১৭ অক্টোবর ২০১৯

শুদ্ধতার অন্বেষণ

দেখা অদেখা
-

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার ভয়াবহতা নিয়ে আর কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই। এ নিয়ে আজ শুধু উদ্বেগ প্রকাশের সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এখন প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ নিয়ে কাজ করা। রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্যোগী ভূমিকা, সমাজ শক্তির এগিয়ে আসা দরকার। দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে সবার আপসহীন হওয়া ভিন্ন এদের দৌরাত্ম্য যে মাত্রায় পৌঁছেছে তা রোধ করা সম্ভব হবে না। এই সমাজবিরোধী শক্তি আইন-কানুন ও প্রশাসনকে ধর্তব্যে নিচ্ছে না। সাধারণ মানুষের জীবন সম্পদ রক্ষায় কোথায় ঠাঁই মিলবে সে চিন্তায় দিশেহারা। মানুষের অসহায়ত্ব প্রমাণ করে, প্রশাসন তাদের নিরাপত্তা দিতে অক্ষম। এই ব্যর্থতার দায় রাষ্ট্রের নির্বাহীদের নিতে হবে। এখন যারা সমাজে ভীতি অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, অনুসন্ধানে দেখা যাবে যে এদের পেছনে শক্তিধর মদদগার রয়েছে। এ মদদগারদের পেটুয়া হিসেবে ওই দুর্বৃত্তরা ব্যবহৃত হয় বলে তারা তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে থেকে সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য বরাবর হুমকি হিসেবে বিরাজ করে। অথচ সমাজের নেতাদের অন্যতম দায়িত্ব সমাজে বসবাসকারী মানুষের নিরাপদে জীবনযাপনের নিশ্চয়তা দেয়া। সে নিশ্চয়তা এখন কোথায়? আর সমাজজীবনের এমন অবক্ষয়ের কারণে কিছু দিন আগে দুঃখী মানুষের আবাসস্থল হিসেবে বাংলাদেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষায়। ওই সমীক্ষায় দেখা গেছে, এ দেশের মানুষের সুখ-শান্তির ক্রমেই অবনতি ঘটছে। যেখানে জীবনের নিরাপত্তা কমতে থাকে, সেখানে মানুষ স্বস্তিতে থাকতে পারে কিভাবে? সমাজের যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে মনে হয় ভীতি সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসীরাই জয়ী হচ্ছে। সন্ত্রাসীদের এমন অপ্রতিরুদ্ধতা দেশের শাসনব্যবস্থা নিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে। জনগণ তাদের করের পয়সা ব্যয় করে থাকে সমাজের শান্তিশৃঙ্খলার জন্য, কিন্তু তার হাল এখন কোন অবস্থায়?
সম্প্রতি দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষমতাসীনদের মদদ পাওয়া একদল যুবক প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। এসব সন্ত্রাসী হঠাৎ করে মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে আসেনি। এরা ছিল, এখনো আছে লুকিয়ে আড়ালে নয় প্রকাশ্যে। প্রশাসনের পাশেই এরা চলাফেরা করেছে বুক ফুলিয়ে। এরা এভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে নিজেদের আইনকানুনের ঊর্ধ্বে মনে করে। সুস্থ সমাজের যে সামান্য কিছু সমাজবিরোধী থাকে, তাদের আনাগোনা কখনো প্রকাশ্যে হয় না, তারা ভীতসন্ত্রস্ত থাকে। মানুষ তাদের ছায়াটি পর্যন্ত দেখতে পায় না। দেশে মানুষ যাতে এমন অবস্থায় বসবাস করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য যথেষ্ট বিধিবিধান রয়েছে। এগুলো প্রয়োগ করে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য রাগ-অনুরাগের বশবর্তী না হওয়ার কথা থাকলেও সেটা অনুসরণ করা হচ্ছে না। এসব অনিয়ম-দুর্নীতি অনুসরণ করে সমাজের দুর্বৃত্তদের অবস্থান তৎপরতা বহাল রাখা হচ্ছে।
