১৯ আগস্ট ২০১৯

অসামাজিক কার্যকলাপের সময় হাতেনাতে ধরা পড়ল ৩ জন

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অসামাজিক কাজের সময় হাতে নাতে আটক নারী-পুরুষসহ বাড়িওয়ালাকে জরিমানা ও অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। শনিবার সকাল ১১টায় এ ঘটনা ঘটেছে শহরের নয়াটোলা এলাকায়।

এতে দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন, দেহ ব্যবসায়ী লাবনী আক্তার (২৫), খদ্দের সোহেল (২৯) ও ভাড়াটিয়া রাবেয়া বেগম (৩৫)। লাবনী আক্তার নীলফামারী সদরের পুরাতন গরুহাটির সরকারপাড়ার আসাদুল ইসলাম এর স্ত্রী, সোহেল নীলফামারী সদরের সংগলশী দিঘলডাঙ্গী গ্রামের খয়রাত হোসেনের ছেলে এবং রাবেয়া বেগম সৈয়দপুর উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর দোলাপাড়ার আব্দুল হামিদের মেয়ে।

এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘ দিন থেকে নয়াটোলা মহল্লার অক্সফোর্ড স্কুল সংলগ্ন মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর বাসা ভাড়া নিয়ে রাবেয়া বেগম দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানানো হলেও তিনি কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় এলাকাবাসী হাতে নাতে আটকের চেষ্টায় থাকে। এমতাবস্থায় ঘটনার দিন এলাকাবাসী অপরিচিত এক মেয়ে ও এক ছেলেকে ওই বাসায় আসতে দেখে ওৎ পেতে থাকে এবং তাদের অসামাজিক কাজ করার সময় হাতে নাতে আটক করে।

পরে এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাবনী আক্তার ও সোহেল এর অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাবনী, সোহেল ও রাবেয়া বিষয়টি স্বীকার করলে তাদের আটক করে।

পরে তাদের উপজেলা ভূমি অফিসে এনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচার করা হয়। এতে সোহেলকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং লাবনী আক্তার ও বাড়িওয়ালা রাবেয়া বেগমকে ১০ হাজার জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল ইসলাম জানান, ঘটনার সাথে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।


আরো সংবাদ