২১ আগস্ট ২০১৯

আট বছরে দেশে ডায়াবেটিস রোগী বেড়ে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আট বছরে দেশে ডায়াবেটিস রোগী বেড়ে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী - নয়া দিগন্ত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে ক্রমান্বয়ে বহুমূত্র (ডায়াবেটিক) রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২০১০ সালে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ছিল ৩ দশমিক ৯ শতাংশ। গত আটবছরে তা বেড়ে দাড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ অর্থাৎ বলা যায় এ বৃদ্ধির হার দ্বিগুনের বেশি।
বুধবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। মন্ত্রী এ ব্যাপারে আরো বলেন, এ রোগ নিয়ন্ত্রণে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং চলমান।

এম. আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে ভেজাল ও ফরমালিনমুক্ত খাবার গ্রহণ, ধূমপানসহ নানা কারণে প্রতিবছর ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে ক্যান্সার চিকিৎসা ও হাসপাতাল কম হওয়ায় ক্যান্সার রোগী ও অভিভাবকগণ প্রতিনিয়ত দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এ থেকে ভুক্তভোগীদের লাঘবের জন্য ইতিমধ্যে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে একটি করে আধুনিক চিকিৎসা সম্বলিত স্পেশাল ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

শামীম হায়দার পাটোয়ারীর এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আইপিইউ সম্মেলনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অঙ্গিকার করেছিলেন ২০৪০ সালের মধ্যে দেশ তামাকমুক্ত হবে। তার ওই অঙ্গিকার বাস্তবায়নে ওই সময়ের মধ্যে তামাক নির্মূল করতে চাই।

মসিউর রহমান রাঙ্গার এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বিদেশী ঔষুধ দেশীয় বাজারে বাজারজাতকরণের পূর্বে ঔষুধ প্রশাসন অধিদফতর হতে আমদানীকৃত ঔষধের নিবন্ধন গ্রহণ করতে হয়। তিনি বলেন, বিদেশী ঔষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে। মোঃ মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলোতে আগুনে পোড়া রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড, বার্ন ইউনিট করিবার পরিকল্পনা আপাতত নেই। তবে, ঢাকা মেডিকেলে এ সংক্রান্ত রোগীর চাপ কমাতে ঢাকার বাইরে আপাতত ৫টি মেডিকেল কলেজে বার্ন ইউনিট স্থাপন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)’দের চাকুরি রাজস্বখাতে স্থানান্তরের কোন পরিকল্পনা নেই। কর্মরত সকল জনবল ট্রাস্টের আওতায় সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী সকল সুবিধাদি প্রাপ্ত হবেন।


আরো সংবাদ