সমাজে অনিয়মকারীরা শুধু এই অঙ্গনেই তৎপর নয়, রাজনৈতিক অঙ্গনেও এই অপশক্তি শক্ত অবস্থান নিয়ে পদচারণা করছে। এই অপশক্তি এমনভাবে তাদের জাল সর্বত্র বিছিয়েছে যাতে সবখানেই তারা অপ্রতিরোধ্য থাকতে পারে। সাধারণ নির্বাচনে তারা তাদের মদদগারদের অনুকূলে কাজ করেছে যাতে সুবুদ্ধি বিবেচনা এবং সুনীতির অনুসরণকারীরা ক্ষমতায় যেতে না পারে। জনগণ যেন ভোট দিয়ে এসব পরিবর্তনে সূচনা করতে না পারে। এসব পেটোয়া শুধু নির্বাচনে ফোরজারি করেছে তাই নয়। দেশের গণতন্ত্রের জন্য এরা সব সময় প্রতিপক্ষ। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দমন-পীড়নের ব্যাপারে এরা কাজ করেছে। এদের উত্থানের ফলে ক্ষমতাসীন মহলের হয়তো সাময়িকভাবে স্বার্থসিদ্ধি হচ্ছে বটে। কিন্তু এরা যদি মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তবে তাদের পথকে নিষ্কণ্টক করার জন্য কাউকেই ছেড়ে দেবে না, তখন সে এক ভয়াবহ দানব হয়ে উঠতে পারে, তার আগেই হুঁশিয়ার হওয়া উচিত।
দেশের ভালোমন্দ নিয়ে আলোচনা ও তার সমাধানের জন্য রয়েছে জাতীয় সংসদ। এই গুরুত্বপূর্ণ সভার সদস্য হয়ে আসেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। তারা নিজ নিজ এলাকার সমস্যাগুলো রাষ্ট্রের নির্বাহীদের সামনে তুলে ধরেন তার প্রতিকারের জন্য। কিন্তু অবাক হওয়ার বিষয়, একাদশ সংসদে এ পর্যন্ত জনগণের কোনো সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়নি। বিশেষ করে এখন গোটা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি ঘটেছে, সে বিষয়ে সংসদে কোনো কথাই হচ্ছে না। সংসদ সদস্যদের এমন নিষ্ক্রিয়তার পরিপ্রেক্ষিতে এমন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, তাদের মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করার কোনো দায়িত্ব নেই। তারা কি নির্বাহীদের অপরাগতা নিয়ে এমন নীরবই থাকবেন। তাদের এমন ভূমিকা থেকে আরো কথা ওঠে, সেটা হলোÑ এলাকায় মানুষের প্রতি যে নির্লিপ্ততা তার কারণ কি এটাই নয় যে, মানুষের ভোট নিয়ে তারা সংসদে আসেননি। তাই নির্বাচনী এলাকার মানুষের ভোগ-ভোগান্তি নিয়ে তাদের তেমন কিছু যায় আসে না। বরং যেসব দুর্বৃত্ত নির্বাচনে কৌশল করে তাদের বিজয়ী করেছে, শত অপরাধ করলেও সে দুর্বৃত্তদের বিপদ আপদে পাশে থাকাকে তারা কর্তব্য বলে মনে করে তারা। ‘জনপ্রতিনিধি’দের আচরণ যদি এই হয় তবে দেশ থেকে দুরাচার হটানোর কোনো প্রয়াসই সফল হবে না।
দেশের সমাজজীবনে আইনশৃঙ্খলার যে চিত্র আমরা এখন অহরহ দেখছি। তার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয়পর্যায়ে অনিয়ম অব্যবস্থা দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ লোপাটকারীরাও অত্যন্ত দাপটের সাথে দিন যাপন করছে। বিভিন্ন ব্যাংকে জনগণের যে টাকা গচ্ছিত রয়েছে তা থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা ফেরত দিচ্ছে না। এসব ঋণখেলাপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে তাদের দেয়া হচ্ছে সরকারিভাবে নানা সুযোগ-সুবিধা। শিল্প