১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চাঁদাবাজির দেশ

মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান - ছবি : সংগ্রহ

বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান একবার বলেছিলেন, এটা বাজিকরের দেশ। বাজিকর বলতে তিনি চাঁদাবাজ, দলবাজ, রংবাজ, ধান্ধাবাজ, চালবাজ ইত্যাদি, হরেক রকমের ‘বাজিকর’দের বুঝিয়েছেন। এটি একটি অপ্রিয় সত্য যে, মূলত আমরা চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রিত সমাজ ও রাষ্ট্রে বসবাস করছি। ঘর থেকে বাইরে পা ফেলার পর থেকেই আপনাকে বিভিন্ন রকমের চাঁদাবাজির মোকাবেলা করতে হয়। কোথাও যাবেন, নিজ গাড়িতে অথবা বাসে, পথে পথে আটকাবে পুলিশ। আরো আছে টোলের নামে সরকারি চাঁদাবাজি। চাকরি চাইবেন? ব্যক্তি ও দলকে ‘চাঁদা’ দিতে হবে। ব্যবসা করতে চান? সিন্ডিকেট আছে। চাঁদা দিতে হবে ওদের। ভালো স্কুলে সন্তানকে ভর্তি করাবেন? সেখানেও লিখিত-অলিখিত চাঁদাবাজি চলছে। খাবার কিনবেন বা খাবেন? সেখানেও ভ্যাট নামক আইনসিদ্ধ ‘চাঁদাবাজি’। হাসপাতালে রোগী ভর্তি করাবেন? আছে চাঁদাবাজির জন্য ‘দালাল’। এসব প্রশ্নের সমর্থনে টিভি চ্যানেলে এবং সংবাদপত্রে প্রতিদিন প্রতিবেদন দেখতে পাচ্ছেন।

সংবাদপত্র থেকে সাম্প্রতিক কিছু খবরের নমুনা দেয়া হলো। এলেঙ্গা হাইওয়েতে পুলিশের ব্যাপক চাঁদাবাজি (২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ : ইত্তেফাক)। চাঁদাবাজি করেই ওরা গাড়ি বাড়ির মালিক (সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৯ : জনকণ্ঠ)। চাঁদাবাজি যে গ্রামের মানুষের প্রধান পেশা : গ্রেফতার ৯ (১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ : ভোরের কাগজ)। আজমেরী ওসমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা, দুইজনের রিমান্ড আবেদন (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ : নিউজ নারায়ণগঞ্জ)। চাঁদাবাজি মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান (২২ আগস্ট ২০১৯ : জাগো নিউজ ২৪.কম)। নাটোরে নিষিদ্ধ থ্রি হুইলার থেকে যুবলীগ নেতার চাঁদাবাজি (৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ : বাংলাদেশের খবর)। শেরপুর-জামালপুরের মতো প্রতিটি জেলায় এখন পথে পথে হচ্ছে চাঁদাবাজি। ছাতকে চাঁদাবাজি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, ওসিসহ আহত ৫০ (১৫ মে, ২০১৯ : সিলেট ভিউ.২৪কম)। শৈলকুপা পৌরমেয়রের চাঁদাবাজি বন্ধে বিক্ষোভ (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ : দেশ সংবাদ)। বরগুনার অপরাধচক্র ০০৭ বন্ড গ্রুপ (৭ জুলাই ২০১৯ : ডেইলি স্টার)। ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে সোর্সের চাঁদাবাজি, জনতার ধাওয়া, পালাল দুই এএসআই (১৭ আগস্ট ২০১৯ : আওয়াজ বিডি.কম)। সীতাকুণ্ড চাঁদার টাকার ভাগ নিয়ে বিরোধে যুবক খুন (৩০ আগস্ট ২০১৯ : যুগান্তর)। সাঁথিয়ায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনি, নিহত ২ (৭ আগস্ট ২০১৯ : ইত্তেফাক)। মদনপুরে বেপোরোয়া খলিল-কাবিলা বাহিনী (৩ সেপ্টেম্বর : ডান্ডিবার্তা)। রাস্তায় নয়, অফিসেই চাঁদা নিতে চান এনায়েত উল্যাহ (১৫ এপ্রিল ২০১৯ : চ্যানেল আই)। শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরিঘাটে গাড়ি পারাপারে চাঁদাবাজির অভিযোগ (১৪ মে ২০১৯ : বাংলাট্রিবিউন.কম)। পাহাড়ে বন্ধ হচ্ছে না খুন-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি। এক বছরে ৪৫ খুন অপহরণ অর্ধশত (১১ নভেম্বর ২০১৮ : ইনকিলাব)। ভাগ-ভাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ, সীতাকুণ্ডে যুবক খুন (৩০ আগস্ট ২০১৯ : বাংলাদেশ মেইল.নিউজ)। জকিগঞ্জে চাঁদাবাজ সালামকে চার্জশিট থেকে বাঁচাতে পুলিশের পাঁয়তারা! (২৩ আগস্ট ২০১৯ : সাপ্তাহিক ক্রাইম সিলেট)।

