১৯ অক্টোবর ২০১৯
চলতে ফিরতে দেখা

এক নেতার ‘ছিঁচকে’ তত্ত্ব

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদেরকে আগে কখনোসখনো দুর্নীতিবিরোধী কথাবার্তা বলতে শুনেছি। তা-ও বহুকাল আগে। কিন্তু এই সরকারের শাসনকালে দুর্নীতি এমন সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে যে, এখন ওবায়দুল কাদের গং কথার সুর পাল্টে ফেলেছেন। আমরা সব সময় বলার চেষ্টা করেছি, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া দুর্নীতির এই ব্যাপক বিস্তার সম্ভব ছিল না; সম্ভব হয় না। সরকার কখনো কখনো দুর্নীতিবাজদের সুযোগ করে দেয়। কখনো সরাসরি দুর্নীতিবাজদের পক্ষাবলম্বন করে। আর ছিঁচকাঁদুনে শিশুদের মতো সুযোগ পেলেই বিএনপি আমলের ‘হাওয়াই দুর্নীতি’র উদাহরণ টেনে বলে থাকে, সে দুর্নীতির তুলনায় বর্তমান সরকারের দুর্নীতি কিছুই না।
এই সরকার অনেক বড় বড় (মেগা) প্রকল্প গ্রহণ করেছে। কিন্তু যত বড় প্রকল্প, সেখানে দুর্নীতিও তত বড়।

আগে আমরা জানতাম, ঠিকাদার নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ না করতে পারলে তাকে জরিমানা গুনতে হয়। এখন সেই কালচার বদলে গেছে। যেহেতু সরকার-সংশ্লিষ্ট লোক ছাড়া এসব কাজ কোনো ঠিকাদার পান না। ফলে ঠিকাদারদের প্রতি সরকারের মমতা বড় প্রবল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করতে পারলে বা না করলে সরকারের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা ওই ঠিকাদারের পক্ষে নানা ধরনের যুক্তি দিতে থাকেন। ‘বাংলাদেশ বৃষ্টিবাদলের দেশ; বৃষ্টি হয়েছিল, তাই ঠিকাদার ঠিকমতো যথাসময়ে কাজ শেষ করতে পারেননি। আর সময়মতো কাজ শেষ না করতে পারলে উপকরণের দাম বাড়ে।

অতএব, প্রকল্প ব্যয় তো বাড়িয়েই দিতে হবে।’ তাই সরকারি অনুগ্রহপ্রাপ্ত ঠিকাদাররা ইচ্ছা করেই কাজ বিলম্বিত করে প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে নেন। আবার এমনও ঘটে যে, প্রকৃত প্রকল্পব্যয় দুর্নীতির স্বার্থে আগে থেকেই বাড়িয়ে ধরা হয়। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা তা অনুমোদনও করে দেয়। অনুমোদন করে থাকে দুর্নীতিতে ভাগ বসানোর জন্য কিংবা সরকারের বড় কোনো কর্মকর্তার দুর্নীতির সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

সরকারের এমন কোনো প্রকল্প বা অফিস নেই, যেখানে কাজে দুর্নীতি হচ্ছে না। কোথাও কোথাও তা এমন নির্লজ্জভাবে প্রকাশ হচ্ছে যে, খুব সাধারণ মানুষও সহজেই বুঝতে পারে, এখানে কী মাত্রায় দুর্নীতি চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে এমন দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে আসে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের বালিশ ও অন্যান্য সামগ্রী কেনা নিয়ে। সেখানে একেক বালিশ কেনা হয়েছে প্রায় সাত হাজার টাকা মূল্যে। আর সে বালিশের প্রতিটি ভবনের নিচ থেকে ওপরে তোলার জন্য খরচ হয়েছে ৭৬০ টাকা। সেখানকার কেনাকাটার অন্যান্য সামগ্রীতেও এমনই অবিশ্বাস্য দুর্নীতি করা হয়েছে। ফলে ওই দুর্নীতির নাম হয়েছে ‘বালিশ কাণ্ড’।

