২২ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯

প্রি য় জ ন প ঙ ক্তি মা লা

-

সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী
বৃষ্টির দিন

টুপ টাপ ঝরে পড়ে বৃষ্টি
হাওয়ায় দুলে কী যে
ছাতা নেয় উড়িয়ে যে আহা
শরীরটা জলে ভিজে।
কম লোকজন রাস্তাটা যে
নিরিবিলি আর ফাঁকা
গাড়ি হাঁকে কড়া হর্র দিয়ে
দু’চোখে স্বপ্ন আঁকা।
চোখে ভাসে প্রিয় দেশ আমার
বৃষ্টির দিন আসে
মাছ মারার ছোটবেলার সুখে
মন মিষ্টি হাসে।
সাথীদের নিয়ে বৃষ্টিভেজা
কত রঙের খেলা
সৃষ্টির দিন আনন্দে কাটে
কত সুখের বেলা।
সিলেট


অলি উল্লাহ
নতুন প্রভাত

মায়ের উদর জ্বলছে ক্ষুধায়
ঝরছে চোখের জল,
বোনের গায়ে নখের আঁচড়
শিকল পরা ছল!
বদ্ধ ঘরে স্তব্ধ হয়ে
নীরব কেন আজ,
মাথা নত করাই হলো
কাপুরুষের কাজ।
বীরের জাতি চলছে ধীরে
বাড়ছে হাহাকার,
লুটের তরী ভিড়ছে তীরে
সামনে অন্ধকার!
মরণ ছোবল দিচ্ছে হানা
হরিলুটের রেশ,
গগন পানে দুঃখের পবন
আজব বাংলাদেশ।
ভিন্ন মগজ ছিন্ন করে
হাতে ধরো হাত,
স্বর্গ সুখের জন্মভূমি
নতুন সুপ্রভাত।
সিলেট


মুহাম্মদ মিজানুর রহমান
প্রেমের সৃষ্টি

বৃষ্টিভেজা এলো চুলের একাকী সন্ধ্যা
চঞ্চলা মন আমার;
ভেতরের ক্ষুধা বাড়ায় দ্বিগুণ
অপলক চোখে দেখে,
তোমার শাড়ি আর কেশের টিপ টিপ
ঝরে পড়া বৃষ্টির ফোঁটা,
উসখুস করে বেহায়া মন
ভেজা শরীরের আর্দ্র ছোঁয়া পেতে;
খোঁজে অজুহাত
বৃষ্টিতে হাতে রেখে হাত-
ভিজব বলে বেড়ে চলে রাত।
প্রেমের সৃষ্টি আজ থেকেই
শ্রাবণের বারিধারা হোক সাক্ষী।
প্রিয়জন- ১৭২০

 

কবির কাঞ্চন
মানুষ হও

মানবমনে মানবতা
নাইবা যদি থাকে
মানবসুরত ধরলে ভবে
মানব কয় না তাকে।
হায়েনাকে হার মানিয়ে
পশু হতে পারে
মানুষ আবার কেমন করে
মানুষেরে মারে।
যে মানুষকে মারলে তুমি
সে তো মরে গেল
ফেরারি জীবনের পথটা
তোমার সঙ্গ পেল।
ধুঁকে ধুঁকে মরবে তুমি
পশুর মতো করে
স্বজনেরাও মুখ ফেরাবে
তোমার মৃত্যুর পরে।
মানুষ তুমি মানুষ হও
একজীবনের মাঝে
বিশ্বকে জয় করে নাও
তোমার সকল কাজে।
হাতিয়া, নোয়াখালী

 


কৌশিক সূত্রধর
খুঁজছি অবিরত

পারবে কী দিতে খুঁজে,
যাকে খুঁজছি অবিরত?
চাই না কোনো নক্ষত্র, অমূল্য রতন,
থাকব না বিভোর গগন পানে চেয়ে,
শুধু তাকে দাও যদি খুঁজে আমায়।
বাংলার শিশির ভেজা সবুজ ঘাসের ডগায়
রৌদ্রে তপ্ত শ্যামল বৃক্ষের ছায়া কিংবা
মেঘপুঞ্জের সিক্ত ভেলায়
বৃষ্টি ভেজা আদ্র সকাল, ক্লান্ত দুপুর কিংবা
মায়াভরা পড়ন্ত বিকেলে তুমি তাকে পাবে
দেখে নিও, যাকে খুঁজছি অবিরত।
মানিকগঞ্জ


আরো সংবাদ