২১ অক্টোবর ২০১৯

রাষ্ট্রাচারে জবাবদিহিতা

-

দুর্যোগ, দুর্ভোগ ও দুরাচার যেভাবে দেশের মানুষকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করছে, তাতে সবাই যেন শ্বাসরুদ্ধ হয়ে শেষ পরিণতির দিকে ধাবমান। অথচ উন্নয়ন, গরিবির অবসান আর শান্তি-স্বস্তির শত স্বপ্নের কথা মানুষ শুনেছে এমনকি এ কথাও বলা হয়েছে যে, অদূর ভবিষ্যতে দুরবিন দিয়েও দারিদ্র্যক্লিষ্ট কোনো মানুষকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে এখন কেন এই হতাশা। বলা হয়েছে, দুর্নীতি না হলে ‘দেশের চেহারাই পাল্টে’ যেত। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, যে নীতিভ্রষ্টরা এবং দুরাচারী সব কিছু শুষে নিয়ে গেল। সেই দুবৃত্তরা কিভাবে দিবালোকে বর্ধিত হয়ে আজ ‘চেহারা পাল্টানোর’ সব স্বপ্ন নিমেষে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। তাহলে কেন এই বোধ এত কালক্ষেপণের পর জাগ্রত হলো? পেছনে থেকে যারা রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনা করে তারা কি তবে জেগে থেকে ‘গভীর নিদ্রায়’ নিমগ্ন ছিলেন? নাকি শোষণ-দহনের অমৃত সুধার ভাগ পেয়ে তাদের চেতনা নাশ হয়ে গিয়েছিল। দেশের সাধারণ মানুষ এক দিকে শুনছে আশা জাগানোর শত কথা আবার বাস্তবে দেখছে সেই আশার ফানুসগুলো এসে একে ধসে পড়ছে। এ যেন এক পরস্পরবিরোধী অভিজ্ঞতা।

সে যাই হোক, গত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে ক্ষমতাসীনেরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। এ সময়ের যত সাফল্য সব যেমন সরকারের কৃতিত্বের খাতায় যোগ হবে। তেমনি এ সময়ের যত ব্যর্থতা, যত অপকর্ম হয়েছে; তার দায়ভাগ তাদেরই গ্রহণ করতে হবে। এখন এই ভালো-মন্দের যোগ-বিয়োগে দেখা যায়, তাদের সাফল্য যতটা না, মন্দের ভাগ তার চেয়ে বেশি। এ জন্য কোনো অজুহাত তারা দেখাতে পারবেন না। কেননা ১০ বছরের চেয়ে বেশি সময় ধরে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছেন। আর এ সময়ে দেশের সামগ্রিক অবস্থা ছিল স্থিতিশীল। কোনো অস্থিরতা ছিল না। এ পরিস্থিতিতে প্রকৃতপক্ষে দেশ পরিচালনার অনুকূল একটি পরিবেশ ছিল। কিন্তু এসব সুযোগ পাওয়ার পর এখন যদি ক্ষমতাসীনদের গত ১০ বছরের কাজের মূল্যায়ন করা হয়; তবে তার জন্য তেমন কোনো কৃতিত্ব তাদের পাওনা হয় না। আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভার সাবেক সদস্য ও ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী জোটের অন্যতম সদস্য রাশেদ খান মেনন সম্প্রতি এই মর্মে অভিযোগ করেছেন, গত ১০ বছরে দেশ থেকে ৯ লাখ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে; যা দিয়ে বাংলাদেশের দু’টি অর্থ বছরের বাজেট প্রণয়ন করা যেত। বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের অনেক দুর্বলতার মধ্যে এই অর্থ পাচার একটি মারাত্মক বিষয়। যে দেশের দারিদ্র্যক্লিষ্ট মানুষের করের টাকা এভাবে পাচার হয়। সেখানে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন, তাদের জন্য এটা এক চরম গ্লানির ব্যাপার। এমন অর্থ পাচারের সাথে এটা নিশ্চিত যে, কোনো সাধারণ মানুষ জড়িত থাকতে পারে না। যারা ক্ষমতার সাহচর্য ভোগ করেন অথবা ক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত, কেবল তাদের পক্ষেই রাষ্ট্রযন্ত্রের সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে এই অপকর্ম সাধন করা সম্ভব। এটা তো গেল বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়; কিন্তু সেই ক্ষমতার ছাতার নিচে যে হাজার হাজার মানুষ এখন আশ্রয় নিয়ে আছে, তারাও শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। সেই টাকা কিভাবে কোথায় রয়েছে তা সাম্প্রতিক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে দেখা গেছে। ক্ষমতাসীনদের সহযোগী এসব ব্যক্তি-গোষ্ঠীর বৈধ কোনো আয়ের উৎস কারো জানা নেই। রাজনীতি ও ক্ষমতা হচ্ছে কেবল এদের অর্থ উপার্জনের পথ। যে দু-চারজনকে জালে আটকানো হয়েছে, আর তাতেই যদি এই হাঁক-ডাকের অভিযান শেষ হয়। তবে এই অভিযান শুধু অর্থহীনই হবে না, তাতে এজন্য মাশুল হিসেবে নানা কথা উঠবে। আর সমাজের কালো নায়কেরা বগল বাজিয়ে নৃত্য করবে। এবং এই অপবাদ আসবে যে, ‘যত গর্জে তত বর্ষে না’।

