২২ আগস্ট ২০১৯

পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুই যুবক নিহত

ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের সাথে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দু’জন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি নিহতদের একজন মাদক ব্যবসায়ী এবং অন্যজন গণধর্ষণ মামলার আসামি।

পুলিশ জানায়, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরপুলিয়ামারি এলাকায় মাদক কেনা-বেচার উদ্দেশ্যে কিছু মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশের একটি দল। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়ে। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে জনি মিয়া (২৬) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে পুলিশ। তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ  মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহত জনির বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি, ছিনতাইসহ ১১টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২০০ গ্রাম হেরোইন ও ১টি ষ্টিলের চাকু উদ্ধার করে । এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ডিবির এসআই আকরাম ও কনস্টেবল মতিউর রহমান। বন্দুকযুদ্ধে ১৪ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে পুলিশ।

এদিকে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় তরুণী গণধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল ইসলাম (২০) পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। সে উপজেলার কৈয়ারচালা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। গত ৩ আগস্ট ফুলবাড়িয়া উপজেলার পলাশতলী গ্রামের এক তরুণীকে বাড়ির পাশে নিয়ে তিন বখাটে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। রোববার তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে ওই তরুণী। রাত দু’টার দিকে কালাদহ ঈদগাহ এলাকায় ধর্ষণকারীরা অবস্থান করছে এমন সংবাদে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুড়ি ছুড়ে আসামিরা। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা ৬ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করলে আহত হয় জহিরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিয়ে আসা হলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ফুলবাড়িয়া থানার এসআই আকবর ও কনস্টেবল হেলিম আহত হয়েছেন। 

 


আরো সংবাদ