১৯ মে ২০১৯

সুশাসনের সন্ধানে

সুশাসনের সন্ধানে - ছবি : সংগ্রহ

বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে নানা অব্যবস্থা বিশৃঙ্খলা এখন লক্ষ করা যাচ্ছে, তাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা তো দূরের কথা দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনকারী কর্তাদের মুষ্টি শিথিলতর হয়ে পড়ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। দেশে স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে না। নাগরিক জীবনে শান্তি স্বস্তি হারিয়ে গেছে। গণপরিবহনের চালকদের বেপরোয়া যান চালনার ফলে প্রতিদিন সড়কে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা, তাতে জীবন সংহার হচ্ছে। পথে চলাচল করা এখন ভয়ঙ্কর বিপজ্জনক। এসবের কোনো প্রতিকার নেই। সড়কের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হচ্ছে।

এখন হররোজ সংবাদমাধ্যমে খবর আসছে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুর ওপর চলছে অকথ্য যৌন নির্যাতন। এই নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে মানুষ শিউরে উঠছে। দুর্নীতি আর অনিয়ম এখন যেন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। জীবন নির্বাহের ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর দিন যাপন দুঃসহ হয়ে উঠেছে। সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোনো শৃঙ্খলা ফেরানো যাচ্ছে না। সরকারের কর্তাব্যক্তিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি নাজুক বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। বিচারালয় থেকে শোনা যাচ্ছে বিচারকদের স্বল্পতার কারণে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পেতে দীর্ঘ সময় যাচ্ছে। এমন কালক্ষেপণ আসলে বিচার না পাওয়ারই নামান্তর। এসব সমস্যা দূর করতে নির্বাহীদের যে অক্ষমতা সে কারণে জনজীবনে দুঃসহ যন্ত্রণার সৃষ্টি হচ্ছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে নির্বাহীদের কাছ থেকে জবাবদিহি করবে যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান তথা জাতীয় সংসদ; অথচ সেই সংসদ বলতে গেলে এখন চলতশক্তি হারিয়েছে। সমস্যার এই পাহাড় নিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র গতি পাবে কিভাবে। সে কারণে এটা ভাবনার বিষয়, হাল ভাঙা, ছেঁড়া পালে নিষ্ক্রিয় মাঝি মাল্লাদের নিয়ে রাষ্ট্রতরী কিভাবে গন্তব্যে পৌঁছবে।

বর্তমানে যে নির্বাহীরা ক্ষমতায় তারা পাঁচ বছর করে মেয়াদে দুই মেয়াদ পেরিয়ে এখন টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসীন। এই দীর্ঘ সময়ে ক্ষমতায় থেকে তারা এমন কোনো কার্যসিদ্ধি করতে সক্ষম হননি যাকে উদাহরণ হিসেবে পেশ করা যায়। অথচ তারা ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছেন এই বলে যে, এতে তারা দেশের জন্য ভালো কাজ করবেন। অথচ সার্বিক পর্যালোচনায় তাদের এই বক্তব্যের সারবত্তা প্রমাণ হয়নি। উপরে এখনকার সমস্যার কথা বলা হয়েছে তা বিরাজ করত না। বিশেষ করে ক্ষমতাসীনেরা যদি প্রশাসন কার্যক্রমে সংস্কার সাধন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারত। তবে আজ দেশে পরিস্থিতি এমনটি হতো না। ক্ষমতাসীনেরাও গতিশীল প্রশাসনিক ব্যবস্থার কথা বলেন বটে, কিন্তু তা তারা কতটা ‘মিন’ করেন। সেটা তাদের কার্যক্রম থেকে উপলব্ধি করা যায় না। এমন দ্বিচারিতা আসলে কোনো ফল আনতে পারে না।

সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য পূর্ণ করতে হলে এর যত ব্যাকরণ ব্যঞ্জনা রয়েছে সেটা অনুসরণ করতে হবে। প্রথমত, সৎ যোগ্য এবং প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিদের দিয়েই দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পূরণ হতে পারে। আর এমন ব্যক্তিদের সন্ধান মিলতে পারে প্রশ্নহীন এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে। সেসব যোগ্য ব্যক্তি যারা রাজনীতি করেন নিজের নয় দশের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। তাদের গভীর সংযোগ থাকে মাটি ও মানুষের সাথে। অথচ দেশ এখন এমন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্যে নেই। গত কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে যেসব মানুষ দিয়ে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার আশা করা যেত, কিন্তু সেসব ব্যক্তিকে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। নির্বাচনে ভোট প্রক্রিয়ায় মানুষের পক্ষে ভোট দেয়া সম্ভব হয়নি। তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা সেই নির্বাচনের মাধ্যমে করা সম্ভব হয়নি। এটা এক দুর্ভাগ্যের ব্যাপার। তবে এর আগেও নির্বাচনের হাল এমনটি ছিল, তা থেকে উঠে আসা আজো সম্ভব হয়নি।