গত ১০ বছরে অর্থনীতির একটি করুণ চিত্র দেশের মানুষ দেখতে পেয়েছে। তাও কেবল দুর্নীতিসংক্রান্ত। অর্থনীতির অন্য যে দিকগুলো রয়েছে, সে সম্পকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা যে বক্তব্য হাজির করছেন তাতে শঙ্কিত হওয়া ভিন্ন অন্য উপায় নেই। বিশেষ করে সরকারি বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের খেলাপি ঋণের যে বিপুল বোঝা, তার ভারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নুয়ে পড়েছে। আর এসব খেলাপিরা ঋণ পেয়েছে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে। যেসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছে হাজার হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ রয়েছে; তা আদায়ের জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ত্রিসীমানায় পৌঁছার সাহস রাখে না। তাই এ অভিযোগ স্বাভাবিক, খেলাপির যে সংস্কৃতির প্রচলন হয়েছে তার উদ্যোক্তা তারাই, যারা ক্ষমতার আশীর্বাদ নিয়ে চলেন। তাই এই আশীর্বাদপুষ্টদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রশক্তি যদি কোনো ব্যবস্থা না নেয়, তবে আর কারো পক্ষে এদের সামাল দেয়া সম্ভব নয়। কিন্তু এমন উদ্যোগ নেয়া হবে কি না তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। কেননা খেলাপিরা ক্ষমতার বরপুত্র। তাদের বিরুদ্ধে কোন শক্তি মাঠে নামবে!

