১৯ এপ্রিল ২০১৯

স্তন ক্যান্সার : 'আক্রান্ত নারী আরো বেশিদিন বাঁচবেন'

স্তন ক্যান্সার - সংগৃহীত

হরমোন থেরাপির সাথে নতুন ধরনের ওষুধের সংমিশ্রণে চিকিৎসা পদ্ধতিতে প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত কোনো কোনো নারীর ক্ষেত্রে আরো বেশিদিন বেঁচে থাকা সম্ভব, পরীক্ষামূলক ভাবে এমনটাই দেখা গেছে।

হরমোন থেরাপির সাথে প্যালবোসাইক্লিব ব্যবহার করা হয়েছে এমন আক্রান্ত নারীরা কমপক্ষে ১০ মাস বেশি বেঁচেছে যারা কেবলমাত্র হরমোন থেরাপি পেয়েছে তাদের তুলনায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরীক্ষামূলক চিকিৎসার ফলাফল খুবই উৎসাহব্যঞ্জক।

কিন্তু তারা এও দেখেছেন যে, এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে রোগটি পুরোপুরি ভালো হয় না এবং সবার ক্ষেত্রে এটি কার্যকরও নয়।

প্লাসিবো নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষামূলক ক্লিনিক্যাল গবেষণায় প্যালবোসাইক্লিব প্রয়োগের সুবিধা দেখার চেষ্টা করা হয় ৫২১ জন নারীর ওপর যাদের ফ্লুভার্সট্যান্ট হরমোন থেরাপির চলছিল।

তারা অস্ট্রোজেন পজিটিভ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিল অর্থাৎ তাদের টিউমারে এইচইআর-২ জিন ছিল না।

এই অস্ট্রোজেন পজিটিভ স্তন ক্যান্সার হল ক্যান্সারের সবচেয়ে সাধারণ অবস্থা, ক্যান্সার আক্রান্ত শতকরা অন্তত ৭০ ভাগের ক্ষেত্রেই রোগটির এই অবস্থাটি দেখা যায়।

লন্ডন ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের গবেষকদের তত্ত্বাবধানে ও রয়্যাল মার্সডেন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট মিলে করা এই গবেষণায় দেখতে চাওয়া হয়েছিল, প্যালবোসাইক্লিব আক্রান্ত নারীর সামগ্রিক বেঁচে থাকায় এবং কেমোথেরাপি বিলম্বিত করায় প্রভাব ফেলে।

বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যেসব নারীদের টিউমার আগের হরমোন থেরাপিতে ভালো সারা দিয়েছিল (যার সংখ্যা ৫২১ জনের মধ্যে ৪১০জন), তাদের বেঁচে থাকার সময় ১০ মাস বেড়ে গড়ে ৩৯.৭ মাসে দাড়ায়।

আর যাদের ফ্লুভার্সট্যান্ট হরমোন থেরাপির সাথে প্লাসিবো হিসেবে একটি করে নির্গুণ ওষুধ দেয়া হয়েছিল তাদের বেঁচে থাকা ২৯.৭ মাস।

অবশ্য যাদের ক্ষেত্রে আগে হরমোন থেরাপি কার্যকর হয়নি তারা বেশিদিন বেঁচে থাকতে পারেনি।

তিন বছর পর তাদের গবেষণার জন্যে আবারো যখন বিবেচনা করা হয় তখন দেখা যায় যে প্যালবোসাইক্লিব এবং হরমোন থেরাপি উভয়ই যারা ব্যবহার করেছেন তাদের বেঁচে থাকার সংখ্যাও বেশি। সেটি ৪৯.৬% যা ৪০.৮% থেকে বেশি- অর্থাৎ যাদের শুধুমাত্র ফ্লুভার্সট্যান্ট হরমোন দেয়া হয়।

এই যৌথ পদ্ধতি প্রয়োগ করা নারীদের একটি অংশের ক্ষেত্রে কেমোথেরাপি দেবার সময় ৯ মাস পর্যন্ত বিলম্বিত হয়।

সবচেয়ে মূল্যবান সময়

এই গবেষণাটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন যে প্রফেসর নিকোলাস র্টানার, তার মতে, "প্যালবোসাইক্লিবের ব্যবহার স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীদের জন্যে গত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি।।"

"এটি আক্রান্ত নারীদের তাদের প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানোর অবকাশ বাড়িয়ে দিতে পারে। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যাভিসারী চিকিৎসা হওয়ায় অনেকের কেমোথেরাপিই এটি বিলম্বিত করেছে। অনেকেই ফিরে গেছেন স্বাভাবিক জীবনে," বলছিলেন মি. টার্নার।