রূপপুরের ‘বালিশ কাণ্ডের’ পর সামনে আসে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বই কেনার বিষয়টি। ওই অধিদফতর মেডিক্যাল কলেজের জন্য সাড়ে পাঁচ হাজার টাকার বাজারমূল্যের বই কিনেছে সাড়ে ৮৫ হাজার টাকায়। এভাবে এ রকম চড়া দামে কেনা হয়েছে সাড়ে সাত কোটি টাকার বই। সরকারের স্বাস্থ্য অধিদফতর গোপালগঞ্জের শেখ সায়রা খাতুন মেডিক্যাল কলেজের জন্য বইগুলো কিনেছে। সেই সাথে একই রকম অবিশ্বাস্য মূল্যে কেনা হয়েছে সাড়ে সাত কোটি টাকা দামের বিভিন্ন সামগ্রী।

তারপর এলো ‘পর্দা কাণ্ড’। ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ব্যবহৃত একটি পর্দা কেনা হয়েছে সাড়ে ৩৭ লাখ টাকা দিয়ে। দুর্নীতির অভিযোগে এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিক ট্রেডার্সের প্রায় ১০ কোটি টাকার বিল আটকে দিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পরে বিল পরিশোধের আবেদন জানিয়ে ২০১৭ সালের ১ জুন অনিক ট্রেডার্স আদালতে রিট করে। পত্রিকার রিপোর্টে দেখা যায়, হাসপাতালটির ১১ কোটি ৫৩ লাখ ৪৬৫ টাকার মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম কেনাকাটার বিল দেখানো হয়েছে ৫২ কোটি ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ২০০ টাকা। এই একটি কেনাকাটায় মেসার্স অনিক ট্রেডার্স বাড়তি বিল দেখিয়েছে ৪১ কোটি ১০ লাখ ৭০ হাজার ৭৩৭ টাকা। জানা গেছে, সাড়ে ৩৭ লাখ টাকার ওই পর্দা ছাড়াও একটি অক্সিজেন জেনারেটিং প্ল্যান্ট কেনার খরচ দেখানো হয়েছে পাঁচ কোটি ২৭ লাখ টাকা। একটি ভ্যাকুয়াম প্ল্যান্টের খরচ দেখানো হয়েছে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। একটি বিএইইস মনিটরিং প্ল্যান্ট ২৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। তিনটি ডিজিটাল ব্লাডপ্রেসার মেশিন ৩০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আর একটি হেড কার্ডিয়াক স্টেথোস্কোপের দাম এক লাখ ১২ হাজার টাকা। এমন অবিশ্বাস্য দামে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ১৬৬টি যন্ত্র ও সরঞ্জাম কিনেছে।

রূপপুরের বালিশ কাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয়ভাবে বলে বসেছিলেন, তিনি শুনেছেন, ওই প্রকল্পের পরিচালক ছাত্রদল নেতা ছিলেন। তাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপর তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল জনমতের চাপে। সে কমিটি বেশ কিছু কর্মকর্তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। তাদের কী শাস্তি হয়েছে, তা জানা যায়নি। তাদের অবস্থাও শেষ পর্যন্ত পুলিশের মতো হবে কি না, বলা যায় না। অর্থাৎ পুলিশ যত বড় অপরাধই করুক না কেন, তাদের শাস্তি দৃশ্যত বদলি বা ক্লোজড করা- তা সে লুট থেকে কিংবা ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধই হোক।

