১৮ নভেম্বর ২০১৯

৬ষ্ঠ শ্রেণীর মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

নাটোরের বড়াইগ্রামে হালিমা খাতুন (১২) নামে এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাত ১২টার দিকে উপজেলার গাড়ফা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হালিমা গাড়ফা গ্রামের হাসান আলীর মেয়ে ও দিয়াড়গাড়ফা দাখিল মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। তাকে বাড়ির পাশের বিলের মধ্যে একটি ব্রিজে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বজনদের দাবী।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আন্তাদুল ইসলাম ও নিহতের স্বজনরা জানান, রোববার সন্ধ্যায় একই গ্রামের মুছা দেওয়ানের ছেলে লাদেন দেওয়ান হালিমাদের বাড়ির সামনে বসে ছিল। এক পর্যায়ে সে হালিমাকে কিছু কথা বলার জন্য ডেকে নেয়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরে রাত ১২টার দিকে লাদেন কয়েকজন প্রতিবেশিকে জানায় যে, হালিমা গলায় ফাঁস নিয়েছে। খবর পেয়ে স্বজনেরা বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি বটগাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় হালিমার লাশ দেখতে পান। পরে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে।

নিহতের পিতা হাসান আলী জানান, লাদেন আমার মেয়েকে কৌশলে ডেকে নিয়ে গিয়ে সাতইল বিলের নির্জন জায়গায় ব্রিজের উপর ধর্ষণ করেছে। সেখানে এমন কিছু আলামতও রয়েছে। পরে সে আমার মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এটিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়েছে।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য লাদেন দেওয়ানের বাড়িতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। রাতেই বাড়িঘরে তালা দিয়ে বাড়ির সবাই পালিয়েছে বলে প্রতিবেশিরা জানান।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিলীপ কুমার দাস জানান, উদ্ধারের সময় শিশুটির যৌনাঙ্গ রক্তাক্ত ছিলো। লাশটির ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলেই বিষয়টি হত্যা না আত্মহত্যা সেটা বোঝা যাবে। তার ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরো সংবাদ