১৪ অক্টোবর ২০১৯

ইকুয়েডরে পার্লামেন্টে বিক্ষোভকারীদের হামলা কারফিউ জারি

-

ইকুয়েডরে সুরক্ষিত পার্লামেন্ট ভবনে বিক্ষোভকারীদের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সংঘর্ষের পর দেশটির প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো সরকারি ভবনগুলোর আশপাশে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছেন।
মঙ্গলবার বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট সংশ্লিষ্ট পুলিশি নিরাপত্তা টপকে ভেতরে ঢুকে পড়লেও নিরাপত্তা রক্ষীরা কাঁদানে গ্যাসে ছুড়লে সরে যান।
জ্বালানি তেলে ভর্তুকি তুলে নেয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ-সহিংসতায় এরইমধ্যে দেশটিতে অন্তত ২ জন নিহত হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারি করেও মোরেনো আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর নেতৃত্বাধীন এ বিক্ষোভ দমাতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, তারা সরকারের কৃচ্ছ্রতাসাধন নীতি প্রত্যাহার ও জ্বালানিতে ভর্তুকি পুনর্বহাল চান। সরকার ভর্তুকি তুলে নেয়ার পর গত সপ্তাহ থেকে দক্ষিণ আমেরিকার এ দেশটিতে পেট্রলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার কাঠের বর্ম পরিহিত একদল বিক্ষোভকারী একুয়েডরের পার্লামেন্ট ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা কর্ডন টপকে ভেতরে ঢুকে পড়ে।
ভেতরে ঢুকে তারা ইকুয়েডরের পতাকা নাড়াতে নাড়াতে সেøাগান দিতে থাকে; নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যরা পরে কাঁদানে গ্যাস ছুড়লে তারা পিছু হটে। সংঘর্ষের সময় পার্লামেন্ট ভবনের ভেতর কোনো কর্মী ছিল না।
এদিন রাজধানীর অন্যান্য সরকারি ভবনও বিক্ষোভকারীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট মোরেনো পরে সরকারি ভবনগুলোর আশপাশে রাত ৮টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করেন।


আরো সংবাদ