২৬ মার্চ ২০১৯

উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে

-

এ কালে ইলেকট্রনিক, আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ডিজিটাল টেকনিকের দাপটে আমাদের পুরনো অনেক কিছুই হারিয়ে যাচ্ছে। আগের সেই জারিগান, কবিগান, যাত্রা ইত্যাদি লণ্ঠন জ্বালিয়ে করা হতো, উঠানে চাটাইয়ে বসে চাঁদনী রাতে আরব্য রজনীর কিচ্ছা শুনতে শুনতে ছোটরা সেখানেই ঘুমিয়ে পড়ত। কোথায় হারিয়ে গেছে সেসব শালীন অথচ বিমল আনন্দের প্রয়াস। কিছু বিষয় আজো আমার পড়ন্ত বেলায় মনে উঁকি মারে, মনটা কাতরও হয়। কিন্তু কিই বা করা। গাঁয়ের খোলা জায়গায় সামিয়ানা টাঙিয়ে হ্যাজাক জ্বালিয়ে চারণ কবিদের দু’জনের তাৎক্ষণিক কাব্যবিতর্ক জমে উঠত ঢোলের তালে। কেউ হতেন রাবণ, অন্যজন রাম অথবা কেউ একজন হতেন মৌলভি সাহেব অন্যজন হতেন পুরোহিত। কবিতার মাধ্যমে জমে উঠত বিতর্ক। কেউ বিচারে জিততেন, অন্যজন হার মানতেন, এতে কোনো বিবাদ বিসংবাদ হতো না, হতো না কোনো সংঘর্ষ। এ কবিদের মধ্যে চারণ কবি গুমানি দেওয়ান দুই বাংলায় বিখ্যাত ছিলেন।

এ রকম আরো উদাহরণ আছে। পুরাতন মালদা জেলায় ছিল গম্ভীরা, আলকাপ, লেটোগান, বর্ধমানে ছিল মাদারের বিয়ের উৎসবে বাদাই গান, সত্যপীরের গান, কলকাতায় জেলেপাড়ার সং কিংবা রাইবেশে। দুই বাংলায় আমার না জানা অনেক লোকজ সংস্কৃতি ছিল। জোর দিয়ে বলতে পারি, ’৯০-এর দশকে ঢাকায় ‘রথযাত্রা আর চড়কপূজার উৎসবের আদলে’ মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে যে পয়লা বৈশাখ পালন করা শুরু, তা দুই বাংলার কোথাও ছিল না। হালখাতা, মিষ্টি খাওয়া ইত্যাদি, কোথাও বা হতো মেলা, এর বেশি কিছু নয়।

কলকাতায় জেলেপাড়ার সং ভ্রাম্যমাণভাবে (পরে) লরি বা ট্রাকে সাজানো হতো। এতে তুলে ধরা হতো সমাজের নানা অসঙ্গতি, এমনকি রাজনীতি ও এর থেকে রেহাই পেত না। এর মধ্যেই দর্শকশ্রোতা আলোড়িত হতেন, অট্টহাস্যে ভেঙে পড়তেন। সে রকমই একটা লোকসংস্কৃতির অনাবিল আনন্দের খোরাক উল্লেখ করছি। আজকের মানুষ তো আর সেই নির্মল আনন্দ পান না, কঠোর যান্ত্রিক সভ্যতার নিষ্পেষণে।

এক জোলা (তাঁতি) আর এক নাপিত, দুই বন্ধু ভিন রাজ্যে এসে দু’জনেই বেশ কিছু অসঙ্গতি দেখে অবাক হলো। প্রথম ধাক্কা খায় বাজারদর দেখে। মোটা চালের দাম চড়া, কিন্তু পোলাওয়ের চালের দাম কম। সরিষার তেলের দাম বেশি, কিন্তু খাঁটি গাওয়া ঘি-এর দাম কম। ছোট মাছের দাম বেশি, কিন্তু বড় মাছের দাম কম। গরুর গোশতের দাম খুব বেশি, কিন্তু তাজা খাসির গোশতের দাম কম। প্রায় সব জিনিসের দামেই এ রকম বৈষম্য। জোলা একটু বোকা, কিন্তু নাপিত খুব চালাক।

