২৬ মার্চ ২০১৯

পেছন দিকে হাঁটছে আমাদের গণতন্ত্র

-

কয়েক দিন আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে গেল। সদ্যসমাপ্ত এ নির্বাচনে আমাদের গতানুগতিক হতাশার মধ্যে আশাবাদ কম ছিল না। মনে করা হয়েছিল, এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সক্ষম হবো; কিন্তু যেসব আশা-আকাক্সক্ষা ও সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছিল তা কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। নির্বাচন পর্বত মূষিকও প্রসব করতে পারেনি। আমরা শুধু অতীত বৃত্তের মধ্যেই আবদ্ধ থাকিনি, বরং সে বৃত্তকে সঙ্কীর্ণতর করে তুলেছি। গণতন্ত্র চর্চার নামে গণতন্ত্রকেই অর্ধচন্দ্র দেয়ার অভিযোগ জোরালো ভিত্তি পেয়েছে।

আধুনিককালের শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ লর্ড ব্রাইসের ভাষায়, গণতন্ত্র হলো, ‘A government in which the will of the majority of the qualified citizens rules ...say, at least three-fourths so that the physical force of the citizens coincides with their voting power.’ ‘যে শাসনব্যবস্থায় জনসমষ্টির অন্তত তিন-চতুর্থাংশ নাগরিকের বেশির ভাগের মতে শাসনকার্য পরিচালিত হয়, তাই গণতন্ত্র। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে, নাগরিকের ভোটের শক্তি যেন তাদের শারীরিক শক্তির আনুপাতিক সমাজ হয়।’ কিন্তু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সরকার গঠনে লর্ড ব্রাইসের গণতন্ত্রের সংজ্ঞার বাস্তব প্রতিফলন লক্ষ করা গেছে কি? আমাদের গণতন্ত্রের দুর্ভাগ্য বোধহয় সেখানেই।

বাংলাদেশের সংবিধানে বহুদলীয় গণতন্ত্র স্বীকৃত। এটি উদারনৈতিক গণতন্ত্রের নামান্তর। আর উদারনৈতিক গণতন্ত্রের মূলকথা হলো ব্যক্তিস্বাধীনতা, নানাবিধ অধিকার এবং শাসিতের সম্মতিসাপেক্ষে গঠিত সরকার। নাগরিক জীবনের পৌর ও রাষ্ট্রিক অধিকারের স্বীকৃতি, আইনের শাসন ও রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থার সাথে উদারনীতির সুসঙ্ঘবদ্ধ সম্পর্ক হলো এর মূলকথা। কালপ্রবাহে গণতন্ত্রের বিবর্তন হয়েছে। এসেছে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন। মিশ্র অর্থনীতি ও গণতান্ত্রিক পরিকল্পনা অবাধ বাণিজ্যের স্থান অধিকার করেছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমরা অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছি। তাই আমরা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় খুব একটা সুবিধা করতে পারছি না।

এবার সংসদ নির্বাচন কেমন হয়েছে তা আমাদের কারোই অজানা নয়। এই নির্বাচনে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন যেভাবে হওয়া উচিত ছিল, তা হয়েছে বলে দেশের বেশির ভাগ মানুষই মনে করছেন না। এমন নেতিবাচক উপলব্ধি আমাদের জন্য কম হতাশার নয়। কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর একটি প্রতিবেদনের কিয়দংশ উল্লেখ করা যুক্তিযুক্ত মনে করছি। এতে বলা হয়েছে, ‘২৮৮ আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট জয়লাভ করলেও বিরোধীরা ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে, মহাজোটের সমর্থকদের বাধার মুখে লোকজন ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেনি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রধান বিরোধী জোটের নেতা এই নির্বাচনকে প্রহসনরূপে উল্লেখ করে তা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন। অনেক পোলিং এজেন্ট জানিয়েছেন, তারা ভয়ে কেন্দ্র থেকে দূরে ছিলেন। আবার অনেকে অভিযোগ করেন, তাদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। ...এমনকি ক্ষমতাসীন দলের নেতারা ব্যালটে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরাট করেছেন। একজন নারী ভোটার দাবি করেছেন, পুলিশ তাদের স্বাধীনভাবে ভোট দিতে দেয়নি। পুলিশ বলেছে, ‘যদি নৌকায় ভোট দেয় তাহলেই কেবল ভোট দিতে পারবে।’ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, শেখ হাসিনার ক্ষমতা দিন দিন শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং দেশটির শাসনব্যবস্থা একদলীয় শাসনে পরিণত হতে চলেছে।’

