১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থেকে জন বোল্টনকেও সরালেন ট্রাম্প

-

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব থেকে জন বোল্টনকে সরিয়ে দিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তালিবান প্রতিনিধিদের যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনে বিভাজনের খবরের মধ্যে তাকে চাকরিচ্যুত করা হলো।
২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে দায়িত্ব পালন করে আসা জন বল্টন ছিলেন ট্রাম্পের তৃতীয় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। তার আগে এই পদ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে মাইকেল ফ্লিন ও ম্যাকমাস্টারকে।
বোল্টনের পদত্যাগের খবর জানিয়ে ট্রাম্প মঙ্গলবার এক টুইটে লেখেন, ‘গত রাতে আমি জন বোল্টনকে বলেছি যে, হোয়াইটে হাউজে তার সেবা আর দরকার নেই। প্রশাসনের অনেকের মতো আমিও তার অনেক পরামর্শের বিষয়ে জোরালো আপত্তি জানিয়েছি। এবং সে কারণে আমি জনকে পদত্যাগ করতে বলেছি, যা তিনি সকালে আমাকে দিয়েছেন।’
আগামী সপ্তাহে নতুন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার নাম ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
উত্তর কোরিয়া ও আফগানিস্তান বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে মতবিরোধে জড়িয়েছিলেন জন বোল্টন। গত বছর ইরান পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ট্রাম্পের অবস্থান সমর্থন করে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে এসেছিলেন তিনি। এর মধ্যে মতবিরোধ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, বোল্টন নেতৃত্বাধীন জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের সদস্যদের সাথে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তাদের সম্পর্ক অনেকটা শত্রুতায় রূপ নেয় বলে হোয়াইট হাউজ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আফগানিস্তান থেকে ইরানÑ সব বিষয়েই পররাষ্ট্রনীতির অনেক ইস্যুতে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে ছিল তার বিরোধ বা দ্বিমত। তাকে পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে কট্টর অবস্থানে থাকা নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। তাকে বরখাস্ত করার বিষয়ে ট্রাম্পের টুইটের কিছুক্ষণ পরেই টুইট করেছেন জন বোল্টন। তিনি তাতে পদত্যাগের ভিন্ন একটি আখ্যান তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, আমিই পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। জবাবে ট্রাম্প তাকে বলেছেন, বুধবার সকালে আসুন এ নিয়ে কথা বলি।


আরো সংবাদ