জোলার বুদ্ধি যেমন কম, শরীরটাও নাদুস-নুদুস আর নাপিত শুকনো খিটখিটে। জোলা তো মহাখুশি। কেননা অল্প আয় করলেই রাজার হালে গোশত-পোলাও খাওয়া যাবে। নাপিত বলল, ‘দোস্ত ওসব খাওয়া যাবে না, নিশ্চয়ই কোনো ঝামেলা আছে।

বিপদ হতে পারে। দেখছিস না, মানুষকে একটা প্রশ্ন করলে সোজা সত্য বলে না, উল্টাপাল্টা মিথ্যা বলে। তাই ঠিক করেছি, দাম একটু বেশি হলেও মোটা চালের ভাত-শাকপাতা খেয়েই চলতে হবে।’ জোলা মানতে নারাজ, ‘মওকা যখন পেয়েছি, তখন ভালো ভালো খাবারই খাবো। তোর যা ইচ্ছা খা।’ দু’জন নিজের মতো করেই চলে। এদিকে জোলা আরো মোটা হতে থাকে।
সকালে রাজা মশাই তার পারিষদদেরকে নিয়ে কেবল সিংহাসনে বসেছেন, হঠাৎ হাউমাউ করে এক সদ্য বিধবা নাবালক শিশুসন্তানকে নিয়ে দরবারে হাজির।

বিষয় কী? মন্ত্রী এগিয়ে যান। ‘রাজা মশাই, আমার স্বামী আজ মারা গেছে। আমি গরিব, সহায়-সম্বলহীন। এই অনাথ শিশুকে নিয়ে আমার খুব কষ্ট, সাহায্য করুন ধর্মাবতার।’
রাজা নড়েচড়ে বসেন, তোমার স্বামী আজ মারা গেছে? -হ্যাঁ হুজুর। -কিভাবে মারা গেল, কি করত সে? -চুরি, চুরি করত হুজুর। -কিভাবে মারা গেল? রাজার প্রশ্ন। ‘আজ্ঞে হারাধন বাবু ওই যে পণ্ডিত, বামুনপাড়ার।

তার বাড়িতে সিঁধ কাটতে গেল। তখনই দেয়াল চাপাপড়ে মারা গেছে। হুজুর সাহায্য করুন।’ সাহায্য পরে হবে। রাজা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। মন্ত্রী, পেয়াদা পাঠাও। এখনি হারাধনকে কোমরে দড়ি বেঁধে দরবারে হাজির করা হোক। এত বড় দুঃসাহস। আমার রাজ্যে পেশাজীবী যে যার মতো স্বাধীন পেশার কাজ করবে। অথচ হারাধন কী এমন দেয়াল বানায় যে, আমার একজন স্বাধীন নাগরিক সিঁধ কাটতে গিয়ে মারা পড়ে! এ খুনে বিচার অবশ্যই পাবে তুমি, চিন্তা করো না। পেয়াদা পাঠাও। পরিষদবর্গ বলে, ঠিক কথা, ন্যায্যবিচার। রাজা মশাইয়ের জয় হোক। রাজা গোঁফে তা দিয়ে বুক চিতিয়ে বসে থাকেন পরম গর্বে।