এরপর সামনে এলো ওয়াসার তিন হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প। মুন্সীগঞ্জের যশলদিয়া থেকে পদ্মার পানি পরিশোধন করে ঢাকায় সরবরাহ করার প্রকল্প শেষ হয়েছে আট মাস আগে, কিন্তু এখনো তা চালু হয়নি। সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে একবার চালু করা হলে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই পাইপ ফেটে পণ্ড হয়ে গেছে এই তিন হাজার ৮০০ কোটি টাকার পুরো প্রকল্প। কম পুরুত্বের নিম্নমানের পাইপ ব্যবহার করার ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এখানে আরো মজার ঘটনা এই যে, নিম্নমানের বলে ওই কম পুরুত্বের ‘কে-৯’ পাইপ সরবরাহ না করতে প্রকল্প পরিচালক ঠিকাদারকে চিঠি দিয়েছিলেন বলে ওই পরিচালককেই বদলি করে দেয়া হয়। কেন বদলি করা হলো প্রকল্প পরিচালককে? ঠিকাদারের রাজনৈতিক প্রভাব এতই প্রবল যে, তিনি প্রকল্প পরিচালককেই বদলি করানোর ক্ষমতা রাখেন। যারা ওই ঠিকাদারের কথায় তাকে বদলি করেছেন, এই বিশাল দুর্নীতির টাকা কি তাদের পকেটেও গেছে? এ নিয়ে অবশ্য কথা বলেননি প্রধানমন্ত্রী বা তার দলের বাকপটু সাধারণ সম্পাদক ও ‘সব বিষয়ের কাজী’ ওবায়দুল কাদের।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ১১৮ কোটি ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে নোয়াখালী এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণের একটি প্রকল্প সম্প্রতি অনুমোদন দিয়েছে। কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার সন্দ্বীপ চ্যানেলের ভাঙন থেকে মুসাপুর ক্লোজার, রেগুলেটর ও সংশ্লিষ্ট এলাকা সংরক্ষণের জন্য মুসাপুর রেগুলেটরের ডাইভারসন চ্যানেল ও সন্দ্বীপ চ্যানেলের বাম তীর প্রতিরক্ষা প্রকল্প এটি। এখানে ৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার তীর সংরক্ষণের ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০ কোটি ৮৯ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। ১ দশমিক ৩ কিলোমিটার রোড নির্মাণের ও কার্পেটিং খরচ তিন কোটি তিন লাখ ৬১ হাজার টাকা। প্রকল্পের পাঁচটি সাইনবোর্ড তৈরিতে ব্যয় হবে সাড়ে ২৭ লাখ টাকা।

সিল ও স্ট্যাম্প বানাতে ব্যয় হবে তিন লাখ ৪০ হাজার টাকা। গড়ে প্রতি কিলোমিটার তীর সংরক্ষণে ব্যয় হবে ২২ কোটি ৯৩ লাখ দুই হাজার টাকা। পত্রিকার রিপোর্টে বলা হয়েছে, একই নদীর একই এলাকার তীর সংরক্ষণের ব্যয় তিন ধরনের। মুসাপুর রেগুলেটরের ডাইভারসনের ভাটিতে ১ দশমিক ৩ কিলোমিটারের জন্য ব্যয় ২২ কোটি ৮১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এখানে কিলোমিটারে ব্যয় হবে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। আর একই চ্যানেলের উজান তীরে ৬০০ মিটারে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ২২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। অন্য দিকে চ্যানেলের ভাটির বাম তীরে আড়াই কিলোমিটারের জন্য ব্যয় হবে ৬৬ কোটি ৮৫ লাখ ৫১ হাজার টাকা। এখানে কিলোমিটারে ব্যয় ২৬ কোটি ৭৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। এমনই লাগামহীন দুর্নীতি সর্বত্র চলছে।

এমন খবর আছে রেলের ২৫৬ কোটি টাকার কারিগরি প্রকল্পে। সেখানে একজন ক্লিনারের মাসিক বেতন ধরা হয়েছে চার লাখ টাকার বেশি। শুধু ক্লিনার নয়, সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য এমন আকাশছোঁয়া অবিশ্বাস্য বেতন প্রস্তাব করা হয়েছে। ক্লিনারের বেতন ধরা হয়েছে প্রতি মাসে চার লাখ ২০ হাজার টাকা, অফিস সহায়ক, কম্পিউটার অপারেটর, ফটোকপি অপারেটর, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটরের বেতন মাসিক ৮৩ হাজার ৯৫০ টাকা, বিদেশী পরামর্শকের মাসিক বেতন ১৬ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকা, ক্যাড অপারেটরের মাসিক বেতন এক লাখ ২৫ হাজার টাকা। ১১টি প্রকল্পে সম্ভাব্যতা পরীক্ষা ও আনুষঙ্গিক কাজের জন্য পরামর্শক থাকবেন এক হাজার ৪৩৪ জন। এর মধ্যে বিদেশী থাকবেন এক হাজার ১৫৩ জন; দেশীয় পরামর্শক ২৮১ জন।