আমাদের দেশে নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ অতীতে ছিল, এখনো আছে; হয়তো আগামী দিনে আরো জোরালো হবে। অতীতে নির্বাচনে ‘সূক্ষ্ম’ ও ‘স্থূল’ কারচুপির অভিযোগ ছিল বহুল আলোচিত। ভোট গণনায় অনিয়ম, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্ব, একজনের ভোট আরেকজন দেয়ার অভিযোগ আমরা অতীতেও শুনেছি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কেন্দ্র দখল করে বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে গণহারে সিল মারার অভিযোগও পুরনো নয়; কিন্তু সারা দেশেই ভোটারদের ভোটদানে নিরুৎসাহিত করা, পোলিং এজেন্ট দিতে বাধা প্রদান, ক্ষেত্রবিশেষে মারধর বা প্রায় সব কেন্দ্র দখল করে নিয়ে গণহারে সিল মারার ব্যাপক অভিযোগ নতুই বলতে হবে। অভিযোগগুলো জোরালো ভিত্তি পাচ্ছে। ঘটনার ধারাবাহিকতায় বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক সূচকে আমাদের অবনমন ঘটছে তা অনেকটাই স্পষ্ট।

এ কথা আরো জোরালো হয়েছে লন্ডনভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (ইআইইউ) প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে। সংস্থাটি ১৬৫টি দেশে জরিপ পরিচালনা করে দেখায়, গণতন্ত্রের সূচকে বাংলাদেশের অবনতি হয়েছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৪তম, সেখানে ২০১৭ সালে আট ধাপ নিচে নেমে হয়েছে ৯২তম। আগের বছরের মতো এবারো সূচকে বাংলাদেশ ‘হাইব্রিড শাসনব্যবস্থার’ বিভাগের মধ্যেই রয়েছে। ২০১৮ সালে সূচকের আরো অবনতি ঘটেছে। ‘হাইব্রিড’ বলতে এমন শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে প্রায়ই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয় এবং নির্বাচনে জনমতের প্রতিফলন উপেক্ষিত থাকে। স্বাধীনতা অর্জনের প্রায় অর্ধশতাব্দী পরও এটা আমাদের জন্য হতাশারই বলতে হবে।

আমাদের দেশের নেতিবাচক রাজনীতির বাস্তবতায় বিরোধী দল এবং তাদের প্রার্থীদের ওপর সরকারের চাপ নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সে অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি ঘটেছে বলেই শোনা যাচ্ছে। দুর্নীতি সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে বলে বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ রয়েছে। আইনের শাসনের দুর্বলতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব এ জন্য প্রধানত দায়ী। বিচারব্যবস্থা ও জনপ্রশাসনের ওপর নির্বাহী বিভাগের খবরদারিকেও এ জন্য দায়ী করা যায়। ইআইইউ-এর প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, আমাদের দেশের গণতন্ত্র কতটা ভঙ্গুর অবস্থায় এসে পৌঁছেছে এবং দিন দিন তা অবনতির দিকে যাচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমাদের জাতিসত্তাই একদিন অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মধ্যযুগের ধর্মচিন্তক ও রাষ্ট্রচিন্তকেরা মানবকল্যাণে যে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছিলেন, তা একবিংশ শতাব্দীতে অনেকটাই অনুপস্থিত। বিশেষ করে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এ কথাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখন আমরা মানুষকে স্বপ্ন দেখালেও তা অন্তঃসারশূন্য বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। আমরা ক্রমেই যেন আত্মকেন্দ্রিক হয়ে উঠছি। মানবসভ্যতার অবিস্মরণীয় অবদান হচ্ছে কল্যাণমুখী, গণতান্ত্রিক ও গতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা। কিন্তু আমরা তা থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছি। দেশে গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও সংবিধান থাকলেও প্রচলিত রাজনীতি নিছক ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হওয়ায় আমরা সে লক্ষ্য থেকে যোজন যোজন দূরেই অবস্থান করছি। ফলে আইন ও সাংবিধানিক শাসনের ধারণা আজো আমাদের কাছে অধরাই রয়ে গেছে। গণতন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ, অন্য দিকে দেশে আইনের শাসনের অবস্থাও খুব হতাশাব্যঞ্জক। কারণ, শাসকগোষ্ঠীর বৈরী মনোভাবের কারণে দেশের সুশাসন তিরোহিত। দার্শনিক প্লেটোর মতে, ‘When the prince is virtuous, laws are unnecessary; when prince is not virtuous, law is useless.’ উভয় ক্ষেত্রেই আমাদের দুর্বলতা অত্যন্ত প্রকট।