ব্রাহ্মণ পণ্ডিত শ্রীযুক্ত হারাধন তর্কালঙ্কারের কোমরে দড়ি বেঁধে হাজির করা হলো দরবারে। পরিষদবর্গের মধ্যেই ছিল তার শিষ্য। তিনি উঠে তাড়াতাড়ি হারাধন বাবুকে সাষ্ঠাঙ্গ প্রণাম করে রাজার কাছে নিবেদন করলেন দড়িটা খুলে দিতে। এতে রাজা প্রচণ্ড কুপিত হলেন এবং আদেশ করলেন ‘তুমি পারিষদবর্গ থেকে বহিষ্কৃত। বিদায় হও।’ শিষ্য নত মস্তকে দরবার ত্যাগ করলেন। রাজা এবার হারাধন বাবুর দিকে রক্তচক্ষু নিয়ে তাকিয়ে প্রশ্ন করলেন, তোমার ঘরে সিঁধ কাটতে গিয়ে এর স্বামী কানু বাগদী মারা গেছে, সত্যি? -আজ্ঞে সত্যি। এখানে আমার কী অপরাধ ধর্মবতার?

‘তুমি টোলে পড়াও, তোমাকে কেউ বাধা দেয় বা মারধর করে? রাজার প্রশ্ন। -না, আমি জ্ঞান বিতরণ করি আর এ মাধ্যমে যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চলে।
রাজা তখন বললেন, বেশ ভালো কথা, পেশার ক্ষেত্রে তোমার যেমন স্বাধীনতা আছে, কানু বাগদীরও তার পেশায় স্বাধীনতা আছে। অতএব, তুমি তাকে মারতে পারো না।’

কিন্তু সে তো চোর, চুরি করতে গিয়ে দেয়াল চাপা পড়ে মারা গেছে। থতমত খেয়ে পণ্ডিত বললেন। -রাজা তুমি, না আমি? আইন কার হাতে? আইন ভঙ্গকারীর শাস্তি কী জানো?’ হুজুর এ কেমন আইন? এ আইন মানি না, দৃপ্ত কণ্ঠে পণ্ডিত বললেন। -প্রহরী, এই সন্ত্রাসী বিদ্রোহীকে কারাগারে নিয়ে যাও, কাল সকালে একে শূলে চড়ানো হবে।’ রাজা হুকুম দেন। -হুজুর আমার আরেকটা কথা আছে। অন্তত একবার বলতে দিন। দেয়াল আমার; কিন্তু আমি তো তা বানাইনি, বানিয়েছে চিনু মিস্ত্রি। তা হলে আমার দোষ কোথায়? পরিষদবর্গ বলল- ঠিক ঠিক ঠিক।’ রাজা হুকুম দেন, তা হলে বেয়াদবির জন্য হারাধনকে পাঁচ চাবুক মেরে ছেড়ে দাও। চিনুকে ধরে আনো।’

চিনু মিস্ত্রি আর কারো ওপর দোষারোপ করতে না পারায় তার শূলের হুকুম হয়ে গেল। অনাথ শিশুটা মা খাবো, খিদে লেগেছে, বলে ঘ্যান ঘ্যান করছে। রাজা বিরক্ত হয়ে চোরের বউকে ধমকে বললেন, বিচার করে দিলাম, এখন যাও? স্বামীর পেশায় লাগো, বাচ্চাটা মানুষ করতে হবে না, এই কে আছিস এদের দরবার থেকে বের করে দে’।

মন্ত্রী বলেন, হুজুর ধর্মাবতার সবই তো হলো; কিন্তু শূলটা নতুনের নতুন উদঘাটন (উদ্বোধন) করতে হলে অন্তত মোটাতাজা আসামি না হলে শূলটার পশ্চাৎদেশ ভেদে বিঘœ ঘটতে পারে। কিন্তু চিনু মিস্ত্রি সিটকে হাড়গিলে মানুষ। শূলটারই না অমর্যাদা হয়।
এখন আপনার মর্জি হুজুর। পারিষদবর্গ বলল, যথার্থ, যথার্থ। -তাহলে আর কি করবে, দেখো, রাজ্যে সেই রকম ভালো মোটাতাজা লোক কে আছে, চারিদিকে পেয়াদা পাঠাও, আর চিনু মিস্ত্রিকে মুক্ত করে দাও।

