২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ই-পাসপোর্টের জন্য ছবি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী বুধবার ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন উপলক্ষে ইমিগ্রেশন এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরের (ডিআইপি) কর্মকর্তারা রোববার প্রধানমন্ত্রীর ছবি তুলেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব কেএম সাখাওয়াত মুন জানান, ডিআইপি কর্মকর্তারা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি তোলেন।

তিনি বলেন, এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী একটি ডিভাইসে তার ডিজিটাল স্বাক্ষরও দেন।

এ সময় ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ই-পাসপোর্ট পরিষেবা এবং স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উদ্বোধন করবেন।

ডিআইপি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ এর আগে বলেন, প্রাথমিকভাবে উত্তরা, যাত্রাবাড়ি এবং আগারগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সেবা শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ৭২টি আঞ্চলিক ও বিভাগীয় অফিস এবং ৮০টি বিদেশী মিশনে চালু করা হবে। জার্মান সংস্থা ভেরিডোস জিএমবিএইচ দেশে ই-পাসপোর্ট এবং ই-গেটে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, ই-পাসপোর্ট চালুর সাথে সাথে অভিবাসন প্রক্রিয়াটিকে সহজ করার চেষ্টা চলছে।

আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইসিএও) মতে, বর্তমানে ই-পাসপোর্ট ইস্যুকারী ১০০ টিরও বেশি দেশ এবং বেসরকারি সংস্থা রয়েছে এবং বিশ্বে ৪৯০ মিলিয়ন ই-পাসপোর্টধারী লোক রয়েছে।

প্রকল্পের তথ্যানুযায়ী, ‘বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট এবং স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার’ প্রকল্পটি ৪ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ডিআইপি পুরো প্রকল্পটি সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছে। ১০ বছরে মোট ৩০ মিলিয়ন পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে।

ই-পাসপোর্ট সেবার সাথে সাথে অনলাইনের মাধ্যমে অভিবাসনের আনুষ্ঠানিকতারও পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে।

জার্মানিতে দুই মিলিয়ন ই-পাসপোর্ট তৈরি করা হবে। যারা প্রথমে আবেদন করবেন তাদের পাসপোর্ট জার্মানি থেকে তৈরি করা হবে। ই-পাসপোর্টের মেয়াদ পাঁচ এবং ১০ বছরের জন্য হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই ডিআইপি এবং জার্মানি ভেরিডোস জিএমবিএইচ সংস্থা ইলেকট্রনিক পাসপোর্টের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। ইউএনবি।


আরো সংবাদ