গড়ার কথা বলে অর্থ নেয়া হলেও পরিবর্তে সম্ভব সে অর্থ পাচার করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রাপ্ত এক তথ্যে জানা গেছে, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশী মানুষের বিপুল অর্থ জমা রয়েছে। কালো টাকার অধিকারীদের আয়ের উৎস জানার পরিবর্তে তাদের সেই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। এসব অপরাধী যদি অন্যায় করার জন্য শাস্তির পরিবর্তে অনুকম্পা পেতে থাকে তবে অন্যায়-দুর্নীতি বাড়তেই থাকবে। অন্যায়ের সাথে এমন আপস করার কারণে দুর্নীতি যে ব্যাপক মাত্রায় ছড়িয়ে পড়বে তার একটা দৃষ্টান্ত আন্তর্জাতিকভাবে রয়েছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের নাম রয়েছে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলোÑ এ দেশের কোটি কোটি দারিদ্র ক্লিষ্ট মানুষ কিন্তু দুর্নীতি করে না। বরং অর্থবিত্ত ক্ষমতা প্রতিপত্তির মালিকরাই এসব অপকর্ম এবং তার পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে।
পূর্ণবয়স্ক সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি দেশে এখন কিশোররাও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। এরা কয়েকজনে মিলে দল গঠন করে সঙ্ঘবদ্ধভাবে সন্ত্রাসী কর্মে জড়িত হয়ে পড়ছে। প্রভাব অক্ষুণœ রাখা এবং বিস্তারের জন্য বহু ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সাথে দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষে জড়িয়ে সমাজের শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ করছে। এসব কিছু সন্ত্রাসীর এমন দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষে প্রাণহানি ও জখমের ঘটনা নিয়তই ঘটছে। সব কিশোরই জীবনের এই পর্যায়ে যৌন চেতনার উন্মেষে শারীরিক-মানসিক সমস্যায় ভোগে। সমাজ পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাকে এ সমস্যার সমাধান দেয় না। তাদের এই পরিবর্তনের লাঘবের জন্য পাশে থাকে না। তাদের এই পরিবর্তনকে উপলব্ধি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে নিছক উপদেশ, আইন, নীতিবাক্য, শাস্তি দিয়ে বা শাস্তির ভয় দেখিয়ে এই শিং গজানো কিশোরদের বাগে রাখতে চায় সমাজ ও রাষ্ট্র। এতে কিশোরদের বিপথগামিতা বাড়ে বৈ কমে না এবং ধীরে ধীরে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে এরা দুর্ধর্ষ মাস্তান হয়ে ওঠে। এসব কিশোর গ্যাংস্টার হওয়ার রোমাঞ্চে মেতে সিনেমার খলনায়কদের মতো বাহাদুরি দেখাতে চায়। তারা ক্রমেই অপরাধের মারাত্মক সব পর্যায়ে জড়িয়ে যেতে থাকে। এরাই প্রতিশোধ জিঘাংসায় লিপ্ত হয়, অস্ত্র চালাতে, মাদক ব্যবহারে আসক্ত হয়, খুন সন্ত্রাসে জড়িয়ে পড়াকে বাহাদুরি হিসেবে গণ্য করতে শেখে। আইন, নিয়ম-কানুন, বিধিবিধানকে ভাঙার মধ্যেও হিরোইজমের তৃপ্তি খোঁজে। বিপথগামীদের এই দল উত্তেজনার খোরাক বা আইন ভাঙার রসদ হিসেবে নেশায় মাতে। এদের বেপরোয়া মনোভাবকে ব্যবহার করে সমাজপতি। এদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে নিজেদের প্রতিপত্তি বিস্তার এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের শায়েস্তা করার জন্য এসব মাস্তানকে ব্যবহার করে থাকে। তাতে যে সমাজ কলুষিত হচ্ছে তার কোনো পরোয়া করা হয় না।
