২১ নভেম্বর ২০১৯

ছাত্রলীগের পর যুবলীগ ধরেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি। সমাজের সব অসঙ্গতি দূর করবো। অপরাধ, অনাচার রোধে যা যা করার তা করা হবে। যাকে যাকে ধরা দরকার, তাদের ধরা হবে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল দেখা করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জানি, কাজটা কঠিন, বাধা আসবেই, কিন্তু জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ফেরাতে সরকার তা করবে।

সংগঠনের ভাবমূর্তি বাড়বে এমনভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রলীগকে সততা, আদর্শ নিয়ে সংযমের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। আমি কোনও নালিশ শুনতে চাই না। নিজেদের ইমেজ বাড়াতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভায় এ দুজনকে সরিয়ে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান ও প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদের দায়িত্ব দেয়ার নির্দেশনা দেন তিনি। ওই একই সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের দুই নেতাকে ইঙ্গিত করে সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই দুই যুবলীগ নেতার একজন মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গত বুধবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন।

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঙ্গে এসময় ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মো. ইব্রাহীম, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক মো. জোবায়ের আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে গণভবনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

...


আরো সংবাদ