২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

‘গ্যালাক্সি ফোল্ড’ : নতুন বছরের চমক

‘গ্যালাক্সি ফোল্ড’ : নতুন বছরের চমক - ছবি : সংগৃহীত

২০১৯ সাল শুরু হতে পারে স্যামসাংয়ের জন্য স্মরণীয় বছর হিসেবে। বছরের শুরুতেই প্রতিষ্ঠানটি স্মার্টফোনের নতুন কিছু মডেল বাজারে ছাড়তে পারে। এর মধ্যে গ্যালাক্সি এস১০ নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে গুঞ্জন চললেও স্যামসাংয়ের জন্য সম্ভবত আগামী বছরের আলোচিত পণ্য হবে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন। স্যামসাংয়ের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন মডেলটির নাম হতে পারে ‘গ্যালাক্সি ফোল্ড’ বা ‘গ্যালাক্সি এফ’। এখন পর্যন্ত এ ডিভাইস সম্পর্কে খুব কম তথ্যই প্রকাশ করেছে স্যামসাং। যদিও এর সম্ভাব্য ফিচার নিয়ে বাজারে গুজবের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়।

ফোল্ডেবল স্মার্টফোনটির কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা ফাঁস করে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোরিয়াভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান লেটস গো ডিজিটাল। প্রতিবেদন বলছে, গ্যালাক্সি এফ স্মার্টফোনে যুক্ত থাকছে ছয় হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশালায়তনের এক ব্যাটারি। এত বড় আকারের ব্যাটারি সাধারণত ট্যাবলেটেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে বিষয়টি নিয়ে আশ্চর্যান্বিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ গ্যালাক্সি ফোল্ডের অন্যতম প্রতিশ্রুতি হচ্ছে ব্যবহারকারীকে একই সাথে স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা দেয়া।

ছয় হাজার মিলি অ্যাম্পিয়ারের এ ব্যাটারিটিকেও ফোনের মতোই ভাঁজ করা যাবে। এ বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত করার উদ্দেশ্য হলো, যাতে করে ফোন ভাঁজ করার সময় তা কোনো ধরনের বাধার সৃষ্টি না করে। আট গিগাবাইট র‌্যামযুক্ত ফোনটির ইন্টারনাল স্টোরেজ হবে ১২৮ গিগাবাইট। এতে এক্সিনোস ৯২৮০ অথবা স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫ চিপসেট সংযুক্ত করা হতে পারে। এতে থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ৯ পাইভিত্তিক ওয়ানইউআই ইন্টারফেস, যা আনফোল্ড করার পর ফোনটিতে একসাথে একাধিক কাজ করার সুবিধা দেবে। গ্যালাক্সি ফোল্ডে ১২ মেগাপিক্সেল সেন্সরযুক্ত ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা পাশাপাশি থাকবে আট মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা।

স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি ফোল্ড মডেলের স্মার্টফোনটির দামকে রীতিমতো আকাশচুম্বীই বলা চলে। ধারণা করা হচ্ছে, এর দাম রাখা হতে পারে বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় দেড় লাখ টাকা।
এই ডিভাইসটি ঠিক কবে নাগাদ বাজারে আসবে, সে প্রসঙ্গে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। তবে ডিভাইসটি মার্চ বা এপ্রিলের মধ্যেই বাজারে ছেড়ে দিতে পারে স্যামসাং। স্যামসাং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে বাজারে গ্যালাক্সি ফোল্ডের ১০ লাখ ইউনিট ছাড়া হবে।


আরো সংবাদ