নাপিত রাজপ্রাসাদের এক কোনে রাজপুত্রের চুল কাটার সুযোগ পেয়েছিল, তার হাত যশের কারণে। আর পুরো বিচারপ্রক্রিয়া সবই কানখাড়া করে শুনছে। কাজ সেরে সে চলে এলো বন্ধু জোলার কাছে। জোলা তখন খাওয়া সেরে গরমে গাছের তলায় শরীর উদোম করে চিৎ হয়ে শুয়ে আছে। হঠাৎ কয়েকটা পেয়াদা এসে জোলাকে ধরে নিয়ে গেল। নাপিতকে তারা চেনে, তাকে কিছু বললও না। দরবারে রাজার সামনে জোলাকে পেশ করা হলো, জোলা হতভম্ব। রাজা বাহাদুর মন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, দেখ তো মন্ত্রী, চলবে কি না। মন্ত্রী জোলার পাশে এসে পাছায় হাত দিয়ে মেরে বলল, বহুৎ খুব, চলবে হুজুর।’ -তাহলে আমার রায়টা ওকে শুনিয়ে দাও।’ রাজা হুকুম দেন।

মন্ত্রী জোলাকে শূলে চড়ানোর হুকুম শোনাল। শুনে জোলা ভয়ে আঁতকে উঠে বলল, হুজুর, আমার অপরাধ? -বেটা তোর অপরাধ জানিস না, এমনি এমনি মোটা হয়েছিস। প্রহরী, একে নিয়ে যাও। বলে মন্ত্রী রাজার দিকে তাকালেন, রাজা স্মিত হেসে সম্মতি জানালেন।
পরদিন সকালে জোলাকে শূলে চড়ানোর আয়োজন শেষ, এখন কেবল রাজার ইশারার অপেক্ষা। পারিষদবর্গ যথাস্থানে উপস্থিত, দুইজন প্রহরী জোলার পাশে দণ্ডায়মান। এমন সময় একজন জটাধারী ও কৌপীন পরিহিত, হাতে ত্রিশূল সন্ন্যাসী ‘মাভৈ’ বলে দরবারে উপস্থিত।

রাজা মশাই কপালে হাত জোড় করে বলেন, কে বাবা আপনি? আপনার পরিচয়? আমি, আমি স্বামী ব্রহ্মানন্দ পঞ্চভূতেশ্বর। ভূত-ভবিষ্যৎ সবই আমি দেখতে পাই ব্রহ্মার আশীর্বাদে। আসছি হিমালয়ের মানস সরোবর থেকে, সেখানেই ১২ বছর তপস্যার পর মহামহিম ব্রহ্মা খুশি হয়ে আমাকে বর দান করেছেন, আমি আজ ধন্য।’ রাজা তাড়াতাড়ি সিংহাসন থেকে নেমে এসে সাধু বাবাকে প্রণাম করে বললেন, বাবা, আমাকে আশীর্বাদ করুন। একটু থেমে আবার বললেন, আপনার কী সেবা করতে পারি বাবা, আদেশ করুন, আমি ধন্য হই।’ শুনে সাধুবাবা রাজার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করে বললেন, দীর্ঘজীবী হও, বৎস্য। আমি তোমার কাছে একটি দাবি করব, নিশ্চয়ই তুমি পূরণ করবে, প্রতিজ্ঞা করো পুত্র, পূরণ করবে? -নিশ্চয়, আমি রাজাধিরাজ, সোনা-দানা, হীরা-মুক্তা কোনো কিছুর অভাব নেই। আপনি হুকুম করুন।’ বলে রাজা নতজানু হয়ে সাধুবাবার মুখের দিকে চেয়ে থাকেন।