দ্রব্যমূল্য নিয়ে সাধারণের দুর্ভোগ এখন চরমে। একটি স্থিতিশীল বাজারব্যবস্থা বজায় রাখা একটি দায়িত্বশীল সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রশাসনের সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। কিন্তু আমাদের প্রশাসন সেই প্রয়াস নিতে কখনো সক্ষম হয়নি। সাধারণ পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সরকারের যে অসমর্থতা এখন লক্ষ করা যাচ্ছে, তাতে তাদের পক্ষে এর চেয়ে কোনো জরুরি বিষয় মোকাবেলা করা কোনোক্রমেই সম্ভব হবে না। সাধারণভাবে বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য দেশের পণ্য উৎপাদনের হালনাগাদ তথ্য থাকা এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে প্রশাসনের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। অথচ আমাদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে পেঁয়াজ নিয়ে যেসব বক্তব্য এসেছে তা কোনোভাবেই দায়িত্বের মাপকাঠিতে তারা উত্তীর্ণ নন। এসব উক্তি থেকে তাদের কোনোভাবেই দূরদর্শী প্রশাসক হিসেবে মেনে নেয়া সম্ভব নয়। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে একটি স্থিতাব্যবস্থা বজায় রাখা যেকোনো সরকারের অন্যতম কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। অথচ এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের দুর্বলতা সীমাহীন। গত দু’টি ঘটনায় এটা মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, প্রশাসন দায়িত্ব নিয়ে এর হক আদায়ের ক্ষেত্রে তারা অক্ষম। এ দু’টি বিষয় হলো ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং বন্যায় জনগণের পাশে দাঁড়ানো। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের যে ভূমিকা তা কোনোভাবেই সহজভাবে নেয়া যায় না। প্রশাসন পরস্পর দোষারোপ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তাদের ন্যূনতম প্রস্তুতি ছিল না। আর বন্যায় দেশের অনেক জেলা ও উপজেলার মানুষ ভয়াবহ দুর্ভোগে ছিল। কিন্তু তাদের দিকে যে সাহায্যের হাত বাড়ানোর দরকার ছিল, সেটা লক্ষ করা যানি। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, বন্যাকবলিত এলাকায় যেসব জনপ্রতিনিধি ছিলেন, যার প্রায় সবাই সরকারি দলের লোক। তাদের কাউকে দুর্গতদের পাশে দেখা যায়নি। তাই এ অবস্থা দেখার পর স্বাভাবিকভাবে এ প্রশ্ন ওঠে, তারা কি প্রকৃত জনপ্রতিনিধি?

দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান অভিযান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যত উৎসাহ-আগ্রহ লক্ষ করা গেছে, কিন্তু ওপরতলার সবাইকেই এ নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন এবং সন্দেহ-সোবার মধ্যে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা যায়। সেই সাথে শাসক দলের সাথে ঘনিষ্ঠদের কথা বলার মধ্যে খানিকটা সতর্কতা লক্ষ করা গেছে। এসব কথার মধ্যে তেমন ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে না। এই অভিযান চালানোর কথা বাইরের কোনো পক্ষ থেকে হয়নি বরং এর অনিবার্যতা তারাই তা উপলব্ধি করেছেন। কেননা বাইরে থেকে দেশের হালচাল যতটা অনুমান করা যায়, কিন্তু ভেতর থেকে সবটাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সব মিলিয়ে ভবিষ্যতে এই অভিযান কোনো দিকে অগ্রসর হবে তা কেউ বলতে পারে না। তবে এ কথা সত্য, বর্তমান প্রশাসন আকণ্ঠ অনিয়ম-দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে আছে। এ থেকে যদি পরিত্রাণ না ঘটে তবে শুধু তারাই সমস্যায় পড়বে না, গোটা দেশ তাতে মহাদুর্যোগের মুখোমুখি হবে। তবে এই অভিযানের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা স্পষ্ট কিছু বুঝতে পারছেন না। তবে তাদের মধ্যে বেশ কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। আসলে চলমান অভিযানের মধ্য দিয়ে এটাই স্পষ্ট হয়েছে, বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের দুর্নীতি নিয়ে যে ব্যাপক কথা রয়েছে তা যথার্থ। আর এই দুর্নীতি যে শাসক দলের মধ্যেই, সেটা সাধারণভাবে সবাই জানত, তবে তা যে শাসক দলকে এভাবে গিলে ফেলেছে, এতটা হয়তো অনুমান করা যায়নি। কিন্তু প্রশাসনের কাছে তো এ বিষয়গুলো স্পষ্ট ছিল। তারা কেন তবে সীমা লঙ্ঘন করার সুযোগ দিলো? এটা যে এখন ক্ষমতাসীনদের পুরো ভাবমর্যাদাকে ধুলায় লুটিয়ে দিয়েছে। তারা উন্নয়ন নিয়ে এতকাল যে উচ্চকণ্ঠ ছিল। এখন যদি কথা ওঠে বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর জন্য যে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে তাতে কতটা দুর্নীতি রয়েছে, বরাদ্দ অর্থের কতটা কিভাবে কারা আত্মসাৎ করেছে; তার একটা নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। যদি সেটা হয় তবে নির্ঘাত শাসক দলের অনেক রাঘব বোয়াল ধরা পড়বে।