আমাদের সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সবপর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।’ গণমুখী অনুচ্ছেদগুলো শুধু সংবিধানেই লিপিবদ্ধ রয়েছে; কিন্তু বাস্তব প্রয়োগ থাকছে উপেক্ষিত। ক্ষমতাসীনেরা প্রায়ই প্রচার করেন, দেশে সংবিধান আছে, আছে সাংবিধানিক শাসন। এমনকি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধও ‘সুপ্রতিষ্ঠিত’ রয়েছে; কিন্তু বাস্তবে এসবের প্রতিফলন খুব কমই দৃশ্যমান।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে মাত্র ১০ মাসে প্রণীত সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে পাস হয় এবং ওই সংবিধানকে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকারিতা প্রদান করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল এই সংবিধান। বিশে^র স্বাধীনতা অর্জনকারী সব রাষ্ট্রের মধ্যে অপেক্ষাকৃত স্বল্প সময়ে প্রণীত ও অনুমোদিত গণতান্ত্রিক সংবিধান হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয় এটি। কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় পাঁচ দশক অতিক্রান্ত হওয়ার পরও আমাদের দেশে গণতন্ত্র বিকশিত হয়নি, বরং ক্রমেই তা আরো অধিক সঙ্কটাপন্ন হয়ে পড়ছে। তদুপরি, এ অবস্থা থেকে উত্তরণের আশু কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

কমিউনিস্টরা গণতান্ত্রিক আদর্শে বিশ্বাস করেন না। তাদের ভাষায়, ‘ভোট সংসদীয় বা আঞ্চলিক ক্ষেত্রে একটি পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরাজমান কোনো মত বা বিতর্কে কাউকে সমর্থন করার প্রক্রিয়া। পুঁজিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী যুগের প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারে ভোটকে খুব বড় করে দেখানো হয়। কেননা, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক শাসন, শোষণ ও নির্যাতন চালাতে সরকার পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করতে সাধারণ জনগণের ভোট দেয়ার প্রয়োজন পড়ে।’

‘ফলে শ্রেণিভিত্তিক সমাজে রাজনৈতিক সম্মতির মাধ্যম হিসেবে ভোট হচ্ছে জনগণকে শাসন, শোষণ ও নির্যাতনকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের একটি আইনগত প্রক্রিয়া। আর উদারনৈতিক গণতন্ত্র বা পাশ্চাত্য গণতন্ত্র হচ্ছে গণতান্ত্রিক শোষণমূলক সমাজব্যবস্থারই একটি রূপবিশেষ। উদারনৈতিক গণতন্ত্র মার্কসবাদী, লেনিনবাদী, মাওবাদী ও সাম্যবাদী, সমাজতন্ত্র ও নৈরাজ্যবাদীদের দৃষ্টিতে হচ্ছে বুর্জোয়া শ্রেণীর একনায়কত্ব।’

ভোট ও গণতন্ত্র নিয়ে এমন বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত হওয়া যায় না। তবে আমাদের দেশে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিয়ে যে সঙ্কট চলছে, তাতে গণতন্ত্র যে স্বরূপে আত্মপ্রকাশ করতে পারছে না, এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ফলে মানুষ গণতন্ত্রের সুফলগুলো পুরোপুরি ভোগ করতে পারছে না, যা কমিউনিজম সমর্থকদের সমালোচনার সুযোগ করে দিচ্ছে। বিশেষ করে আমাদের দেশে গণতন্ত্র চর্চার প্রেক্ষাপটে তা আরো জোরালো ভিত্তি পেয়েছে।

আমাদের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পারদ যেভাবে নিম্নগামী হয়েছে তাতে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ গল্পের ‘ভুতুড়ে বাড়ি’র সাথে তুলনা করা যায়। সে বাড়িতে অতীতে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও জৌলুশের কোনো কমতি ছিল না; কিন্তু আত্মপূজার কারণেই তা একসময় বিরানভূমিতে পরিণত হয়। গল্পকথকের ভাষায় এই ভুতুড়ে বাড়িতে এক রাত যাপন করলে তার পাগল হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। তাই পাগল মেহের আলী প্রতি প্রত্যুষেই মানুষকে সতর্ক করে বলতে থাকে, ‘সব ঝুট হ্যায়! সব ঝুট হ্যায়! তফাৎ যাও! তফাৎ যাও!’ ক্ষমতালিপ্সার কারণেই আমাদের গণতন্ত্র ও প্রিয় মাতৃভূমির কি সে বেহাল দশাই সৃষ্টি হবে?
[email protected]


আরো সংবাদ

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সেনা ও নৌবাহিনীতে অনারারি কমিশন প্রদান স্বাধীনতা দিবসের বাণীতে বিএনপি সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করতে দেশী-বিদেশী মহল ততপর শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ : পানিসম্পদ উপমন্ত্রী রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারের অভিযোগে সাবেক ছাত্রদল নেতা আশেক গ্রেফতার এক মিনিট ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি পালন ঘুষ না খাওয়ার শপথ পড়ালেন অর্থমন্ত্রী ঘুষ না খাওয়ার শপথ পড়ালেন অর্থমন্ত্রী ষ ঘুষ না খাওয়ার শপথ পড়ালেন অর্থমন্ত্রী ষ নারায়ণগঞ্জের এমপি খোকাকে নির্বাচনী এলাকা ছাড়ার নির্দেশ বিএনপি নেতা রবিউল আউয়ালের সন্ধান দাবি মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গাইবান্ধার ৯ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন

সকল