১৯ আগস্ট ২০১৯

ধর্ষণের আসামী চেয়ারম্যান ঘোরেন প্রকাশ্যে, দেখেনা পুলিশ

অপহরণ ও গণধর্ষণ মামলার একজন আসামী পুলিশের হাতে ধৃত হলেও অপর দুজন আসামী এখনও ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছে। এর মধ্যে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার রনচন্ডী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোকলেছুর রহমান বিমান সর্দপে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে দেখেও দেখছে না বলে মামলার ভিকটিমের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, মামলার বাদী মমিদুল ইসলাম চাইনিজ কিশোরগঞ্জ উপজেলার পানিয়ালপুকুর মৌলভীরহাট গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু জীবিকার তাগিদে পরিবারকে নিয়ে তিনি বর্তমানে সৈয়দপুর শহরের কাজীপাড়ায় বসবাস করেন। তিনি পেশায় একজন হোটেল কর্মচারী।

ওই হোটেল কর্মচারীর বিবাহিত মেয়ে ও এক সন্তানের জননী মোসলেমা চাঁদনীর কথিত পরকিয়া প্রেমিক সৈয়দপুর কামাড় পুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ অসুরখাই গ্রামের গিয়াস উদ্দিন মাস্টারের পুত্র রওশন হাবিব ওরফে বাবু (২৬) বিয়ে করার প্রলোভন দিয়ে গত ৯ জুলাই তাকে অপহরণ করে রংপুর মহানগরীর খলিফাটারীর একটি বাড়ীতে আটকে রাখে।

তিনদিন ধরে বাবুসহ কিশোরগঞ্জ উপজেলার ঢাকা হোটেলের মালিক মিজানুর রহমান এবং রনচন্ডী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোকলেছুর রহমান বিমান পালাক্রমে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। মোসলেমার পিতা মেয়েকে খোঁজাখুজি করে না পেয়ে ওই দিন রাতে সৈয়দুপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। যার ডায়েরি নং-৫০২। পরে সৈয়দপুর থানা পুলিশ গত ১১ জুলাই রংপুরের ওই বাড়ী থেকে অপহৃতাকে উদ্ধার করে।

এসময় ঢাকা হোটেলের মালিক মিজানুর রহমান কে আটক করে পুলিশ। পরে ভিকটিমের পিতা মমিনুল ইসলাম বাদি হয়ে, থানায় তিন জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা বাদি অভিযোগ করেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একজনকে হাতে নাতে আটক করলেও অপর আসামীরা এখনও ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছে। রনচন্ডী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান বিমান সদর্পে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে ধরছে না।

সৈয়দপুর থানার ওসি শাহজাহান পাশা বলেন, আটককৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে অন্যান্য আসামীদেরও গ্রেফতার করা হবে।


আরো সংবাদ