২২ আগস্ট ২০১৯

ঈদের ছুটিতে বেড়াতে এসে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

নেত্রকোনায় এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে ছয় ধর্ষককে আটক করেছে মডেল থানা পুলিশ। আটক ধর্ষকরা হলো, সাইদুল ইসলাম (৩০), জামান বাশার (২৭), রেজাউল করিম পাভেল (২৮), ও হোটেল ম্যানেজার মাহফুজুল ইসলাম (৩৬)। তাৎক্ষনিকভাবে অপর দুই ধর্ষকের নাম জানা যায়নি। তবে তারা সকলেই সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার সময় চল্লিশা রাজেন্দ্রপুর বিসিক শিল্প নগরীর সামনে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটি কাটতে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ধর্ষিতা অষ্টাদশী গৃহবধূ তার স্বামীকে নিয়ে নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী কলমাকান্দার উদ্দেশ্যে ময়মনসিংহের ভালুকার সিডস্টোর থেকে যাত্রীবাহী বাসে রওনা দেয়। ময়মনসিংহে নেমে নেত্রকোনার বাসে চড়ে নেত্রকোনা পৌঁছার আগেই সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে চল্লিশার রাজেন্দ্রপুর বিসিক শিল্পনগরীর সামনে নেমে সারিন্দা নামক এক ফাস্ট ফুডের দোকানের পেছনের টয়লেট ব্যবহার করতে যায়। এ সময় ওই ফাস্ট ফুডের সামনে একদল বখাটে আড্ডা দিচ্ছিল। তারা ওই গৃহবধূর স্বামী ইব্রাহিমকে জোর করে ধরে নিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখে। টয়লেট থেকে বের হবার সাথে সাথে বখাটেরা গৃহবধূকে জাপটে ধরে অপর আরেকটি ঘরে নিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। ৭ টার দিকে ধর্ষকরা গৃহবধূ ও স্বামীকে এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার হুমকি প্রদান করে ছেড়ে দেয়।

ওইদিন রাত দুইটার দিকে ধর্ষিতা ও তার স্বামী নেত্রকোনা মডেল থানায় গিয়ে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলার পর এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। রাতেই এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে পুলিশ চল্লিশা এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ছয় ধর্ষককে আটক করে।

এদিকে আহত ধর্ষিতা গৃহবধূকে চিকিৎসা ও ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মোঃ তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, অন্যান্য ধর্ষককে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে কোন ছাড় দেয়া হবে না।

 


আরো সংবাদ