২১ নভেম্বর ২০১৯

ইমরুলের ডাবল

-

ইমরুল কায়েস পেয়েছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। জাতীয় লিগে প্রথম। কিন্তু ডাবল সেঞ্চুরির অর্ধেক কৃতিত্ব রুবেলের। খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে মাটি কামড়ে রুবেল যদি ক্রিজে না থাকতেন, তাহলে ডাবল ছোঁয়া হতো না ইমরুলের। আব্দুর রাজ্জাক যখন সোহরাওয়ার্দী শুভর বলে আউট হলেন, তখন খুলনার রান ৮ উইকেটে ৩২৮।
নবম উইকেটে ইমরুল ও রুবেলের জুটিতে খুলনা পেল ৮৪ রান। এতে রুবেলের অবদান মাত্র ২ রান, বাকিটা ইমরুলের। ১০০ মিনিট ক্রিজে থেকে ৪৪ বল খেলে ইমরুলকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন।
রুবেলের পর আল-আমিনও দাবি মিটিয়েছেন। মাত্র ৩ বল খেলেছেন, কিন্তু ক্রিজে ছিলেন ২৬ মিনিট। ওই সময়টায় ইমরুল আগ্রাসী ব্যাটিং করেছেন। ১৯০ থেকে ডাবলে পৌঁছতে ইমরুল খেলেন মাত্র দুই বল। শুভর বলে ছক্কার পর চার হাঁকিয়ে ডাবলের স্বাদ পান এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ওয়ালটন ২১তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডের প্রথম তিন দিনে ছিল না কোনো সেঞ্চুরি। ইমরুলের ব্যাট থেকেই খুলল সেঞ্চুরির খাতা।
এর আগে ২০১৩-১৪ মওসুমে মিরপুরে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) প্রাইম ব্যাংকের হয়ে বিসিবি নর্থের বিপক্ষে ২০৪ রান করেছিলেন ইমরুল। গতকাল তার ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ২০২ রান। ২৯ রানে দিন শুরু করা ইমরুল গতকাল করেন ১৭৩ রান। ২০২ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৩১৯ বলে ১৯ চার ও ৬ ছক্কায়।
খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ৩ উইকেটে ১৯২ রান নিয়ে গতকাল শেষ দিন শুরু করা খুলনা ৯ উইকেটে ৪৫৪ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুর ১ উইকেটে ৩৩ রান তোলার পর নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগে ড্র মেনে নেন দুই অধিনায়ক।
আগামী বৃহস্পতিবার একই মাঠে নিজেদের পরের ম্যাচে মুখোমুখি হবে প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ ছয়বার করে শিরোপা জেতা খুলনা ও রাজশাহী। একই দিনে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রংপুর মুখোমুখি হবে ঢাকার।


আরো সংবাদ