এসব সংবাদ পর্যালোচনা করলে বোঝা যাবে, কিভাবে চাঁদাবাজি আমাদের সমাজের গহিন গভীরে বাসা বেঁধেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ সবচেয়ে ব্যাপক। বোঝা যায়, কিভাবে ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা চাঁদাবাজির মাধ্যমে আঙুল ফুলে শুধু কলাগাছ নয়, তালগাছ হয়ে গেছে। তারা চাঁদাবাজি করেই গাড়ি-বাড়ির মালিক। এই তো সেদিন যাদের দুবেলা ভাত জুটত না, আমাদের চোখের সামনেই গত এক দশকে তারা এখন গাঁও-গেরামে দালান-কোঠা তুলেছে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে চাঁদাবাজিকে তারা পেশা হিসেবে নিয়েছে। এর উদাহরণ রাজধানীতে আরো স্পষ্ট। রাজধানীর সব ফুটপাথে ‘হকার্স মার্কেট’ বসিয়ে চাঁদাবাজি করে মোটা অঙ্কের আয় করছে তারা। একেক জায়গায় একেকজন চাঁদাবাজ গডফাদারের আবির্ভাব ঘটেছে। নারায়ণগঞ্জে গডফাদার কী ভাষায় প্রশাসনকে শাসিয়েছে, গত সপ্তাহের পত্র-পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়েছে। আজমেরী তার ভাইয়ের ছেলে। তাকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাই এখন আস্ফালন। স্থানীয় পর্যায়ের নেতা চেয়ারম্যান, মেম্বারদের নানা কারসাজিতে চাঁদাবাজির বিষয়টি এ দেশে অনেক পুরনো। রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা স্থানীয় পর্যায়ে যেন ভদ্রতার আবরণ ছুড়ে ফেলেছেন। এখন তারা চৌকিদার কিংবা ঝাড়–দার থেকেও নাকি ঘুষ নেন। সেখানে চাঁদাবাজির নতুন এক কৌশল অবলম্বন করছেন স্থানীয় নেতারা। বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের হামলা ও মামলা দিয়ে বাড়ি ছাড়া করছেন তারা। তবে মোটা অঙ্কের চাঁদার বিনিময়ে রেহাই পাচ্ছেন কেউ কেউ। গত বছর নির্বাচনের আগে ও পরে গায়েবি বা আজগুবি মামলার ঘটনা সবারই জানা। চাঁদা না দিলে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের সহায় সম্পত্তি, জমি, ঘের-মৎস্য খামার দখল করে নিচ্ছেন শাসক দলের নেতাকর্মীরা। চাঁদাবাজির বড় একটি শিকার প্রবাসীরা। বিমানবন্দর থেকে তাদের ওপর চাঁদাবাজি শুরু। হয়তো ভেবেছেন, ঘরে ফিরলে রেহাই পাবেন তারা। কিন্তু সেখানেও চাঁদাবাজদের হানা। দলীয় চাঁদাবাজদের হামলায় কয়েকটি খুনের ঘটনা ঘটেছে অতি সম্প্রতি। পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি সবচেয়ে ব্যাপক এবং ওপেন সিক্রেট। পথে পথে ঘাটে ঘাটে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা পকেটে গুঁজে নিচ্ছে পুলিশ। ড্রাইভার থেকে মালিক পর্যন্ত চাঁদাবাজির চ্যানেল সম্প্রসারিত। চাঁদাবাজি নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে শাসকদলের দুটো সংগঠনে এর ব্যাপকতা ভয়ঙ্কর-ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এদিক দিয়ে ছাত্রলীগ এতটা ‘সুনাম’ কুড়িয়েছে যে, তাদের প্রধান উপদেষ্টা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নিদারুণ নাখোশ হয়েছেন। চাঁদাবাজিতে মানুষ এত বেশি ক্ষুব্ধ যে, গণপিটুনিতে তারা প্রাণ হারাচ্ছে। বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি নিয়ে আধিপত্যের চলছে লড়াই। অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলে পাল্টাপাল্টি গ্রুপিং এবং খুনের ঘটনা ঘটছে। এসব নিয়ে মামলা মোকদ্দমা হচ্ছে না, তা নয়। তবে পুলিশের সহযোগিতায় আইনের ফাঁকফোকড়ে রেহাই পেয়ে যাচ্ছে অনেকে।

