১২ ডিসেম্বর ২০১৯

বাবরি মসজিদ

-

ঢাকার বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আগে ছিল রমনা রেসকোর্স ময়দান। এর দক্ষিণ অংশে ২.২২ একর জমিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় তিন শ’ বছরের পুরনো একটি উপাসনালয়- কালী মন্দির যা কালী বাড়ি নামে পরিচিত- এবং মা আনন্দময়ী আশ্রম রয়েছে। এই ঐতিহাসিক মন্দির ও আশ্রমটি ২৭ মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী ধ্বংস করে দেয়।

শুনেছি স্বাধীনতার পরবর্তীকালে তাদের একটি প্রতিনিধিদল এই মন্দির ও আশ্রমটি একই স্থানে পুনর্নির্মাণের জন্য স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে দাবি জানায়। মুজিব তাদের বলেছিলেন, মন্দির ও আশ্রম রমনা রেসকোর্সের বাইরে অন্য কোনো স্থানে তিনি নির্মাণ করে দেবেন। এই প্রস্তাবে তারা রাজি হননি; তাদের দাবি- একই স্থানে মন্দির ও আশ্রম নির্মাণ করতে হবে। এর প্রায় ৩৫ বছর পর মন্দির ও আশ্রমটি প্রায় একই স্থানে ২৬ জুন ২০০৬ সালে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়। বর্তমানের কালী মন্দির এবং এর সংলগ্ন মা আনন্দময়ী আশ্রম অনেক দৃষ্টিনন্দন এবং সৌকর্যমণ্ডিত করে পুনর্নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতাদের দাবি মেনে নিয়েছে।

এমনই উপাসনালয় ধ্বংসের একটি বর্বরোচিত ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায়। মুসলমানদের একটি মসজিদ শান্তিকালীন সময়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধ্বংস করা হয় সেখানে। ৬ এপ্রিল ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শীর্ষনেতা লালকৃষ্ণ আদভানির নেতৃত্বে করসেবকরা ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাও ক্ষমতায় থাকাকালে মসজিদটি ধ্বংস করে দেয়। মসজিদটি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১৩৪ বছর আগে, তবু এমনকি কংগ্রেস আমলেও এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা তেমন জোরদার ছিল বলে মনে হয় না। এতে প্রতীয়মান হয়, কংগ্রেস সরকারের জরায়ুতে বিজেপির জন্ম। মসজিদটি খ্রিষ্টীয় ১৫২৮-১৫২৯ সাল মোতাবেক ৯৩৫ হিজরি সালে নির্মিত প্রায় পাঁচ শ’ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী বিজেপির দাবি, এখানে রাম মন্দির ছিল যা মোগল সেনাপতি মীর বাকি মোগল সম্রাট বাবরের নির্দেশে ভেঙে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করে ছিলেন। রামচন্দ্র বাল্মীকি রচিত রামায়ণ মহাকাব্যে বর্ণিত পৌরাণিক চরিত্র।

বস্তুত রাম বলে কোনো অবতার বা কেউ ছিলেন বলে ঐতিহাসিক দলিল নেই। এটা নিতান্তই বিশ্বাসের ব্যাপার। আমি যেহেতু নিরাকার অদৃশ্য আল্লাহ তায়ালায় বিশ্বাসী, তাই সে বিতর্কে যাব না। হিন্দু ধর্মালম্বীদের মতে, অযোধ্যা রামের জন্মভূমি এবং যে মন্দিরটি ভেঙে সেখানে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, সে স্থানেই রাম জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সুতরাং মন্দিরটি রামের জন্মস্থলে একটি স্মারক এবং তাই আদি রাম মন্দির নির্মাণের জন্য মসজিদটি ভাঙা হয়েছে। আগেই বলা হয়েছে, রামের অস্তিত্বের কোনো ঐতিহাসিক বা দালিলিক প্রমাণ নেই। ব্রাহ্ম ধর্মাবলম্বী ও একেশ্বরবাদী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ভাষা ও ছন্দ’ কবিতায় লিখেছেন- ’সেই সত্য যা রচিবে তুমি/ঘটে যা তা সব সত্য নহে। কবি, তব মনোভূমি/রামের জন্মস্থান, অযোধ্যার চেয়ে সত্য জেনো’। মহাকাব্যের রচয়িতা কবির ’মনোভূমি’ যে বীজ বপন করেছে, তা-ই সত্য। রামের জন্মস্থান সম্পর্কে এ কথাই চূড়ান্ত। তাই বলছিলাম এটা নিতান্ত বিশ্বাসের ব্যাপার।

