Naya Diganta

রেলিগেশন এড়ালো শেখ জামাল শেখ জামাল ২:০ চট্টগ্রাম আবাহনী (সলোমন কিং, ইবোউ)

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন তারা। ২০১০-১১, ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ মওসুমে। সেই লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে এবার ভুগতে হয়েছে প্রথম থেকেই। একপর্যায়ে ছিল রেলিগেশন শঙ্কায়। গতকালের ম্যাচের আগ পর্যন্ত তাদের ঘাড়ে গরম নিঃশ্বাস ফেলছিল এই টেনশন। শেষ পর্যন্ত এই অবনমনের ঝুঁকিমুক্ত হলো সাবেক শিরোপাজয়ীরা। গতকাল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম আবাহনীকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ারে টিকে গেছে বড় দলটি। জয়ের ফলে তাদের সংগ্রহ ২২ খেলায় ২৭ পয়েন্ট। অন্য দিকে হেরে এখনো বিপদে চট্টগ্রাম আবাহনী। তাদের পয়েন্ট ২১ খেলায় ২৩। অবশ্য নিজেদের শঙ্কার কথা জানালেন না চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু। তার মতে, এখনো তো তিন ম্যাচ বাকি। যে কোনো কিছুই হয়ে যেতে পারে। টিম লিডার শাকিল মাহমুদ চৌধুরীও মনে করেন না তার দল নেমে যাবে। দু’জনেরই আশাবাদ পরের ম্যাচগুলোতেই টিকে থাকার প্রয়োজনীয় পয়েন্ট আদায় করে নেবে চট্টগ্রাম আবাহনী। বন্দর নগরীর দলটির মতো ঝুঁকিতে বিজেএমসি (৮ পয়েন্ট), মুক্তিযোদ্ধা (২৩ ), মোহামেডান (২৩), রহমতগঞ্জ (১৯), ব্রাদার্স (১৭)।
কাল ম্যাচের পাঁচ মিনিটেই লিড শেখ জামালের। গাম্বিয়ান ফুটবলার অধিনায়ক সলোমন কিংয়ের শট ক্রস বারে লেগে ফেরত আসে। ফিরতি বলে তার স্বদেশী ইবোউ কান্তে আনুষ্ঠানিকতা সারেন। ৩৭ মিনিটে সলোমন কিং ডান পায়ের দর্শনীয় শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। সাখাওয়াত রনির ব্যাক পাস থেকে বক্সের বাইরে বল পান সলোমন কিং। সেই বলে মুহূর্তেই তার ডান পায়ের শটে পরাস্ত চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলরক্ষক নেহাল।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের সুযোগ পেয়েছিল চট্টগ্রাম আবাহনী। প্রথমে তাদের গাম্বিয়ান মমদু বা’র হেড প্রতিহত হয় ক্রসবারে। পরের মিনিটের সোহেল মিয়ার শট রুখে দেন শেখ জামাল কিপার মোহাম্মদ নাঈম।
ম্যাচ শেষে হারের জন্য চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ মিন্টু দুই দলের ফুটবলারদের কোয়ালিটির তফাতকে সামনে আনলেন। অন্য দিকে টিম টিকে যাওয়ায় খুশি শেখ জামালের কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক। তার মতে, ‘এই জয়ের ফলে টিকে থাকা নিশ্চিত হলো।’ অবশ্য আগের কয়েকটি হারের জন্য তিনি গোল মিসকেই দায়ী করলেন।