এসব হলো বেসরকারি চাঁদাবাজির গল্প। অতি সাম্প্রতিককালে সরকারি চাঁদাবাজিও প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শাসক দলের লুটপাটে রাষ্ট্রীয় কোষাগার শূন্য হতে চলেছে। আর্থিক সঙ্কট মেটাতে বিভিন্ন উৎস থেকে বিপুল ঋণ নিচ্ছে সরকার। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ব্যয় নির্বাহ করতে সরকার অন্যান্য উৎস থেকেও অর্থের জোগান খুঁজছে হন্যে হয়ে। গত বছরে ৬৮টি সরকারি প্রতিষ্ঠান মুনাফা করেছে। আর লোকসান দিয়েছে ২০টি। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনব্যয় মেটানোর পরে বাড়তি টাকার পরিমাণ দুই লাখ ১২ হাজার ১০০ কোটি। এই টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে ‘ফিক্সড ডিপোজিট’ হিসেবে জমা আছে। সব টাকা পয়সা ‘ফতুর’ করার পর সরকারের এবার নজর পড়েছে এই অর্থের ওপর। এসব সরকারি স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের টাকা নিয়ে নেয়ার বুদ্ধি এঁটেছে সরকার। উন্নয়নের নামে প্রায় অচল হয়ে পড়া রাষ্ট্রীয় কোষাগারে এই অর্থ জমা দেয়ার আইন করছে সরকার। এবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এ জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন এই আইন অনুযায়ী আপৎকালীন ব্যয় নির্বাহের জন্য পরিচালন ব্যয়ের সাথে এর আরো ২৫ শতাংশ অর্থ এসব সংস্থা সংরক্ষণ করতে পারবে। ওই সংস্থার কর্মীদের পেনশন বা প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থও তারা সংরক্ষণ করবেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ২১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা, পেট্রোবাংলার ১৮ হাজার ২০৪ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ১৩ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ৯ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের চার হাজার ৩০ কোটি টাকা এখন সরকার আইনানুগভাবেই নিয়ে নিতে পারবে।

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ব্যয় নির্বাহ করতে ব্যাংক থেকে ব্যাপক ঋণ গ্রহণ করেছে সরকার। বাজেট ঘাটতি মেটাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের ব্যাংকগুলো থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেছিল। কিন্তু এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থ বছরের প্রথম ৩৯ দিনে ২৩ হাজার ৭৬১ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ সরকার নিয়ে ফেলেছে। এটি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের চেয়েও বেশি। এদিকে, সরকারকে এ ঋণের জোগান দিতে গিয়ে ব্যাংকগুলো বিপাকে পড়েছে।

ব্যাংকিংখাতে অবাধ লুটপাটে জনগণের আস্থা হ্রাস পেয়েছে। উঠতি ধনিকশ্রেণী সরকারের আনুকূল্যে অযাচিত ও অন্যায় ঋণ গ্রহণ করছে। ব্যাংক খাতে তাই আমানত কমে গেছে। অন্যদিকে, ঋণ প্রবাহ বেড়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার ঘাটতি শুরু হয়েছে। অপরদিকে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ছিল তিন লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে গড় হিসাবে তিন লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আদায় করা যাবে বলে সরকার আশা করছে। বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ধার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংক থেকে এ ধরনের অর্থ গ্রহণ সরকারের একপ্রকার দেউলিয়া হওয়ার লক্ষণ বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা। এটি বাংলাদেশের গত ৪৮ বছরের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

সরকারি অর্থ আয়ত্তাধীন করার পরও বর্তমান সরকারের যেন খায়েশ মিটছে না। সারা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় তথা পরিবহন খাতে যখন ব্যাপক লুটপাট চলছে, তখন সরকার জাতীয় মহাসড়কে আইনসম্মত চাঁদাবাজির ব্যবস্থা পাকাপাকি করে ফেলছে। বাংলাদেশের মহাসড়কগুলোতে গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে টোল নেয়ার নিয়ম চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেকের সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বাংলাদেশে সেতু পারাপার আর কোনো কোনো উড়াল সড়ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে টোল আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সড়ক ও জনপদে বিভিন্ন কায়দায় টোল আদায় করা হচ্ছে; কখনো সড়ক কর্তৃপক্ষের নামে, আবার কখনো বা পরিবহন সমিতির নামে অথবা জনকল্যাণের নামে। একনেকের সভার নির্দেশনার পর সড়ক ও জনপথ অধিদফতর সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান প্রণয়ন করছে। অবশ্য এতে জনগণের দুর্ভোগ আরো বাড়বে। কারণ যখনই কোনো কর ধার্য করা হয়, ব্যবসায়িক মহল প্রকারান্তরে তা সাধারণ মানুষের ঘাড়ের ওপর চাপিয়ে দেয়। রাজনৈতিক দলগুলো মহাসড়কে টোল আদায়ের প্রস্তাব প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে। জনসাধারণ আশা করে, সরকার জনস্বার্থে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা নেবে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চাঁদাবাজি জনসাধারণের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। সরকার যত শিগগিরই বিষয়টি অনুধাবন করবে, ততই জনগণের মঙ্গল।

লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]


আরো সংবাদ