বর্তমান ভারতে সেই উগ্র সাম্প্রদায়িক বিজেপি সরকার ক্ষমতায়। গত ৯ নভেম্বর ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট ২.৭৭ একর জমিতে নির্মিত বাবরি মসজিদটি ভাঙা ‘বেআইনি’ ঘোষণা করেও অকুস্থলে রাম মন্দির নির্মাণ বৈধ মর্মে এলাহাবাদ হাইকোর্টের ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০ সালের রায় বহাল রেখেছেন। সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যার অন্য কোথাও সুন্নি মুসলমানদের মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচ একর জমি বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছেন। ভারতের মোট ১৩৩.৯০ কোটি জনসংখ্যার সংখ্যালঘিষ্ঠ ২০.১০ কোটি মুসলমান, যা বিশ্ব মুসলিম জনসংখ্যার ১১.১৭ শতাংশ এবং ভারতীয় মোট জনসংখ্যার ১৫.০১ শতাংশ, তা মানতে নারাজ। মুসলমানরা জমি চায় না, পূর্বতনস্থলে মসজিদটির পুনর্নির্মাণ চায়। যেমন- বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালে ধ্বংসপ্রাপ্ত রমনার কালী বাড়ি পূর্ববর্তীস্থলে পুনর্নির্মাণ চেয়েছিল এবং তাদের সে দাবি পূরণও করা হয়েছে।

বাবরি মসজিদ ৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ সালে যখন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ভাঙল, তখনই ভারতের মুসলমানরা প্রতিবাদে সোচ্চার হয় এবং এর প্রতিক্রিয়ায় এক রায়টে প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যার বেশির ভাগই মুসলমান। ১৯৭১-এ যুদ্ধকালে রমনার কালী বাড়ি ধ্বংসের সময় সামরিক বাহিনীর হাতে প্রায় ১০০ মানুষ নিহত হয়েছিলেন, যাদের প্রায় সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক। এতে বাঙালি মুসলমানের কোনো হাত ছিল না এবং সেখানে মসজিদ নির্মাণেরও কোনো অভিপ্রায়ও ছিল না- এমন কি পাকিস্তানিরাও তা বাস্তবে করেনি। এই মন্দির ও আশ্রমটি পুনর্নির্মাণে ভারতও সহায়তার হাত বাড়িয়েছিল। কিন্তু সেই ভারত হিন্দুত্ববাদী বিজেপির শাসনামলে মুসলমানদের ৫ শ’ বছরের মসজিদ ধ্বংস করে রাম মন্দির নির্মাণের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। একেই ইংরেজিতে বলে ‘মাইট ইজ রাইট’। এটা যুক্তিবিবর্জিত বর্বরদের অবিচ্ছেদ্য বৈশিষ্ট্য।

ভারতীয় বুদ্ধিজীবীদের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, বাবরি মসজিদই হোক বা অন্য কোনো বিতর্কিত কাঠামোই হোক, যদি সেটি আজ অক্ষত অবস্থায় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকত, তবে কি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট একে কেন্দ্র করে যে রায় দিয়েছেন; তা দিতে পারতেন? তারা আরো প্রশ্ন তুলেছেন, আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার যে রিপোর্টকে ভিত্তি করে এ রায় দেয়া হয়েছে, তা কি ঠিকমতো বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে? এই রিপোর্ট অনুযায়ী, মসজিদটির নিচে একটি স্থাপনা ছিল। কিন্তু সেটা যে, কোনো মন্দির বা রামেরই মন্দির ছিল সেটাই বা সুপ্রিম কোর্ট কিভাবে নিশ্চিত হলেন? কেউ কেউ এ রায়ের দিনটিকে ‘ভারতীয় সংবিধানের জন্য একটি চরম অমর্যাদার মুহূর্ত’ হিসেবে দেখছেন।

এই রায় প্রসঙ্গে দিল্লিতে রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট, অধ্যাপক নাজমা রেহমানি বলেন- ‘আমার ধারণা, যতটা না সাক্ষ্যপ্রমাণের ওপর ভিত্তি করে, তার চেয়েও বেশি দেশের সামাজিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই কোর্ট এই রায় দিয়েছেন। ...হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায় এই রায়কে এখন কিভাবে নেবে, সেটি ভেবে আমি সত্যিই উদ্বিগ্ন’। কলকাতার শিক্ষাবিদ ড. মীরাতুন নাহার বলেন- ‘আমার প্রশ্ন একটাই, এই যে বিবাদ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া হয়েছিল, সেটা কি আপনা থেকেই তৈরি হয়েছিল, নাকি সচেতনভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল?’ মুম্বাইয়ের ভারতীয় মুসলিম মহিলা আন্দোলনের কর্ণধার ও সমাজকর্মী নূরজাহান সাফিয়া নিয়াজ বলেন, ‘এই রায়ে হয়তো অনেকেই শেষ পর্যন্ত খুশি হবেন না। কিন্তু কে খুশি আর কে অখুশি হলো, তাতে কী এসে যায়? বিষয়টার একটা যে ‘নিষ্পত্তি’ হলো, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ’। এই উক্তি স্যাটায়ার কি না জানি না। তবে এমতাবস্থায় হয়তো এ কথাই ঠিক- কারণ সে দেশে সংখ্যালঘু প্রায় ২০.১ কোটি মুসলমানের কোনো স্বাধীন মতামতকেই গুরুত্ব দেয়া হয় না। এমনকি, মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মির প্রশ্নেও না।