কোনো রাষ্ট্রে সুশাসনের অস্তিত্ব রয়েছে কি না, তার প্রমাণ করে সেখানে জবাবদিহি করার রেওয়াজ রয়েছে কি না। কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা কার্যকর করার ক্ষেত্রে আলোচনা সমালোচনা কতটা গ্রহণ করা হয়। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রতিপক্ষের ভূমিকা রাখার সুযোগ কতটা রয়েছে। কেননা একক সিদ্ধান্তে কোনো কাজ পূর্ণাঙ্গ নাও হতে পারে। শক্তিশালী রাজনৈতিক জবাবদিহিতা উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতা করে। মানুষের উন্নয়নের সাথে রাজনৈতিক জবাবদিহিতা জড়িত, কারণ এটি গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজন। আর তা হচ্ছে সুশাসনের চাবিকাঠি। শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোই নয় বেসরকারি এবং সুশীল সমাজের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই জনগণ এবং তাদের স্টেকহোল্ডারদের কাছে জবাবদিহি হতে হবে। যদি রাজনৈতিক জবাবদিহিতা দুর্বল হয় তবে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উভয় উন্নয়নই প্রভাবিত হয়। দুর্নীতি কমানোর মাধ্যমে রাজনৈতিক জবাবদিহিতা অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হচ্ছে কার্যকরীকরণ, রাজনৈতিক জবাবদিহিতার প্রথম শর্ত হচ্ছে ‘অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন’। ‘অবাধ’ অর্থ প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা ব্যবহারের সমান সুযোগ। নিরপেক্ষ অর্থ নির্বাচনী আইনের প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা। একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর নির্বাচন হতে হবে এবং সেটি প্রশাসনের সহায়তায় নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। গণমাধ্যমগুলো জনগণ এবং সমর্থকদের মতামত তুলে ধরবে যেখানে সরকারের কোনো একচেটিয়া প্রভাব থাকবে না।

সুশাসনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন ন্যায়সঙ্গত কাঠামো এবং তার নিরপেক্ষ ব্যবহার। এ ছাড়া এর জন্য প্রয়োজন সব নাগরিকের মানবাধিকারের পূর্ণ নিশ্চয়তা। শুধু সুষ্ঠু প্রয়োগই নয় সে আইন হতে হবে সুসামঞ্জস্যপূর্ণ ও নিরপেক্ষ এবং সবার জন্য আইনের সমতা। প্রয়োগ হবে পক্ষপাতিত্বহীনভাবে। ব্যক্তি স্বাধীনতা, বাক ও মত প্রকাশ্যের স্বাধীনতা থাকতে হবে। বাংলাদেশে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সময় সব এর পেছনে সৎ উদ্দেশ্য কার্যকর থাকে না, প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সেই সমস্যা রয়েছে। যেমন রাজনৈতিক সংগঠন সৃষ্টি করা তা আইনানুযায়ী পরিচালিত হওয়ার অধিকার থাকলেও বাস্তবে তার অনুশীলনের নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। ক্ষমতাসীনেরা যেসব সুযোগ সুবিধা ভোগ করে থাকে কিন্তু তাদের প্রতিপক্ষের ক্ষেত্রে সেটা কার্যকর হতে পারছে না।

সুশাসন প্রতিষ্ঠার আরেকটি অপরিহার্য শর্ত আইনের শাসন। কথায় কথায় আমাদের রাজনৈতিক নেতারা আইনের শাসনের ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন বটে কিন্তু বাস্তবে এর অনুশীলন যথাযথভাবে হয়ে থাকে না। আইনের শাসনের সরল অর্থ হচ্ছে দেশের সংবিধানসহ অন্যান্য যাবতীয় আইন সব ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাওয়া। সরকারি কাজে যাবতীয় নির্দেশাবলি দেয়ার ব্যাপারে আইনের যথাযথ অনুশীলন অবশ্যই পালন করতে হবে। যেসব বিধিবিধান আইনকানুন রয়েছে তার প্রতি শ্রদ্ধা ও অনুসরণ করা অপরিহার্য।