প্রায় সব ক্ষেত্রেই দেখা যায়, পরিবার এবং পরিজনে অমনোযোগিতার কারণেই সন্তান বিপথগামী হয়ে থাকে। বয়ঃসন্ধিকালে অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের সময় অধিক মাত্রায় সাহচর্য দিতে হয়। সৎ হওয়ার পরামর্শ দেয়ার আগে নিজেদের চরিত্রে তার অনুশীলন করতে হবে। সন্তানদের চলাফেরা, সঙ্গী, দল বাছাই, আচরণ, কথাবার্তার দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দিতে হবে। গৃহে এবং তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনন্দময় সৃজনশীল চর্চার অবকাশ দিতে হবে। সমবয়সীদের সাথে সুস্থ বিনোদন, নির্মল আনন্দ ও সৃজনশীল দলীয় কাজে উৎসাহ দিতে হবে। সন্তানদের গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ এত জরুরি তার কারণ বিশেষজ্ঞরা মনে করেনÑ মানবসন্তানের মতো নির্ভরশীল হয়ে আর কোনো প্রাণী জন্মায় না। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সন্তানদের নিবিড় যতœ ও মায়া-মমতায় আগলে রেখে তাদের উপযুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে হয়। জীবনে সহায়-সম্পদ অর্জন ও সংরক্ষণে মানুষ যতটা মনোযোগী, উত্তরসূরিদের গড়ে তোলার জন্য তার বেশি সতর্ক থাকা উচিত।
বাংলাদেশে বসবাসকারী মানুষের এখন শান্তি স্বস্তি উবে গেছে। উপরে সেটা তুলে ধরা হয়েছে। তার সাথে আপস করে চললে এ দেশের মানুষের আত্মবিলুপ্তি ঘটবে। এ দেশ সৃষ্টির জন্য সব শ্রেণীর মানুষ এবং বিশেষ করে তৎকালীন জাতীয় নেতাদের যে অপরিসীম অবদান ও ত্যাগ-তিতিক্ষা যার ফলে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তাদের সেই অবদান রক্ষার দায়িত্ব এখন উত্তরাধিকার সূত্রে বর্তমান সময়ে নেতা ও সমাজপতিদের ওপর বর্তেছে। এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না। তাদের এখন বিবেচনার বিষয় যে, তারা কোন পথে অগ্রসর হবেন। আপস না শুদ্ধ সমাজের জন্য সংগ্রাম। শুদ্ধ সমাজ গঠনের আন্দোলন তো তাদের দ্বারাই সম্ভব, যারা শুদ্ধাচারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখন যে অনিয়ম-অব্যবস্থার প্রবল স্রোত বইছে তার বিপরীতে যাওয়ার নৈতিক শক্তি সাহস অর্জন করতে হবে, সব ধরনের লোভ লালসার হাতছানি উপেক্ষা করতে হবে। সমাজের যে হাল তাতে এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। বিশেষ করে এখন অপরাধ করা যে অন্যায় এই বোধ জাগ্রহ নেই। একে জাগাতে হলে বিষয়টি নৈতিক অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা এখন এতটা বস্তুবাদী হয়ে গেছি যে, কোনো কিছুই আর নৈতিক বিবেচনায় নেয়া হয় না। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মীয় মূল্যবোধ নৈতিকতার কোনো অনুশীলন নেই। অন্যায় অসততা থেকে দূরে থাকা যে বোধ তা আমরা সমাজ থেকে পাই না। সমাজে শিক্ষা থেকে এখন যা আমরা পাচ্ছি ন্যায় শুদ্ধতা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তা থেকে ক্ষমতা প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠা পাওয়াটাই গুরুত্বের। জীবনের ব্যাখ্যা এখন এমনই। তাই শুদ্ধাচারের আন্দোলন তৈরি কঠিন কাজ। কিন্তু তাকে অসাধ্য মনে করে যদি তা থেকে বিরত থাকা হয় তবে তার অনিবার্য পরিণতি হবে আত্মবিলুপ্তি। হ
[email protected]


আরো সংবাদ