বিশ্বমুসলিম জনমত এ রায়ের প্রতিবাদ জানিয়ে রায় প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, অযোধ্যার বাবরি মসজিদ নিয়ে ভারতের হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারকে খুশি করতেই সুপ্রিম কোর্ট এ পক্ষপাতমূলক রায় দিয়েছেন। যে কারণে মোদি বাবরি মসজিদ মামলার এ রায়ের জন্য দেশটির সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এ রায় মুসলিমবিশ্ব গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে না। কারণ, জাতিসঙ্ঘের ১৯৪৮ সালে ঘোষিত মানবাধিকার সনদ এবং ভারতীয় সংবিধান লঙ্ঘন করে এই রায় দেয়া হয়েছে। এতে করে ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়কে তাদের ধর্মীয় সাংবিধানিক অধিকার এবং মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত করে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে। রমনায় বাংলাদেশের ১৬.৪৭ কোটি জনসংখ্যার ১.৪ কোটি সংখ্যালঘু হিন্দু, যা মোট জনসংখ্যার ৮.৫ শতাংশ, তাদের কালী মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম পুনর্নির্মাণ করে দিয়েছিল ৯০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের সরকার। কিন্তু তা করেনি ভারত সরকার। তবে প্রয়োজনে কোনো মসজিদ জনস্বার্থে এক স্থান থেকে সরিয়ে অন্যত্র নির্মাণের নজির আছে।

ঢাকার গুলিস্তান ভবনের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ২০০ বছরেরও আগের গোলাপ শাহের মাজারসংলগ্ন মসজিদটি যানবাহন ও জন চলাচলের সুবিধার দিকে নজর রেখে পার্শ্ববর্তী ওসমানী উদ্যানে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। মাজারটি যথাস্থানেই রয়েছে। কারণ, এর ঐতিহাসিক সত্যতা ও ভিত্তি আছে। তবে এ নজির বাবরি মসজিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ, গোলাপ শাহ মসজিদ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোনো হীন উদ্দেশ্য ছিল না, যেমনটা বাবরি মসজিদ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে রয়েছে। তাই গোলাপ শাহ মসজিদ স্থানান্তর যুক্তিযুক্ত হলেও বাবরি মসজিদ স্থানান্তর মোটেও যুক্তিযুক্ত হতে পারে না। কারণ এখানে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়কে খুশি করার জন্য একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে অখুশি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সে দেশের সংখ্যালঘু মুসলমানদের আইনগত অধিকারও খর্ব হয়েছে। তাই ভারতের কাজটি সমর্থনযোগ্য নয় এবং বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় তা মেনে নিতে পারেনি।

ভারতীয় মুসলমানরা বা অন্য কোনো মুসলিম-অমুসলিম দেশ জাতিসঙ্ঘে সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আইসিজিতে মোদি সরকার কর্তৃক ১৯৪৮ সালের মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের দায়ে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিযোগ করতে পারে। তেমনটা রোহিঙ্গা নির্যাতন ও বিতাড়নের ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে গাম্বিয়া মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে করেছে। অধিকন্তু রোহিঙ্গা প্রশ্নে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে মিয়ানমার নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনাও মামলা দায়ের করেছে। ভারতের মুসলমানদের অন্যান্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাপার এবং বাবরি মসজিদ প্রশ্নে মোদির বিরুদ্ধেও অনুরূপ ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

হিন্দুত্ববাদী বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিশাল ভারতজুড়ে তাদের বিপুলসংখ্যক সমর্থকের মুসলমানদের ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাও রয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা আচার্য গিরিরাজ কিশোর এরই মধ্যে দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় হিন্দুদের আরো অনেক পবিত্র স্থাপনা ‘মুসলমানদের দখল থেকে মুক্ত করা’র সূচনা করল। তিনি শ্রী কৃষ্ণের জন্মস্থান মথুরা বলে দাবি করে বলছেন, মথুরার শাহী ঈদগাহ মসজিদ এবং বারানসীর জ্ঞানব্যাপী মসজিদ হিন্দুদের স্থাপনা ধ্বংস করে নির্মিত হয়েছে।

এ ছাড়াও উগ্রপন্থীরা দাবি করছেন, কাশীসহ ভারতজুড়ে হাজার হাজার মসজিদ মন্দির ধ্বংস করে নির্মিত হয়েছে এবং রাম মন্দির উদ্ধারের মতো এগুলোকেও মুসলমানদের দখলমুক্ত করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে মামলা দায়ের হলে এই রায়কে নজির হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে। নরেন্দ্র মোদির ‘কাশ্মির অভিযানে’র পরপরই বাবরি মসজিদকে ঘিরে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের এই রায় এলো। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় মুসলমানরা যেহেতু দেশে বিচার পাচ্ছে না, সে ক্ষেত্রে তাদের কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো দেশের আইসিজিতে যাওয়া ছাড়া আর কী-বা করার আছে?
লেখক : অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও ভাইস প্রিন্সিপাল, কুমিল্লা মহিলা সরকারি কলেজ


আরো সংবাদ

সকল