১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে জামায়াতের অর্থ সহায়তা প্রদান

-

দারিদ্র বিমোচন ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে অর্থ সহায়তা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শুরা সদস্য ও থানা আমীর আতাউর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারি ইউসুফ আলী মোল্লার পরিচালনায় হাতিরঝিল থানা শাখা পশ্চিমের আয়োজনে রাজধানীর মগবাজারের একটি মিলনায়তনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ড. আহসান হাবিব। উপস্থিত ছিলেন- থানা কর্মপরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ, গোলাম মাওলা, শ্রমিক নেতা আ. ওয়াদুদ সর্দার, রাশেদুল ইসলাম, নবী হোসেন প্রমুখ।

এসময় ১০জনকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে অর্থ, রিক্সা-ভ্যানসহ সেলাই মেশিন দেয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন প্রধান অতিথির বক্তেব্যে বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী কোন গতানুগতিক রাজনৈতিক দল নয় বরং একটি আদর্শবাদী গণমুখী রাজনৈতিক সংগঠন। জামায়াতের সে কল্যাণকামীতার অংশ হিসেবেই আজ আমরা দুস্থ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দুর্দশা লাঘবে সীমিত সাহায্য নিয়ে এগিয়ে এসেছি। সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আমাদের এই কল্যাণকামীতা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে। তিনি দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আশার জন্য দলীয় নেতাকর্মীসহ সকল স্তরের মানুষের প্রতি আহবান জানান।

তিনি সোমবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম ঢাকা মহানগরী উত্তরের হাতিরঝিল পশ্চিম থানা আয়োজিত দুস্থ ব্যবসায়িদের মাঝে অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সেলিম উদ্দিন বলেন, মূলত নাগরিকের সকল সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু বর্তমান সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতালিপ্তর কারণে সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত। দেশে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত থাকলে সরকার নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সকল সমস্যার সমাধান করতো। কিন্তু গণবিচ্ছিন্ন সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ না নিজেদের আখের গোছানোয় ব্যস্ত রয়েছে। তাই গণমানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে দেশকে কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার কোন বিকল্প নেই। তিনি ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন, সরকার দেশ পরিচালনায় সার্বিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা জনগণের জন্য সুশাসন উপহার দিতে পারেনি। ফলে পিঁয়াজ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষয় বাইরে চলে গেছে। সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণেই দেশের অর্থনৈতিক সেক্টর এখন ধ্বংসের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। মূলত সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই জনগণের জন্য তাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। তাই দেশ ও জাতিকে এ অবস্থা থেকে মুক্ত করতে হলে অবিলম্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।


আরো সংবাদ