বছর নড়িয়ার ভয়াবহ পদ্মার ভাঙনে সহায় সম্বল হারিয়ে শরীয়তপুর পৌরসভার তুলাসার গ্রামে বাড়ি করে বসবাস করে আসছেন মাস্টার সাত্তার খালাসী। গত ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার স্কুল থেকে এসে বাড়ির পাথশের মাথঠে খেলতে যায় শিথশির। খেলা শেষে শিশির আর বাথড়ি ফিথরে আসেথনি। প্রতিবেশীর বাড়ি, এলাকায় ও নিকটাত্মীয়দের বাসায় খোঁজ কথরে শিশিরের কোনো সন্ধান পায়নি তার পরিবার। পথরে ওই দিন সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে শিশিরের বাবার মোবাইল ফোনে (০১৭০৬৯১৭০৭৪) অপরিচিত নম্বরে কল করে ছেলের বিনিময়ে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি কথরে। বিষয়টি উল্লেখ করে ওই দিন রাথতে অপহৃত শিশিরের পিতা পালং মথডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার পালং থানা পুলিশ গোসাইরহাট থানা পুলিশের সহযোগিতায় কোদালপুর এলাকার হাজী দেওয়ান বাড়ি গ্রামের স্থানীয় আল আমিন মেম্বারের বাড়ি থেকে অসুস্থ অবস্থায় ওই শিশুথকে উদ্ধার করে। পুলিশ আরো জানায়, ওই দিন রাত ১১টার সময় অপহরণকারী দলের এক ব্যক্তি শিশুটিকে নিয়ে ইউপি সদস্য আল আমিনের বাড়ির পাশে দাঁড়িয়েছিল। এ সময় আল আমিনের ভাই আলাউল মাছ শিকার করে বাড়ি ফিরছিলেন। গভীর রাতে একটি অসুস্থ শিশুকে নিয়ে ওই যুবককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তার সন্দেহ হলে তিনি কারণ জানতে চায়। তখন অপহরণকারী দলের সদস্য তার ভাইয়ের ছেলে পরিচয় দিয়ে গাড়ি আনার কথ বলে সটকে পড়ে।
পালং মথডেল থানা পুথলিথশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওথসি) মো: আসলাম উদ্দিন বথলেন, মুক্তিপণের জন্য শিশির নামে ৮ বছরে একটি থশিশুথথকে অপহরণ করে। সঠিক সময়ে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব না হলে অপহরণকারীরা তাকে মেরে ফেলত। শিশুটিকে অপহরণকারীরা নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়ানোসহ মারধর করেছে। এতে শিশুটি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই ঘটনায় শিশুটির বাবা মাস্টার সাত্তার খালাসী বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


আরো সংবাদ