১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
‘বিপন্ন প্রজাতি আইন’ পরিবর্তন

ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে পরিবেশবাদীদের মামলা

প্রশাসনের পদক্ষেপ ‘বালুতে মুখ লুকানোর মতো’; ঝুঁকির শিকার প্রাণীরা আরো বিপদে পড়বে
-

আটটি পরিবেশবাদী সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিপন্ন প্রজাতি আইন’ সংস্কার চেষ্টাকে প্রতিহত করতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরের জেলা আদালতে গত বুধবার মামলাটি করা হয়েছে। ঐতিহাসিক এ আইন লোমহীন ঈগলসহ শত শত প্রজাতির প্রাণী এবং গাছপালার সুরক্ষা দেয়, যা ৪৫ বছরেরও বেশি আগে পাস করা হয়।
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজ অন্যান্য আরো বিষয়ের মধ্যে সার্বজনীন বিভাগের ৪(ডি) অনুচ্ছেদটি পরিবর্তন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করে। বিপন্ন প্রজাতি আইনের অধীনে দুই ধরনের তালিকাভুক্তি রয়েছে, একটি ‘বিপন্ন’ এবং অপরটি ‘হুমকি’। এই অনুচ্ছেদ হুমকির মুখে থাকা প্রজাতিদের বিপন্ন প্রজাতির মতো একই সুরক্ষা দেয়।
পরিবেশবাদীরা বিশ্বাস করেন যে, এ আইন পরিবর্তন হলে আরো উন্নয়ন এবং বিকাশের অনুমোদন দেবে প্রশাসন, যা বিভিন্ন প্রজাতির জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে। তা ছাড়া এই পরিবর্তন প্রজাতির জন্য ভবিষ্যৎ হুমকির বিষয়ে বিবেচনাকে সীমাবদ্ধ করবে এবং প্রাণীদের আবাসনের সুরক্ষা দেয়া আরো কঠিন করে তুলবে। তা ছাড়া বিপন্ন ও হুমকিÑ এই দুই প্রজাতির তালিকা করলে কী ধরনের অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে তাও নিয়ন্ত্রকদের বিবেচনায় আনতে চায় মার্কিন প্রশাসন।
মামলার সাথে জড়িত অন্যতম সংগঠন ডিফেন্ডার্স অব ওয়াইল্ডলাইফের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেমি রাপাপোর্ট ক্লার্ক বলেছেন, এই নিয়ম পরিবর্তনের চিন্তার আগ পর্যন্ত ‘অর্থনীতির ধারণা’ সম্পূর্ণ সীমাবদ্ধ ছিল। মামলাটির নেতৃত্বে থাকা আর্থসাইডিসের আইনজীবী ক্রেস্টেন বয়েলস বলেন, ‘এই আইনের মধ্যে বন্যজীবন রক্ষার বা জলবায়ু পরিবর্তন কিভাবে প্রজাতির ওপর প্রভাব ফেলছে তা নির্ধারণ করার পক্ষে কিছুই উল্লেখ নেই।’

 


আরো সংবাদ