১২ ডিসেম্বর ২০১৮

নির্বাচনকালীন সরকারের অনিবার্যতা

নির্বাচনকালীন সরকারের অনিবার্যতা - ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতির বাস্তবতায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছিল একটি অনিবার্যতা। ১৯৭৩ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ১০টি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক অথবা অনুরূপ সরকারব্যবস্থার অধীনে যে চারটি নির্বাচন পরিচালিত হয়েছে, সেগুলোই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হয়েছে। অন্য ছয়টি নির্বাচন বিদ্যমান সরকারের অধীনে সম্পন্ন হয়েছে। এসব নির্বাচনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই কারচুপির অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। ১৯৭৩ সালে প্রথম যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তা কারচুপির নির্বাচন বলে স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা পেতে ব্যর্থ হয়। ১৯৭৫ পরবর্তী ১৯৭৯ সালের সংসদীয় নির্বাচনে বহু মতের প্রতিনিধিত্ব প্রতিফলিত হওয়া সত্ত্বেও বিরোধী দলের অভিযোগ অব্যাহত থাকে। ১৯৮৬ সালে ও ১৯৮৮ সালে এরশাদীয় নির্বাচন সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটে।

এরশাদ সরকারের পতনের পর বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের অধীনে অনানুষ্ঠানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এটি দেশের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলে গৃহীত হয়ে আসছে। এ নির্বাচনে সরকারের কোনো পক্ষ ছিল না। তাই দু’দলের প্রতি সেই সরকার সমান আচরণ করে। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে গৃহীত এ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। পরে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে সরকার গঠন করে। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এ নির্বাচনে ‘সূক্ষ্ম কারচুপি’ আবিষ্কার করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব। সংসদীয় রাজনীতির নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী নির্বাচন ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনেই হওয়ার কথা; কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতির গতানুগতিক সন্দেহ, অবিশ্বাস ও কারচুপি প্রবণতার কারণে রাজনৈতিক দলগুলো পরবর্তী নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবি তোলে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারণার সূচনা করে জামায়াতে ইসলামী। আওয়ামী লীগ এ আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করে। জ্বালাও-পোড়াও ও মাত্র ১৭৩ দিন হরতাল অবশেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিএনপি নেত্রী তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সঙ্ঘাত এড়ানোর জন্য একটি নিয়ম রক্ষার জাতীয় সংসদ গঠন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা শাসনতন্ত্রে সংযোজন করে। বেগম খালেদা জিয়া পদত্যাগ করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করেন। ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের আনুষ্ঠানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গৃহীত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে। পরবর্তী ২০০১ সালে দ্বিতীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিএনপি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে। লক্ষণীয়, ১৯৯০ এবং সময়ান্তরে ২০০১ সালের যে দু’টি নির্বাচনে ক্ষমতায় ফিরে আসে বিএনপি, সে দু’টি নির্বাচনই ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। ২০০৬ সালের অনুষ্ঠিতব্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে বিএনপি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দেয়।

এই সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করার জন্য ঘরে-বাইরে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। বিরোধী আওয়ামী জোট রাজপথে লগি-বৈঠার তাণ্ডব সৃষ্টি করে সামরিক হস্তক্ষেপের পথ সুগম করে। সরকারের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা বিদেশী এজেন্ট ও স্বদেশী মীর জাফররা প্রকারান্তরে একে অপরের স্বার্থে কাজ করে। বিদেশী তাঁবেদার গোষ্ঠী ২০০৮ সালের নীলনকশার নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে। ২০১৪ সালের সম্ভাব্য জাতীয় নির্বাচনের সাংবিধানিক সময় ঘনিয়ে এলে শাসকগোষ্ঠী প্রমাদ গোনে। ইতঃপূর্বের উদাহরণ অনুযায়ী নির্বাচনটি যদি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় তাহলে বিএনপি অনিবার্যভাবেই ক্ষমতায় ফিরে আসবে। তত দিনে আওয়ামী দুঃশাসনে অতিষ্ঠ জনগণ বিএনপির প্রতি তাদের মনস্তাত্ত্বিক ও পারিপার্শ্বিক সমর্থন স্পষ্ট করেছে। বিশেষ করে ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত পাঁচ পাঁচটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় আওয়ামী লীগের ক্ষমতার ভিতকে নড়বড়ে করে তোলে। আওয়ামী নেতৃত্ব বুঝতে পারে যে, জনগণের ভোট হলে তাদের ভরাডুবি অনিবার্য। তাই নতুন ফন্দি ফিকির শুরু করে। যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায় আরোহণ এবং যে ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য ছিল তাদের ধ্বংসাত্মক আন্দোলন সে ব্যবস্থা বাতিল করে তারা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব এবং নির্লজ্জ ক্ষমতালিপ্সার প্রমাণ রাখে।

সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে তারা এমন সব কার্যব্যবস্থা গ্রহণ করে, যা করার অধিকার ও এখতিয়ার জনগণ তাদের দেয়নি। সংবিধানের যেকোনো মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের জন্য গণভোট প্রয়োজন ছিল; কিন্তু তা না করে তারা ১. তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপ সাধন করে। ২. সংসদ বজায় রেখে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের এক আজব সংশোধনী গ্রহণ করে। ৩. সংবিধানের প্রাধান্যের নামে মৌলিক নাগরিক অধিকার খর্ব করে। ৪. জাতীয় নেতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের নামে বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। এসব সংশোধনী অন্যান্য অধ্যাদেশ ও কার্যাবলির মাধ্যমে তারা প্রকারান্তরে বাংলাদেশকে একটি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করে। ২০১৪ সালের নির্বাচন সমাগত হলে তত্ত্ব ও বাস্তবে বিরোধী শক্তিকে নির্মূলে যাবতীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করে। এ সময় তারা হামলা-মামলা, গুম, খুন, নিপীড়ন-নির্যাতন করে বাংলাদেশকে এক বৃহৎ কারাগারে পরিণত করে। জঙ্গিত্ব আরোপ করে বিরোধী নির্বাচন প্রার্থী ও হাজার হাজার কর্মী-সমর্থককে জেলে নিক্ষেপ করে। ছলে-বলে-কলে প্রতারণার মাধ্যমে তারা এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এসব কিছু করে পার না পাওয়ায় তারা বৃহৎ প্রতিবেশীর কূটকৌশল গ্রহণ করে। জনগণের চোখের সামনেই এরশাদীয় নাটক মঞ্চস্থ হয়। একসময় ক্ষমতাসীন নেত্রী ম্যাকিয়াভেলিয়ান চাতুর্য প্রদর্শন করেন। নিরপেক্ষতার গোড়া কেটে ডগায় পানি ঢালার মতো তিনি বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচনকালীন সরকারের সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পাঁচটি মন্ত্রী পদ দেয়ার প্রস্তাব করেন। এ যেন জাহাজের কাণ্ডারির দায়িত্ব নিজে রেখে অপরকে কর্মচারীর বিশাল ক্ষমতা প্রদান। অবশেষে ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১৫৪ জন সংসদ সদস্যের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে নির্বাচনকে তারা তামাশায় পরিণত করেন। এখন যখন নির্বাচনের মহড়া শুরু হয়েছে তখন তিনি সেই রাজনৈতিক চাতুর্য প্রদর্শন শুরু করেছেন। কখনো বলছেন, নির্বাচনকালীন সরকারের কথা। আবার কখনো নগ্ন শক্তি প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করছেন।

আমাদের সময়ের শিশুতোষ আদর্শলিপি নীতিকথায় ঠাসা ছিল। যেমন, ক-কটুবাক্য কহা অনুচিত। খ-খলের বাক্য অবিশ্বাস্য। এগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষের অভিজ্ঞতার ফসল। নাটকে খলনায়ককে কেউ পছন্দ করে না। কারণ ছলনাই তার বৈশিষ্ট্য। একটি সমাজে বা একটি লোকালয়ে একজন মানুষ যখন তার কার্যকলাপের মাধ্যমে অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয় তখন এটা অবশ্যই দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু সমাজের মঙ্গলের জন্য তিনি অবশ্যই পরিত্যাজ্য। নাগরিক সাধারণের মনে থাকার কথা ২০১৪ সালের ৫ মের নির্বাচন শুধুই একটি নিয়মরক্ষার নির্বাচন, এ কথা তারা বলেছিল। এমনকি তারা বৃহৎ শক্তিগুলোকে এই মর্মে নিশ্চিত করেছিল। তাদের অনুরোধে বিএনপি আন্দোলন প্রত্যাহার করেছিল। বেগম জিয়া ভেবেছিলেন, তিনি যেমন ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ নিয়মরক্ষার নির্বাচন করেছিলেন, তেমনি সময়ান্তরে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়তো হবে। তিনি এবং তার দল ও বিদেশী কূটনীতিকেরা প্রতারিত হয়েছিলেন। প্রতারণার আনন্দে এখন তারা লম্ফঝম্ফ করছেন। প্রতারণার মাধ্যমে কূটকৌশলে তারা নির্বাচন কমিশনে যথার্থভাবে নিজেদের লোকজন বসিয়েছেন। এই সে দিন তারা কোটাব্যবস্থা বিলোপের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন। আন্দোলনকারীরা তাদের কথা বিশ্বাস করে আবেগ প্রকাশ করেছিল। এখন তারা সেই বিশ্বাসের মূল্য দিচ্ছেন মামলা-হামলা, গুম-খুন ও গুণ্ডামির মোকাবেলা করে। গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রবাদ আছে, দইয়ের বদলে চুন খেয়ে যে প্রতারিত হয় তার পক্ষে বিশ্বাস হারানো কঠিন নয়। সাম্প্রতিক গৃহীত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিশ্বাসভঙ্গের কারণ ঘটেছে জনগণের। নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, নির্বাচনের বছরে তারা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিয়ে জনগণের আস্থা অতিক্রম করবে। সেখানেও তারা প্রতারণার শিকার হলো। সুতরাং এই সরকার তথা নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য হওয়ার কথা নয়। আগামী জাতীয় নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিতভাবেই তারা হারিয়ে ফেলেছেন। তবে ক্ষমতাসীন সরকারের ১০০% বিশ্বাসযোগ্যতা তারা অর্জন করেছে।

