২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মাওলানা সুবহানকে মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেয়ার আহ্বান জামায়াতের

জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদ ও নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুস সুবহান - ছবি-সংগৃহিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি কারাগারে বন্দী অসুস্থ মাওলানা আবদুস সুবহানকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলের আমির মকবুল আহমাদ।

বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আবদুস সুবহান কিছু দিন আগে হঠাৎ করে পড়ে যাওয়ায় তার বাম হাত ভেঙ্গে গিয়েছে। ফলে তিনি গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার অসুস্থতায় তার পরিবার-পরিজনসহ দেশের জনগণ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। কারাগারের হাসপাতালের ডাক্তার তাকে বাইরের হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেন। দীর্ঘ দিন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। পরবর্তীতে তাকে পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।’

জামায়াতের আমির বলেন, ‘তিনি ( মাওলানা আব্দুস সুবহান ) দীর্ঘ ৯ বছর যাবত কারাগারে বন্দী আছেন। তিনি সরকারের রাজনৈতিক জুলুম ও প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন জাতীয় নেতা। তিনি পাবনা সদর থেকে ৫ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পাবনায় বহু স্কুল-কলেজ, এতিমখানা ও মসজিদ-মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা। জনগণের সেবার জন্য তিনি হাসপাতালও প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি পাবনাবাসীর অত্যন্ত প্রিয় আপনজন। তার বয়স বর্তমানে ৯০ বছর। তিনি বার্ধক্যসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত। সম্প্রতি পড়ে গিয়ে তার হাত ভেঙ্গে যাওয়ায় তাকে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। একজন বয়স্ক জাতীয় নেতা ও ৫ বার নির্বাচিত সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্যকে অন্যায়ভাবে হাতকড়া পরানো অবস্থায় হাসপাতালে রাখা হয়েছে। একজন অসুস্থ মানুষকে এভাবে বেধে রাখা সম্পূর্ণ অমানবিক। একদিকে তিনি সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অপরদিকে হাতকড়া পরানো অবস্থায় তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত।’ 

‘তাই মানবিক দৃষ্টিতে বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করে দেশের একজন বর্ষিয়ান প্রবীণ জাতীয় নেতা হিসেবে তাকে বিশেষ বিবেচনায় মুক্তি দিয়ে উন্নতমানের চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ দিয়ে তার প্রাপ্য মৌলিক নাগরিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার জন্য’ মকবুল আহমাদ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।


আরো সংবাদ