এই অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য নিয়ে কারো অভিমত হচ্ছে, সরকারের ক্লিন থাকার ব্যাপারে যেসব কথা আগে তারা বলেছে, তা এখন পুরোপুরি ধসে গেছে। তা আবার পুনরুদ্ধারের প্রয়াস হিসেবে একটা চেষ্টা হয়তো চলছে। এটা একটা ব্যাপার হতে পারে বটে, কিন্তু এ জন্য যে উচ্চ মূল দিতে হবে, যেমন বলা হবে- শাসক দলের গায়ে পচন ধরেছে আর এ ব্যাধি সারার নয়। আসলে এখন তাদের আগ-পিছ হওয়ার সুযোগও নেই। অভিযান শুরু করা ভিন্ন আর কোনো পথ ছিল না। কেননা সেটা যে দানবে রূপ নিয়েছে তাকে না রুখলে সব কিছু গ্রাস করে ফেলত। শাসক দলের শীর্ষ নেতাদের ব্যক্তিগত যে ইমেজ তাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ত। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগের যে দীর্ঘ ইতিহাস, সংগ্রামের ইতিহাস, তা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক আপসহীন সংগঠন। আজ ইতিহাসের এই পর্যায়ে এসে তারা যখন ক্ষমতায় তখন তাদের এক শ্রেণীর নেতাকর্মীর জন্য গোটা দল ও তাদের ঐতিহ্য শেষ হওয়ার পথে। এটা যদি বর্তমান নেতৃত্ব রুখতে না পারে, তবে তাদেরও ইতিহাসের কাঠগড়ায় ব্যর্থতার দায়ভাগ নিয়ে হাজির হতে হবে।
আওয়ামী লীগের এই দুর্দিন নিয়ে আসলে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের তামাশা করা ঠিক নয়। কেননা এ দেশের অতীতে দেখা গেছে, ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার পর তাদের হাজার দুর্নীতির যত সব ফর্দ প্রকাশিত হয়েছে। পতিত নেতাদের মামলায় জড়িয়ে জেলে যেতে হয়েছে। ক্ষমতায় যাওয়ার আগে তারা এক রকম থাকেন, আর ক্ষমতায় গিয়ে পুরোপুরি বদলে যান। ক্ষমতায় না থাকার সময় তারা যে কাজকে গর্হিত মনে করতেন আর ক্ষমতায় গিয়ে সেসব কাজ নিজেদের জন্য জায়েজ করে নিতেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আমাদের দেশের ক্ষমতার চর্চা যারা করেন, তারা কখনো জবাবদিহিতাকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করতে সক্ষম হননি। আর সে কারণে এখন আওয়ামী লীগ বিপদে পড়েছে; অতীতেও অনেকে পড়েছিল। যদি রাষ্ট্রাচারে সত্যিকার জবাবদিহি নিশ্চিত থাকত, তবে দেশের যেমন ক্ষতি হতো না তেমনি দলগুলোর পক্ষেও অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়া সম্ভব ছিল না। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধের অভিযানের সাথে সাথে রাষ্ট্রাচারে এমন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার, যাতে কেউ বা কারো পক্ষে ভবিষ্যতে জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে ওঠা সম্ভব না হয়। সময় অনেক গড়িয়েছে; কিন্তু দেশ এগিয়ে যেতে পারেনি। এ ব্যর্থতার জন্য যারা ক্ষমতায় আছেন বা ছিলেন তারা দায়ী; তাদেরই কৈফিয়ত দিতে হবে।
[email protected]


আরো সংবাদ