১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

জাবিতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার হাতে নিরাপদ নন সাবেক শিক্ষার্থীরাও

-

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীনের বিরুদ্ধে সাবেক দুই শিক্ষার্থীর সাথে অসদাচারণ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচারণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বরাবর এক অভিযোগপত্র জমা দেন ভুক্তভোগী মো: আকবর আলী। অভিযোগকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫তম ব্যাচের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও জাহাঙ্গীরনগর ফটোগ্রাফিক্সের স্বত্বাধিকারী।
সোমবার জাবির রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বরাবর লিখিত আবেদনপত্রে বলা হয়, ‘বিশ্ববিদ্যায়ের চলমান পরিস্থিতিতে জাহাঙ্গীরনগর ফটোগ্রাফিক্সের স্বত্বাধিকারী ফটোগ্রাফি ও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরটি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে শুধু ক্যাম্পাসে বসবাসকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের জরুরি প্রয়োজনে কিছু কার্যক্রম চালু রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক এবং উপ-রেজিস্ট্রার নাহার বেগমের ব্যক্তিগত ছবির কাজ করার জন্য গত রোববার বিকেল ৩টায় দোকানটি খোলা হয়। এ সময় সেখানে (মূল ফটকে) নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন উপস্থিত হলে তাকে জরুরি প্রয়োজনের বিষয়টি ব্যাখা করা হয়। কিন্তু সুদীপ্ত শাহীন কথা না শুনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন।
এ সময় আমার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা জাবির ১৯ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো: আব্দুর রাজ্জাক নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীনকে অনুরোধ করে বলে, ‘আকবার আলী যেহেতু এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র তাই তাকে গালি না দিয়ে ভালো ব্যবহার করতে। তখন তিনি তার (সহকারী অধ্যাপকের) পরিচয় জানতে চান। সহকারী অধ্যাপক রাজ্জাক নিজের পরিচয় দেয়ার পর সুদীপ্ত শাহীন ‘সাবেক ছাত্র’ শুনেই অকথ্য ভাষায় গারিগালাজ শুরু করেন এবং তিনি ক্যাম্পাসে বসবাস করেন এটা শুনে তার বাক্যটি ছিল, ‘তুই তোর বউয়ের পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে থাকিস, লজ্জা করে না?’
প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীনের বিরুদ্ধে এর আগেও সাবেক শিক্ষার্থী, পথচারী, রিকশাচালক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মারধর ও লাঞ্ছিতের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও কয়েকমাস আগে ক্যাম্পাসে আসা নারী সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করা, দর্শনার্থীদের হেনস্তাসহ কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।’


আরো সংবাদ