১৯ অক্টোবর ২০১৯

সোনারগাঁওয়ে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

-

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান রাশেদের দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় মেহেদি হাসান নামে এক বালু ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মহিলাসহ আরো ৫ জন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন মোগরাপাড়া ইউনিয়নের গোহাট্টা গ্রামের মজিবুরের ছেলে বালু ব্যবসায়ী মেহেদি হাসান, তার চাচী সুমি আক্তার, ফুফু শিল্পী আক্তার, চাচা মহসিন মিয়া ও চাচাতো ভাই তাবারক হোসেন। আহতদের সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মেহেদি হাসান বাদি হয়ে সোনারগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আহত বালু ব্যবসায়ী মেহেদি হাসান জানান, উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের গোহাট্টা গ্রামে একটি বড় পুকুর ও নালা ভরাটের ঠিকাদারির কাজ পান তিনি। ২০ দিন আগে ওই বালু ভরাটের কাজ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন দমদমা গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে সোনারগাঁও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান রাশেদ। গতকাল সোমবার ব্যবসায়ী মেহেদি হাসান গোহাট্টা গ্রামে তার চাচা মহসিন মিয়ার দোকানে বসে থাকাবস্থায় দাবিকৃত ওই চাঁদা আবার দিতে বলে। ব্যবসায়ী মেহেদি হাসান ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান রাশেদের নেতৃত্বে তার সহযোগী মোস্তাফিজুর রহমান কাজল, সজিব, জামাল, সুমন ও সানিসহ ২০-২৫ জনের একটি দল মেহেদি হাসানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাদের হাত থেকে মেহেদি হাসানকে উদ্ধার করতে তার চাচী সুমি আক্তার, ফুফু শিল্পী আক্তার, চাচা মহসিন মিয়া ও চাচাতো ভাই তাবারক হোসেন ছুটে আসলে তাদেরকেও এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে।
অভিযুক্ত সোনারগাঁও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান রাশেদ তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
সোনারগাঁও থানার ওসি মনিরুজ্জামান মনির জানান, চাঁদাবাজির অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরো সংবাদ