ক্ষমতাসীন সরকার ২০১৪ সালের কায়দায় নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর। কোনো সমঝোতা বা সংলাপে না যাওয়ার আওয়ামী দৃঢ়তা প্রমাণ করে তারা একটি প্রকৌশল নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে। তাদের কথাবার্তা, ঘোষণা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২১ সালে তো বটেই তারা কমপক্ষে ২০৪১ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকায় নীলনকশা এঁটে ফেলেছেন। তাদের কর্মীসাধারণ বলে বেড়াচ্ছেন জনগণ ভোট না দিলেও কী করে ক্ষমতায় থাকতে হয় তা তারা ষোলোআনাই রপ্ত করেছেন। সুতরাং জনগণের কাছে তোয়াক্কা না করার শক্তি প্রয়োগ কৌশল তাদের জানা আছে। গত কয়েক বছর ধরে ইউনিয়ন কাউন্সিল ও অন্যান্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠান তারা জবরদখল করেছেন। টাউট বাটপাড় ছাড়া সেখানে ভালো মানুষের কোনো স্থান নেই। ভবিষ্যতে এই কাঠামোতে পরিবর্তনের কোনো আশা নেই। সুতরাং নির্বাচন থেকে অর্থবহ কিছু পেতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। আমূল পরিবর্তন আনতে হলে সরকার কাঠামো বদলানোর প্রয়োজন। তাহলে উপস্থাপিত প্রপঞ্চ এ রকম : ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনে অসম্ভব। এক কথায় গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার অথবা নির্বাচনকালীন সরকার অপরিহার্য।

বিগত ১০ বছরে ক্ষমতাসীন সরকারের কার্যকলাপ পর্যালোচনান্তে এটা প্রমাণ হয়েছে যে, সরকারের কোনো অঙ্গই এখন আর প্রাতিষ্ঠানিক অবয়বে নেই। জাতীয় সংসদ এখন আর কার্যকর নয়। হাস্যকর পরিস্থিতি উদ্ভব হয়েছে সেখানে। আমলাতন্ত্র শাসকগোষ্ঠীর এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিতাড়নের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা হাতের মুঠোয় নিয়ে নেয়া হয়েছে। রাষ্ট্র ও সরকারের এমন কোনো প্রতিষ্ঠান বা অঙ্গ এখন আর অক্ষত নেই। বরং এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকার তার ক্ষমতা চিরস্থায়ীকরণের বাহন হিসেবে ব্যবহার করছে। নাগরিক সাধারণের মৌলিক অধিকার বা রাজনৈতিক স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হয়েছে। এর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ প্রধান বিরোধী নেত্রী কারাগারে অন্তরীণ রয়েছেন। দেশের সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝে নিয়েছে যে, বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচনের আগেই হয়তো মুক্তি দেয়া হবে না। আর মুক্তি দেয়া না হলে বিএনপির পক্ষে নির্বাচনী যুদ্ধ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। সেনাপতিকে আটকে দিয়ে আওয়ামী লীগ বিনা যুদ্ধে জয় লাভ করতে চায়। সরকারি দল বিএনপিকে বিভক্ত করে জাতিকে প্রতারিত করতে চায়। বিএনপির একটি অংশ সুবিধাজনক ব্যাসার্ধ নিতে চায়- এ অভিযোগ এ পর্যন্ত মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মাধ্যমেই বিজয় বা গণবিপ্লব সম্ভব। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নির্বাচন এই মুহূর্তে একটি এজেন্ডা বটে, তবে তা নির্ভর করে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা নির্বাচনকালীন সরকার অর্জনের মধ্য দিয়ে। কোনো দেশী-বিদেশী আশ্বাসে বিশ্বাস করা যাবে না। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির লক্ষ্যেই জাতীয়তাবাদী তথা গণতান্ত্রিক শক্তির সব সময়, শ্রম ও সাধনা বিনিয়োজিত।

লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

 


আরো সংবাদ

ধানের শীষ প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু সাঈদের গণসংযোগ চার পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিলের দাবি আওয়ামী লীগের হামলা ও গ্রেফতারে ছাত্রশিবিরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ নয়া পল্টনের সহিংসতা অব্যাহত রেখেছে বিএনপি : কাদের তাড়াশে বিএনপির সভায় হামলা যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের আহবান জামায়াতের আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার হয়ে রিকশাচালককে মারধোরকারী নারী যা বললেন আওয়ামী লীগ বিএনপির পথসভায় ১৪৪ ধারা জারি আস্থা ভোটের মুখোমুখি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হামলা ও প্রচারণায় বাধা প্রদানের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন বিএনপি নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে : হানিফ

সকল