সাধুবাবা বললেন, প্রীত হলাম, ব্রহ্মা বিস্তারিত জানিয়ে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন, তোমার যে নতুন শূলটা আজ উদ্বোধন করা হবে, এই মাহেন্দ্রক্ষণে এই শূলে যে প্রথম চড়বে, অর্থাৎ যাকে প্রথম এই শূলে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে, সে সরাসরি সাক্ষাৎ স্বর্গ লাভ করবে। অতএব, বৎস আমার ১২ বছরের তপস্যার ফল ওই শূল। তুমি আমাকে প্রথম ওই শূলে চড়ার সুযোগ দাও, স্বর্গ লাভ করে ধন্য হই।’ রাজা হঠাৎ থমকে যান, ভাবতে থাকেন সাধুর মতলব। -না না বাবা ওটি বলবেন না, আপনি অন্য কিছু চান, সোনা-দানা, হীরা-জহরত সব দিতে রাজি আছি।’ বলে রাজা সাধুবাবার পা জড়িয়ে ধরেন। পা ছাড়িয়ে নিয়ে সাধুবাবা বললেন, ভুলে যেও না তোমার প্রতিজ্ঞা। -বাবা আপনি সব নিন ওই শূল ছাড়া। এই প্রহরী, ওই জোলাকে ছেড়ে দাও। যাও, বিদায় হও।

বাবাকে হীরা-জহরত, মণি-মুক্তা এনে দাও। দেরি করো না।’ বলে আবার সাধুবাবার পা ধরে বললেন, বাবা আমার বৃদ্ধ জন্মদাতা শয্যাগত, তার খুব কষ্ট, সুপুত্র হিসেবে তার প্রতিও আমার দায় অনেক। আপনি আমাকে ক্ষমা করুন বাবা, সোনাদানা নিয়ে আপনি আমাকে প্রতিজ্ঞামুক্ত করুন। এই মাহেন্দ্রক্ষণ অতিক্রান্ত হতে চলেছে, এই তোরা আমার বাবাকে তুলে নিয়ে আয়, দেরি করিস না। ইতোমধ্যে এক পোঁটলা হীরা-জহরত একজন জোর করে সন্ন্যাসীর থলের মধ্যে গুঁজে দেয়। কী আর করা।’
বাবা কথা রাখলি না। তারপরও বলি, তোর বাবার মঙ্গল হোক।’ বলে এগোতেই জোলাকে চিনতে পেরে চুপিচুপি বলে, আর একটু থাম না, কী হয় দেখে যাই।

মূর্খ এদের আইন-কানুন বিচারের কোনো মাথামুণ্ডু আছে? ঘুরে আবার না তোকে বা আমাকে শূলে চড়ায়। চল, এই রাজ্য থেকে পালিয়ে যাই। আর এক দণ্ড না।’ বলে নাপিত ওরফে সাধুবাবা এগোতে থাকে, আর পেছনে থেকে শব্দ আসে, বাবা, এই বুড়ো বয়সে আমাকে এভাবে মারিস না, ... আ...। হ

লেখক : প্রাবন্ধিক, ছোট গল্পকার, নাট্যকার
[email protected]


আরো সংবাদ

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সেনা ও নৌবাহিনীতে অনারারি কমিশন প্রদান স্বাধীনতা দিবসের বাণীতে বিএনপি সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করতে দেশী-বিদেশী মহল ততপর শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ : পানিসম্পদ উপমন্ত্রী রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারের অভিযোগে সাবেক ছাত্রদল নেতা আশেক গ্রেফতার এক মিনিট ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি পালন ঘুষ না খাওয়ার শপথ পড়ালেন অর্থমন্ত্রী ঘুষ না খাওয়ার শপথ পড়ালেন অর্থমন্ত্রী ষ ঘুষ না খাওয়ার শপথ পড়ালেন অর্থমন্ত্রী ষ নারায়ণগঞ্জের এমপি খোকাকে নির্বাচনী এলাকা ছাড়ার নির্দেশ বিএনপি নেতা রবিউল আউয়ালের সন্ধান দাবি মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গাইবান্ধার ৯ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন

সকল