২১ নভেম্বর ২০১৯

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐক্যফ্রন্টের গণশোক সমাবেশ স্থগিত

-

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ঘোষিত রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মঙ্গলবারের (২২ অক্টোবর) গণশোক সমাবেশের অনুমতি না মেলায়  তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জোটটি। অনুমতি না মেলায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গণশোক সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

সোমবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির এক জরুরি সভা শেষে গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া সাংবাদিকদের এ কথা জানান। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে তার বেইলী রোডস্থ বাসভবনে বিকাল সাড়ে ৪টায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির এ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেএসডির সভাপতি আ.স.ম. আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিকল্পধারর আহ্বায়ক অ্ধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের  ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া, এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মোশতাক আহমেদ, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।

রেজা কিবরিয়া বলেন, ২২ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গণশোক সমাবেশে সরকার কর্তৃক অনুমতি না দেয়ায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ মনে করেন ভোট ডাকাত গণবিচ্ছিন্ন সরকার খুবই লজ্জাস্কর কাজ করেছে। সরকার মত প্রকাশের অধিকার খর্ব করেছে। সরকার অনুমতি না দেয়ার কারণে আগামীকাল ২২ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গণশোক সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আগামীতে আমাদের আন্দোলন প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। সব স্বৈরশাসকরা এমন অগণতান্ত্রিক আচরণ করে গণরোষানলে বিতাড়িত হয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির নেতৃবৃন্দ দ্রুত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে।

উল্লেখ্য যে, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ২২ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণশোক সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। 


আরো সংবাদ