২২ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরোপুরি ডিজিটালাইজড হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

-

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ৯৯৯ সেবা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেবা গ্রহণে এ পর্যন্ত এক কোটি ৪২ লাখ মানুষ ৯৯৯-এ কল দিয়েছে। এটিকে আরো জনপ্রিয় করা হবে। আপাতত হারানোসংক্রান্ত জিডি অনলাইনে করা যাবে। প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপদ শহর গঠনে ‘সেফ সিটি প্রকল্প’ প্রস্তাব শিগগিরই পরিকল্পনা কমিশনে যাচ্ছে। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরোপুরি ডিজিটালাইজড করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ডিজিটাল কেস ডায়েরির ওপর পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। দেশের মানুষের মধ্যে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ২০০৮ সালে শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল দেশকে ডিজিটালাইজড করা। এরই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে ও দিকনির্দেশনায় ২০১৭ সালে ৯৯৯ সার্ভিস চালু করা হয়। ৯৯৯-এ বর্তমানে জনবল ১৪২ জন। এই জনবল ৫০০তে উন্নীত করার পরিকল্পনা আছে। এ পর্যন্ত যারা ৯৯৯-এ কল দিয়েছেন, তারা সবাই সেবা পেয়েছেন। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নুরুল ইসলামকে প্রধান করে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, সভায় ডিজিটাল জিডি (সাধারণ ডায়েরি) ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য এক সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। আপাতত হারানোসংক্রান্ত জিডি অনলাইনে করা যাবে। পরে বিস্তারিত এই প্রোগ্রামের আওতায় আসবে।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, জেলখানায় বন্দীদের আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কথা বলতে ‘স্বজন’ নামে একটি কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলক টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে এই কর্মসূচি চালু আছে। দেখা গেছে, ‘স্বজন’ চালুর পর বন্দীদের আত্মীয়-স্বজনদের সরাসরি জেলখানায় এসে দেখা করার প্রবণতা কমেছে ৮০ শতাংশ।
এই কর্মসূচি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে বিধায়, দেশের সব কারাগারে ‘স্বজন’ কর্মসূচি চালুর চিন্তাভাবনা চলছে। তিনি বলেন, উপর্যুক্ত বিষয়গুলোর ওপর আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ছয় সপ্তাহের একটি কর্মশালা হবে। ওই কর্মশালায় সংশ্লিষ্টরা অংশ নেবেন। সেখান থেকে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হবে।


আরো সংবাদ