১৫ নভেম্বর ২০১৯

সাকিবের পঞ্চম শিরোপা

-

ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ টি-২০তে পঞ্চমবারের মতো শিরোপা উঁচিয়ে ধরলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রাণ সাকিব আল হাসান। সিপিএলের সপ্তম আসরের ফাইনালে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সকে ২৭ রানে হারিয়ে সাকিবের বার্বাডোজ জিতল দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা। আর সাকিবেরও ক্যারিবীয় দ্বীপে দ্বিতীয় শিরোপা।
সাকিব এবারের আসরে খেলেছেন ছয় ম্যাচ। প্রথম তিন ম্যাচে শিকার করেন চার উইকেট। শেষ তিন ম্যাচে উইকেট পাননি। আর ব্যাট হাতে ছয় ম্যাচে করেছেন ১১২ রান। এর আগে ২০১৬ সালে সিপিএলে জ্যামাইকা তালাওয়াশের হয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জিতেছিলেন সাকিব। কাকতালীয় ব্যাপার, সেবারও গায়ানা ওয়ারিয়র্সকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিলেন সাকিব।
এ ছাড়া আইপিএলে দুইবার ও বিপিএলে একবার শিরোপা জেতেন টাইগার অধিনায়ক। আইপিএলে ২০১২ ও ২০১৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ও বিপিএলে ২০১৬ সালে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে শিরোপা জেতেন তিনি। উপমহাদেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে তিন কিংসকে হারিয়েছে সাকিব আল হাসানের দল। ২০১২ সালে আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসকে হারায় কলকাতা, ২০১৪ সালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে হারায় সাকিবের দল, ২০১৬ সালে রাজশাহী কিংসকে হারায় সাকিবের ঢাকা ডায়নামাইটস।
২০১২ সালে সাকিব কেকেআরের হয়ে আট ম্যাচে ১৫ দশমিক ১৬ গড়ে ৯১ রান ও ছয় দশমিক পাঁচ ইকোনমিতে ১২ উইকেট শিকার করেন। ২০১৪ সালে পাঁচ ম্যাচ বেশি খেলেন এবং আরো বেশি উজ্জ্বল ছিলেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। সেবার ১৩ ম্যাচে ৩২ দশমিক ৪২ গড়ে ২২৭ রান করেন সাকিব। আর বল হাতে ১১ উইকেট শিকার করেন ছয় দশমিক ৬৮ ইকোনমিতে। ২০১৬ সালের বিপিএলে ১৪ ম্যাচে ২২৬ রান করেন ২০ দশমিক ৫৪ গড়ে। ছয় দশমিক ৪৩ ইকোনমিতে ১৩ উইকেট নেন বাঁহাতি স্পিনার। সিপিএলে ২০১৬ সালে জ্যামাইকা তালাওয়াশের হয়ে ১৩ ম্যাচে ২২ দশমিক ৮৫ গড়ে ১৬০ রান করেন সাকিব। পাশাপাশি স্পিন ঘূর্ণিতে ছয় দশমিক ৯৪ ইকোনমিতে ১২ উইকেট শিকার করেন তিনি। শিরোপা জয়ী পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে সাকিবের অবদান ৮১৬ রান ও ৫২ উইকেট।

 


আরো সংবাদ

সকল