১৯ নভেম্বর ২০১৯

ছাত্রলীগ-স্বেচ্ছাসেবকলীগের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বগুড়ার শাজাহানপুরে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৪ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। শনিবার উপজেলার বি-ব্লক রহিমাবাদ উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শাজাহানপুর থানা পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। আহতরা হলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সম্পাদক হোসেন শরীফ মনির, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক নাহিয়ান, ও ছাত্রলীগনেতা গোলাম গাউস গ্রুপের সদস্য নাহিদ।

আহতদের মধ্যে নাহিদকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সে ভর্তি রয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক গোলাম গাউস, স্বেচ্ছাসেবকলীগের মনির গ্রুপের হাসান ও মোস্তফা কামাল মনা।

জানা গেছে, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সম্পাদক হোসেন শরীফ মনির ও উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম -সম্পাদক গোলাম গাউস এর মধ্যে বিরোধ চলছিল। শনিবার সকালে পূর্ব শক্রতার জেরে মনির গ্রুপের ছাত্রলীগনেতা নাহিয়ানকে মারধর করে গাউস গ্রুপের সদস্যরা।

এ ঘটনার জের ধরে স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা হোসেন শরীফ মনির থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে শনিবার দুপুরে বি -ব্লক রহিমাবাদ উত্তরপাড়া গ্রামে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক গোলাম গাউস ও তার সহযোগিদের ধরতে যায়। এক সময় পুলিশের কাছ থেকে মনির ও তার সহযোগিরা দূরে সরে গেলে এ সুযোগে গাউস গ্রুপের ছেলেরা স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা মনির ও আমিনুরের ওপর হামলা চালিয়ে তাদেরকে আহত করে। এ সময় গাউস গ্রুপের নাহিদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। বর্তমানে নাহিদ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা মনির ও আমিনুর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ওসি মো. আজিম উদ্দীন জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা দায়ের হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্যে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।


আরো সংবাদ