এ ছাড়া, ব্যক্তি পরামর্শক থাকবেন ৯৬ জন। ১৮ জন জনবল ও আটজন স্টাফ আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ করা হবে। পরিকল্পনা কমিশন একে অস্বাভাবিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে ফেরত পাঠিয়েছে। রেলওয়ের সচিব বলেছেন, এটি ভুল হয়ে গেছে। কিন্তু অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, এটিকে ভুল বলে উড়িয়ে দিলে চলবে না। এত বড় প্রকল্প প্রস্তাবে এ ধরনের ভুল হতে পারে না। কারণ এ ধরনের প্রস্তাব তৈরি করার আগে কয়েক ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এ রকম ‘ভুল’ যারা করেন, তাদের কোনোভাবেই চাকরি থাকা উচিত নয়। এটিও একটি বড় ধরনের দুর্নীতি।

এ দিকে খাগড়াছড়িতে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ঘর মেরামতের কাজে মাত্র এক শিট ঢেউটিনের দাম ধরা হয়েছে এক লাখ টাকা; যার বাজারমূল্য এক হাজার টাকার বেশি নয়। ওই মেরামত কাজে ব্যবহারের জন্য দুই বান্ডিল টিনের দাম দেখানো হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া কাজ শুরুর মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই বাজেটের ৭১ লাখ টাকা তুলে নেয়া হয়েছে। অথচ মেরামত কমিটির সদস্যসচিবের দেয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এ দেখা যায়, কাজ শুরু করার চার মাসের মধ্যে মাত্র ১৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কাজ সম্পন্ন করার আগেই কাজ ‘সম্পন্ন হয়েছে’ বলে জানিয়েছেন এপিবিএনের তৎকালীন কমান্ডার, বর্তমানে মাদারীপুরের ওসি মাহবুব হাসান।

এসব বিষয়ে গায়ে পড়ে মন্তব্য করেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘বালিশ-পর্দা কাণ্ড হলো ছিঁচকে কাজ। এ কাজগুলো যারা করেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা কিন্তু মন্ত্রী কিংবা এমপি নন।’ আবার বরাবরের বদ অভ্যাসে তিনি বলে বসেন, ‘এখানে তো হাওয়া ভবনের মতো লুটপাটের বিষয় নেই। যারা এমন অভিযোগ করেন, তারা তো দেশটাকে লুটপাট করে খেয়েছেন। এখন কিন্তু সরকারের কোনো বিকল্প শেল্টার নেই। লুটপাটের কোনো ভবন এই সরকারের আমলে নেই। এটা আমি দাবি করে বলতে পারি। বালিশ আর পর্দার সাথে তো হাওয়া ভবনের লুটপাটের বিষয়কে মেশালে চলবে না।’

ওবায়দুল কাদের যেন আগরতলা আর খাটের তলার গল্প শোনালেন। দুর্নীতিবাজরা মন্ত্রী-এমপি নন; কিন্তু ওয়াসার প্রকল্প পরিচালককে বদলি করল কে, কেন? হাওয়া ভবনের লুটপাটের ঘটনা আওয়ামী চক্রে ভগবান ভূতের গল্পের মতো। আওয়ামী লীগ সরকার ও তাদের ডেকে আনা মইন উদ্দিন-ফখরুদ্দীনের সরকার মিলে ১২ বছর ধরে শুধু হাওয়া ভবনের দুর্নীতির গীতই গেয়ে চলেছেন। একটি ঘটনাও প্রমাণ করতে পারেননি। তাহলে সে গীত বারবার গাইছেন কেন? প্রমাণ থাকলে হাজির করুন। যেখানে আওয়ামী লীগ, এখন সেখানেই দুর্নীতি। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সবাই দুর্নীতির ডিপোতে পরিণত। হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ওবায়দুল কাদেরের কাছে ‘ছিঁচকে’ মনে হয়। তার আগে অশীতিপর সাবেক অর্থমন্ত্রীও সোনালী ব্যাংকের চার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতিকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে বলেছিলেন, ‘ওটা কোনো টাকাই না’। আল্লাহ না করুন, ওবায়দুল কাদের যেন জনাব মুহিতের মতো তেমন অবস্থায় না পড়েন।

লেখক : সাংবাদিক ও সাহিত্যিক
[email protected]


আরো সংবাদ