প্যালবোসাইক্লিব এনআইসিই-র অনুমোদন পেয়েছে ২০১৭ সালের নভেম্বরে। তবে সাম্প্রতিককাল এটি অস্ট্রোজেন পজিটিভ স্তন ক্যান্সারের নিরাময়ের লক্ষ্যেই ব্যবহার হচ্ছে। বিশেষ করে যাদের রোগটি নির্ণয়ের পরও ছাড়িয়ে গেছে।

যুক্তরাজ্যের ক্যান্সার গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রফেসর চার্লস শ্যানটন এর ফলাফল কে 'অত্যন্ত উৎসাহ ব্যঞ্জক' বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি আরো বলেছেন, "যদিও এক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তদের কিছু অতিরিক্ত মূল্যবান মাস বেশি লাগছে এবং একইসাথে এটি পুরোপুরি নিরাময় করেনা ও সবার ক্ষেত্রে কাজও করে না।"

"সুতরাং স্তন ক্যান্সারের দুর্বল অংশের বিষয়ে আমাদের আরো বেশি করে জানতে হবে এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যতের জন্যে চিকিৎসা পদ্ধতি আরো বিকশিত করতে হবে।"

ব্রেস্ট ক্যান্সার নাউ এর প্রধান নির্বাহী ডেলিথ মর্গানের মতে এই গবেষণা "রোমাঞ্চকর" হলেও আরো পরীক্ষা নিরীক্ষার দাবি রাখে।

প্রথম নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন-এ এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয় এবং তা পরিবেশন করা হয় জার্মানির মিউনিখে ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব মেডিসিন অনকোলজি কংগ্রেসে।

এ নিয়ে লেডি মর্গানের মত হলো যে, সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতির সংস্কারের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই প্যালবোসাইক্লিব ও ফ্লুভার্সট্যান্ট হরমোন থেরাপির সমন্বিত প্রয়োগ।

 

পুরুষের স্তন সমস্যা

কখনো কখনো পুরুষরাও স্তন সমস্যায় ভুগে থাকেন। তা সাধারণ সমস্যা থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত হয়ে থাকে। শতকরা ০.৫-১% ক্যান্সার পুরুষ স্তনে হয়ে থাকে। পুরুষ স্তনের সাধারণ বৃদ্ধিকে চিকিৎসা পরিভাষায় বলে এুহধবপড়সধংঃরধ. এ ছাড়া পুরুষের স্তন প্রদাহ ও স্তন টিউমার হতে পারে।  লিখেছেন অধ্যাপক ডা: খাদেমুল ইসলাম

বয়ঃসন্ধিক্ষণের স্তন বৃদ্ধি
বয়ঃসন্ধিক্ষণে ১৩-১৪ বছর বয়সে ছেলেদের যখন সাবালকত্বপ্রাপ্তি ঘটে অর্থাৎ মাধ্যমিক যৌন বৈশিষ্ট্য (ঝবপড়হফধৎু ংবী পযধৎধপঃবৎং) গুলো প্রকাশ পেতে থাকে, তখন একই সময়ে স্তন স্ফীত হতে পারে। পুরুষ হরমোন এর পাশাপাশি স্ত্রী হরমোনের কিছুটা আধিক্যের কারণে স্তন বৃদ্ধি পায়। সাধারণত উভয় স্তনে গুটির মতো চাকা সৃষ্টি হয় এবং চাপ প্রয়োগে ব্যথাও অনুভূত হতে পারে। এটা সাধারণত স্বল্পমেয়াদি অর্থাৎ ছয় মাস থেকে বছরখানেক স্থায়ী হতে পারে।

তারপর আস্তে আস্তে মিলিয়ে যায়। গ্রামগঞ্জে অনেক সময় স্তনের এ গুটিকে জোর করে চেপে ভেঙে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অনেকেই স্তন প্রদাহে আক্রান্ত হন। যেহেতু এটা প্রাকৃতিক স্বল্পমেয়াদি পরিবর্তন কাজেই কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রেÑ এক দিকে মিলিয়ে যায় কিন্তু অন্য দিকে, স্তন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং যথেষ্ট বড় হয়ে কিশোরীর স্তনের আকার ধারণ করে। এই ক্ষেত্রে যদিও কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা হয় না কিন্তু সামাজিক সমস্যা দেখা দেয় এবং মা-বাবা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন।

