Naya Diganta

এবার অনশনে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সমাজসেবা প্রার্থী রবিউল (ভিডিও)

মো. রবিউল ইসলাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসুর পুনঃনির্বাচনে এবার আমরণ অনশনে বসেছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মো. রবিউল ইসলাম। ডাকসু নির্বাচনে সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক পদে তিনি প্রার্থী ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এর আগে থেকেই অংশ নেয়া ডাকসু নির্বাচনের চার প্রার্থীর সাথে যোগ দেন তিনি।

রবিউল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জানান, নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে এখানে এসেছি। যে নির্বাচন আমি আশা করেছিলাম সে নির্বাচন আমরা পাইনি।

নির্বাচনের দিনের অবস্থা বর্ণনায় রবিউল জানান, নির্বাচনের দিন প্রার্থীদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি থাকলে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। আমি চাই প্রশ্নবিদ্ধ এই নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় তফশিল ঘোষণা করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা হোক।

'ব্যালট ভর্তি ট্রাঙ্ক ভোট কেন্দ্রের ভিতরেই ছিল'
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনে রোকেয়া হলের ঘটনাকে মিস কনসেপশন (ভুল বুঝাবুঝি) বলে জানিয়েছেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে রোকেয়া হলের নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। একই সময় নির্বাচনের দিনের আলোচিত সেই তিনটি ট্রাঙ্ক ও উপস্থিত করেন তিনি।

নির্বাচনের দিনের ঘটনা বর্ণনায় হলের টিউটর দিল আরা জানান, ব্যালট পেপারের বাক্সগুলো ভোট কেন্দ্রের বাইরে ছিল না। যেখানে পাওয়া গিয়েছিল সেটাও ভোট কেন্দ্রের অংশ। ভেতরের ব্যালট পেপাল শেষ হয়ে যাওয়ায় আমরা সগুলো ব্যবহারের জন্য সেখানে রেখেছিলাম।

শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করা র বিষয়ে তিনি বলেন, হলের কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়নি।
রোকেয়া হলের প্রভোস্ট জিনাত হুদা বলেন, আমি হলের প্রভোস্ট হিসেবে কোনো মামলা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করিনি। মামলার বিষয়টি জেনেছি গণমাধ্যমের কাছ থেকে।

কোনো শিক্ষার্থীদের বহিস্কারাদেশ দেয়া হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে নির্বাচন দেয়ার এখতিয়ার কোনো প্রভোস্টের নেই।

এর আগে ১১ মার্চ নির্বাচনের দিন ভোট চলাকালে রোকেয়া হলের প্রভোস্ট জিনাত হুদাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়। পরে চার দফা দাবিতে অনশন করে যাচ্ছে হলের পাঁচ শিক্ষার্থী।
অনশনে বসা চারজন ছাত্রী ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন পদে প্রার্থী ছিলেন।