১৫ নভেম্বর ২০১৯

পল্টন থানার সভাপতি পদে পুনর্বহাল চায় মিরন

-

নিয়মবহির্ভূতভাবে রাজধানীর পল্টন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ নাজমুল হোসাইন মিরনকে অব্যাহতি দিয়ে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদে রনি হাসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পল্টন থানা ছাত্রলীগের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড তুলে ধরে গত ১০ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন মিরন। তিনি স্বপদে পুনর্বহালেরও দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মাস ছয়েক আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রকাশের পরই কোনো তদন্ত ছাড়াই পল্টন থানা ছাত্রলীগের সভাপতির পদ থেকে শেখ নাজমুল হোসাইন মিরনকে অব্যাহতি দিয়ে রনি হাসানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কিন্তু যে অভিযোগে মিরনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল, তাতে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন। পুলিশের তদন্ত রিপোর্টে নির্দোষের প্রমাণপত্র ও সভাপতি পদে পুনর্বহালের জন্য ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর একটি আবেদনও করেন মিরন। কিন্তু ওই আবেদনের সুরাহা না হওয়ার আগেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ তড়িঘড়ি করে পল্টন থানা ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন করে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার সময় সুপার কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ১৭ জনের মধ্যে ১৪ জনকে বাদ দেয়া হয়েছে। কমিটিতে অছাত্র, দোকান কর্মচারী, বহিরাগত ও স্কুলছাত্রদের পদ দেয়ারও অভিযোগ আছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ রনিকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দিলেও অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্যাডে সংগঠনের নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘ভারপ্রাপ্ত সভাপতি’ উল্লেখ না করে পূর্ণাঙ্গ ‘সভাপতি’ উল্লেখ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে শেখ নাজমুল হুসাইন মিরন বলেন, আমি পল্টন থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সহসভাপতি ছিলাম। এরপরের কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। এরপর অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে সভাপতি পদে নির্বাচিত হই। তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। মূলত আমাকে বাদ দিতে তড়িঘড়ি করে নিয়মবহির্ভূতভাবে পল্টন থানার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি তদন্ত না করেই আমাকে সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল ওই মামলায় আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। ফলে সভাপতি পদ ফিরে পাওয়াটা আমার অধিকার।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান জয় সাংবাদিকদের জানান, মিরন তার মামলাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। আমরা তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।


আরো সংবাদ