সাধারণত কোনো হরমোনের অসঙ্গতি পাওয়া যায় না। সমস্যাগ্রস্ত স্তনের স্তনকলাগুলো শরীরে বিদ্যমান স্বাভাবিক স্ত্রী হরমোনের অতিমাত্রায় স্পর্শকাতরতার কারণে স্ফীত হতে থাকে। সাধারণত কোনো ওষুধের চিকিৎসায় ফল পাওয়া যায় না। অস্ত্রোপচার করে স্ফীত স্তন কেটে ফেলাই যৌক্তিক চিকিৎসা।

যদি উভয় স্তন সমভাবে স্ফীত হতে থাকেÑ তাহলে স্ত্রী হরমোনের তুলনামূলক আধিক্য থাকতে পারে যা রক্তে পুরুষ ও স্ত্রী হরমোনের পরিমাণ নির্ণয় করে শনাক্ত করতে হবে। যদি জননেন্দ্রীয় ও অন্যান্য পৌরুষালী চরিত্রগুলো স্বাভাবিক থাকে তাহলে পুরুষ হরমোন চিকিৎসা যেমন উরযুফৎড় ঞবংঃড়ংঃবৎড়হ কিংবা উড়হধুড়ষ চিকিৎসায় সমস্যা দূরীভূত হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মহিলা অহঃর যড়ৎসড়হব যেমন ঞধসড়ীরভবহ প্রয়োগে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

যদি সত্যি সত্যি মহিলা হরমোনের আধিক্য প্রমাণিত হয় এবং জনণেন্দ্রীয় ও পৌরুষালী চরিত্রগুলো স্বাভাবিক অনুমিত না হয়, তাহলে ক্রমোজমার পরীক্ষা করে সত্যিকার পুরুষ না কি পুরুষ মহিলার সংমিশ্রণ (কষরবহভবষঃবৎ'ং ংুহফৎড়সব)- তা নির্ণয় করতে হবে। 
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একটি বিষয় পরিলক্ষিত হচ্ছে, ৯-১০ বছরের নাদুশ-নুদুশ স্বাস্থ্যবান অনেক ছেলেদের স্তন স্ফীতি, অনেক ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক স্ফীতি হচ্ছে। অতিরিক্ত মেদ জাতীয় খাবার ও শরীরে অস্বাভাবিক মেদ এ সমস্যার জন্য মূলত দায়ী। কেননা চর্বি কোষের মধ্যে পুরুষ হরমোন মহিলা হরমোনে পরিবর্তিত হয়। এবং ওইভাবে সৃষ্ট স্ত্রী হরমোন স্তনের স্ফীতি ঘটায়। এরা স্কুলে সহপাঠীদের ঞবধংব এর শিকার হয়। ফার্মের মুরগির গোশত সম্ভবত কিছুটা হলেও এ সমস্যার জন্য দায়ী; যেহেতু চড়ঁষঃৎু ভববফ এ মুরগিকে দ্রুত বড় করার জন্য হরমোন জাতীয় পদার্থমিশ্রিত থাকে। কাজেই চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার ও ব্যায়াম করে অতিরিক্ত মেদ কমানো স্তন স্ফীতি কমানোর অন্যতম উপায়। তা ছাড়া সমস্যাগ্রস্ত ছেলেদের চড়ঁষঃৎু পযরপশবহ না খাওয়ানোই শ্রেয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার করে স্ফীত স্তন কেটে ফেলতে হয়।

খ. মধ্য বয়সের স্তন স্ফীতি
মধ্য বয়সের পুরুষের এক বা উভয় স্তনে স্ফীতি ঘটতে পারে। কিছু ওষুধ সেবন অন্যতম কারণ। কিছু ক্ষেত্রে কিছু কিছু অসুখের কারণে স্তন স্ফীতি হতে পারে। যেমনÑ ক্রনিক লিভার ডিজিজ বা লিভার সিরোসিস, কুষ্ঠ রোগ, অণ্ডকোষের টিউমার অন্যতম। উভয় স্তনের স্ফীতি ঘটলে সেবনকৃত ওষুধগুলোর মধ্যে দায়ী ওষুধকে চিহ্নিত করা এবং তা সেবন বন্ধ করা উচিত। তা ছাড়া উল্লিখিত অসুখগুলো নির্ণয়ের জন্য যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং অসুখের চিকিৎসা করা প্রয়োজন।