দেশের প্রধান নির্বাহীসহ সব পর্যায়ের নির্বাহীদের এসব আইন ও বিধি অমান্য করলে তার প্রতিবিধান হতে হবে। আর আইন ভঙ্গ করা ছাড়া কাউকে কোনো রূপ শাস্তি দেয়া যাবে না। আর কেউ আইন অমান্য করেছে কি না, তা আদালত কর্তৃক সাব্যস্ত হতে হবে। সামাজিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সবাই আইনের দৃষ্টিতে সমান।
ব্যক্তি অধিকার বিচারিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে। স্বৈরাচারী শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিপরীতে আইনের শাসন একটি বড় রক্ষাকবচ। তবে আইন হতে হবে স্বচ্ছ, মানুষের কাছে তা যেন সহজেই বোধগম্য হতে পারে। আর আইনের বিধান রাষ্ট্রে সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাবে। নির্বাহীদের ইচ্ছা অভিপ্রায়ে নয় রাষ্ট্র ও সমাজ চলবে আইন এবং শুধুমাত্র আইন দিয়ে। আইন প্রয়োগ করে অবশ্য নির্বাহীরা, তবে এই আইন প্রণয়ন কিন্তু তারা করে না। আইন প্রণয়ন করে আইন পরিষদ। এই পরিষদ জনগণ নির্বাচন করে থাকে। আর এই আইনানুযায়ী বিচার সম্পন্ন করে রাষ্ট্রের অপর অঙ্গ বিচার বিভাগ। এই শৃঙ্খলা যতটা সুচারুভাবে সম্পন্ন হবে রাষ্ট্রসমাজ ঠিক ততটা শৃঙ্খলভাবে চলবে। আইনের শাসন যেখানে যতখানি কার্যকর থাকবে, সেটা সেখানে সুশাসন ততখানি প্রতিষ্ঠিত হবে।
এখন দেখা যেতে পারে বাংলাদেশে আইনের শাসন কতটা কার্যকর। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান। এই সংবিধান একটি আদর্শ আইনগ্রন্থ। অতীতে এই সংবিধান কয়েক দফা বেআইনিভাবে ব্যবচ্ছেদ করাসহ স্থগিত করা হয়েছে। বিভিন্ন সময় অনেকবার শাসকবর্গ সংবিধানের প্রতি অবজ্ঞা অবহেলা প্রদর্শন করেছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাহীরা তাদের মর্জি মাফিক আইনের ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগ করেছে। বিশেষ করেছে নির্বাচনের বিষয়টি উল্লেখ করে বলা যায় সংবিধান নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য। কিন্তু কমিশন সেভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্রশ্নহীন নির্বাচন করতে সক্ষম হয়নি। কমিশন তার সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ না করায় যেটা হয়েছে তা হলো, জনগণের যে ভোট আইনগত অধিকার নিজেদের পছন্দ মতো যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেয়ার সেটা পূর্ণ হয়নি। আর এর ফলে যে সংসদ গঠিত হয়েছে, সেখানে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্বের কারণে শুধু ক্ষমতাসীনেরাই সংসদে যেতে পেরেছে। ফল হয়েছে, সংসদের যে ভূমিকা জবাবদিহি করার সেটা ব্যাহত হয়েছে, যা সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সে যাই হোক, বাংলাদেশে আইনের কোনো কমতি নেই। কিন্তু সে আইন প্রয়োগ হলেই কেবল তাতে জনগণের কল্যাণ হতে পারে। কিন্তু আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রশাসনের যত দুর্বলতা। বস্তুত আইন প্রণীত হয়ে থাকে মানুষের অধিকার বাস্তবায়ন ও কল্যাণের জন্য। আইন প্রয়োগের যে দুর্বলের কথা উল্লেখ করা হলো তা সামান্য কোনো ত্রুটি নয় বরং দেশের মালিক জনগণের সাথে প্রতারণা।

সংসদ যেমন সরকারের জবাবদিহি নেবে, তেমনি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম কাজ করবে সমাজের ত্রুটি-বিচ্যুতগুলো তুলে ধরার ক্ষেত্রে। যাতে প্রশাসন দেশের এসব ব্যত্যয়ের প্রতিবিধান করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখতে পারে। রাষ্ট্রীয় সংবিধান সংবাদমাধ্যমকে এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। কিন্তু সরকার তার সমালোচনায় ভীত। তাই এই স্বাধীনতা ভোগ করতে দেয়া হয় না। আইনের প্রতি এমন বাধার কারণে মূলত দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। সুশাসনের একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সরকার সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের খবরাখবর তাদের অভাব অভিযোগ সম্পর্কে অবহিত থাকবে। এই অভিহিত থাকার একটা মাধ্যম হচ্ছে সংবাদমাধ্যম। এই ব্যবস্থা যদি সঠিকভাবে চলতে না পারে, তবে অবহিত থাকার মুখ্য উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় যারা নিয়োজিত থাকবেন, তাদের কার্যকর ভূমিকা এবং দক্ষতা অপরিহার্য। প্রশাসনিক ব্যবস্থায় কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ব্যাপারে সঠিক হওয়ার সাথে সাথে তা বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ কাঙ্ক্ষিত নয়। যদি তা না হয় তবে সিদ্ধান্তের উপযোগিতা নাও থাকতে পারে।

সুশাসন প্রতিষ্ঠিত থাকার অর্থ হচ্ছে প্রশাসন অংশগ্রহণমূলক। বাংলাদেশে এখন সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। আর সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল চেতনা হচ্ছে সরকার ও বিরোধী দলের সম্মিলিত উদ্যোগ। কিন্তু বাস্তবে তো এখন সংসদে কোনো বিরোধী দলই নেই। তাই উল্লিখিত উদ্যোগ তো কল্পনা করা যায় না। উপরে সুশাসনের যে বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে তার কোনোটি কার্যকর নয়। তাই এখন এই সত্যটি প্রতিনিয়ত উপলব্ধি করা হচ্ছে যে, দেশে সুশাসনের অস্তিত্ব নেই। তাই এর সুফল পাওয়ার আশা করাটা আসলেই দুরাশা।
[email protected]


আরো সংবাদ