এক দিকের স্তন স্ফীতির ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো কারণ প্রায়ই খুঁজে পাওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে টিউমারজনিত সমস্যার কথাও বিবেচনা করতে হবে। টিউমার হলে যথাযথ চিকিৎসা আর সাধারণ স্ফীতি হলেÑ অস্ত্রোপচার করে কেটে ফেলতে হবে।

গ. বৃদ্ধ বয়সের স্তন স্ফীতি
বৃদ্ধ বয়সে সাধারণত দুই কারণে স্তন স্ফীতি হতে পারে। বয়সের কারণে অণ্ডকোষের কার্যকারিতা কমে যাওয়ায় পুরুষ হরমোনের তুলনামূলক ঘাটতি ও শরীরে বিদ্যমান স্ত্রী হরমোনের উদ্দীপনা সাধারণত উভয় স্তনের বৃদ্ধি ঘটায়। দ্বিতীয় কারণ- চৎড়ংঃধঃব গ্রন্থির ক্যান্সারের জন্য-স্ত্রী হরমোন প্রয়োগে চিকিৎসা। ব্যথাযুক্ত না হলে কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।
তবে একদিকের স্তনে চাকা দেখা দিলে টিউমারের সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।

স্তন প্রদাহ পুরুষের কদাচিত সমস্যা। বয়ঃসন্ধিকালে স্তন স্ফীতির সাথে প্রদাহ হতে পারে। অন্য বয়সে প্রদাহ হলে স্বল্প সময়ের মধ্যে স্তনে ফোলা ও ব্যথা সৃষ্টি হয়। বেদনানাশক ও এন্টিবায়োটিক প্রয়োগে সমস্যা দূরীভূত হয়।

পুরুষদের স্তন টিউমার কদাচিত ঘটনা। সাধারণত দুই ধরনের টিউমার হয়- ফাইলয়েড টিউমার ও সত্যিকার স্তন ক্যান্সার। 
ফাইলয়েড টিউমারে স্তনে মোটামুটি বেশ বড় আকারের চাকা হয় এবং ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফাইলয়েড টিউমার নির্দোষ কিংবা ক্যান্সার উভয় প্রকারের হতে পারে। এই টিউমার স্তনের ফাইব্রাস টিসু থেকে জন্ম নেয়, স্তন কোষ বা কলা থেকে নয়। ঋঘঅঈ কিংবা ইরড়ঢ়ংু নমুনা পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করতে হয়। সাধারণত অস্ত্রোপচার করে নিপল ও উপরি ভাগের চামড়াসহ স্তন কেটে ফেলাই সঠিক চিকিৎসা। ক্যান্সার টাইপের হলে বগলের লসিকা গ্রন্থিগুলো ফেলে দিতে হয়। এ টিউমারে কেমো কিংবা রেডিওথেরাপি কোনো কাজ করে না।

শতকরা ০.৫-১ শতাংশ স্তন ক্যান্সার পুরুষদের হয়ে থাকে। পুরুষ স্তন ক্যান্সারের জৈবিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য মহিলাদের তুলনায় খারাপ। মধ্য ও বৃদ্ধ বয়সের পুরুষেরা বেশি আক্রান্ত হন। স্বল্প স্তন কলার উপস্থিতির কারণে- পুরুষ স্তনের ক্যান্সার অতিদ্রুত স্তনের উপরি ভাগের চামড়া ও বক্ষ পিঞ্জরে প্রসারিত ও বিস্তৃত হয়ে থাকে। একই কারণে দ্রুত বগলের লসিকাগ্রন্থি ও দূরবর্তী অঙ্গে বিস্তার লাভ হয়। সে কারণে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত পুরুষেরা যখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন- তখন প্রায়ই অসুখটাকে অগ্রবর্তীপর্যায় হিসেবে পরিগণিত হয়। ঋঘঅঈ ও ইরড়ঢ়ংু-এর মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ক্যান্সারের পর্যায় (ঝঃধমব) অনুযায়ী চিকিৎসা প্রয়োগ করতে হয়। পুরুষের স্তন ক্যান্সার যেহেতু দ্রুত বিস্তার লাভ করে, সে কারণে মধ্য বয়সী কিংবা বৃদ্ধ বয়সে কেউ স্তনে গোটা অনুভব করলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

লেখক : জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন, ল্যাব এইড হাসপাতাল, ঢাকা।


আরো সংবাদ

rize escort bayan didim escort bayan kemer escort bayan alanya escort bayan manavgat escort bayan fethiye escort bayan izmit escort bayan bodrum escort bayan ordu escort bayan cankiri escort bayan osmaniye escort bayan