১০ ডিসেম্বর ২০১৯

অস্তিত্বের স্বার্থে ভারতকে বিদ্বেষের রাজনীতি পরিহার করতে হবে

-

ভারতে গণতন্ত্রের হাল নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি পত্রিকায় দেয়া তার সাক্ষাৎকার নয়া দিগন্তসহ ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় [৯ অক্টোবর] প্রকাশিত হয়েছে। অমর্ত্য সেন বলেছেন, ‘গণতন্ত্র মানে আলোচনার ভিত্তিতে চলা সরকার। ভোট যেভাবেই গণনা করো, আলোচনাকে ভয়ের বস্তু করে তুললে তুমি গণতন্ত্র পাবে না।’ তার আক্ষেপ, ‘ভারতে এখন একচেটিয়া কট্টর বা উগ্র হিন্দুত্বের দাপট চলছে।’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে তার মূল্যায়ন হলো, ‘বহু ধর্ম ও বহু জাতির দেশ ভারতকে বোঝার মতো মনের প্রসারতা নেই মোদির।’

ভারত উপমহাদেশ হলো মানবসভ্যতার মহামিলন বা মহামেলা। আর অমর্ত্য সেনের বক্তব্য থেকে বোঝা যায় সেই মহামিলন এখন দুর্যোগের কবলে পড়েছে। মেলায় যেমন বিচিত্র পণ্য সম্ভারের সমাবেশ ঘটে ভারতেও তেমনি নানা জাতি, ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতির মিলন ঘটেছে। বিশ্বের আর কোনো রাষ্ট্রেই এমন মহামিলনের পরিবেশ আমি দেখিনি। যুক্তরাষ্ট্রে নেই। ধর্মীয় দিক থেকে তারা মূলত প্রটেস্ট্যান্ট খ্রিষ্টান। মধ্যপ্রাচ্যে ১৩টি মুসলিম রাষ্ট্রে এই মহামিলন নেই। সেখানে ধর্মীয় দিক থেকে সবাই প্রাথমিকভাবে মুসলমান। ইউরোপের দিকে তাকালে দেখব তারাও বৃহৎ অর্থে প্রটেস্ট্যান্ট খ্রিষ্টান। আবার ল্যাটিন আমেরিকা অঞ্চলের মানুষ ধর্মীয় দিক থেকে ক্যাথলিক। তারা রোমান পোপের অনুসারী। মিলন মানে হাতেগোনা কয়েকজন লোক থাকা নয়। সব দেশেই দু’একজন হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান রয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়া আর কোথাও এমন বিভিন্ন ধর্মের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর বিপুল সমাবেশ ঘটেনি। উইকিপিডিয়ার হিসাবে বিশ্বের মোট মুসলমানের ১১ শতাংশ, তথা ২০১ মিলিয়ন মুসলমান সেখানে বাস করে। এটা সরকারি হিসাব। বেসরকারি হিসাবে আরো বেশি হতে পারে। জনসংখ্যার হিসাবে ভারতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনগোষ্ঠীর বাস। সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ায়, ২২৯ মিলিয়ন (২০১৭ সালের হিসাব)। ভারতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী রয়েছে। রয়েছে বিশাল শিখ জনগোষ্ঠী। আছে বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ধর্মাবলম্বী এবং অনেক উপজাতীয় গোষ্ঠী। এদের অনেকে প্রকৃতি পূজারি। বহু সভ্যতার মিলন ঘটেছে এখানে। এখানকার হিন্দু ধর্ম হলো সবচেয়ে পুরনো ধর্ম। প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগ থেকে এই ধর্মের বিকাশ ঘটেছে। এখানে খ্রিষ্টান বা মুসলমানরা অনেক পরে আসে। এই মহামিলন ভারতবাসীর গৌরব। কিভাবে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে একটি সমাজে বাস করেছে সেই শিক্ষা এখান থেকে নেয়া যায়। মজার বিষয় হলো, আমার ব্যক্তিগত জীবনে বাংলাদেশে যত বন্ধু হয়েছে তার চেয়ে বেশি সংখ্যক ভারতীয়ের সাথে আমার বন্ধুত্ব রয়েছে। নিউগিনিতে থাকাকালে এক শিখ প্রফেসরের সাথে আমার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সে আমাকে বলে তুমি কি ব্রাহ্মণ ছিলে? এত ভালো হলে কি করে? আমি তাকে বলি, আমি মুসলমান। মুসলমানরা কি সব খারাপ নাকি? ও বললো, ‘আমি বিশ্বাস করতে পারছি না’। তার এই বিশ্বাস করতে না পারার পেছনে কারণ ছিল। তার পূর্বপুরুষ ছিল পাঞ্জাবের অধিবাসী। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ভাগ হয়ে যখন ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয় তখন পাঞ্জাবও ভাগ হয়। তার পৈতৃক বাড়িটি পাকিস্তান অংশে পড়ে। সেখানে দাঙ্গা হয়েছিল। ফলে তার পরিবার ভারতে পাড়ি জমায়। তাদেরকে দিল্লিতে এসে মুরগির খোঁয়াড়ে পর্যন্ত থাকতে হয়েছে। ফলে তার জীবন ছিল তিক্ত অভিজ্ঞতায় পূর্ণ। তাই সে যখন বলছিল ‘মুসলমানরা তোমার মতো এত ভালো হয় না’- তখন আমি রাগ করিনি। আমি জিজ্ঞেস করি, কেন তুমি এ কথা বলছ? তখন সে পাঞ্জাবের দাঙ্গা ও সেখান থেকে ভারতে পাড়ি জমানোর ইতিহাস আমার কাছে বর্ণনা করে।

সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেনও ভারতে চলমান দুঃসময়ের প্রসঙ্গে তার ছোটবেলার অনেক স্মৃতি তিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন: ‘ছেলেবেলাতেও খুব খারাপ সময় দেখেছি। দেখেছি, কাকাদের সবাইকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। ৯ বছর বয়সে দেখেছি মন্বন্তর। এতে তিন লাখ মানুষ মারা গেছে। হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা দেখেছি। মুসলিম দিনমজুরকে কুপিয়ে খুন করেছে আমারই পাড়ার কিছু হিন্দু। আমি তখন দশ কি এগারো বছর বয়সের। বাগানে খেলছিলাম। দেখি, রক্তাক্ত অবস্থায় ছুটে আসছে একজন। চিৎকার করে বাবাকে ডাকলাম। পানি খেতে দিলাম। এত রক্ত কখনো দেখিনি। আমার কোলে মাথা রেখে সেই মুসলিম দিনমজুর স্পষ্ট বলেছিলেন, বিবি বলেছিল- হিন্দু এলাকায় কাজ করতে যেও না। কিন্তু শিশুরা যে না খেয়ে আছে। কিছু তো রোজগার করতেই হবে। এরপর বাবা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। পুলিশকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু হিন্দু এলাকার পুলিশ কিছু করতে রাজি হয়নি।’

আমার ছেলেবেলাতেও এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। অমর্ত্য সেনের বাবা যেভাবে একজন মুসলমান দিনমজুরকে রক্ষা করেছিলেন ঠিক একইভাবে আমার বাবাও এলাকার অনেক হিন্দুকে দাঙ্গাবাজদের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। অমর্ত্য সেন ও আমার বয়সে খুব একটা তফাৎ নেই। উপমহাদেশ ভাগ হওয়ার আগে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গার কথা আমরা সবাই জানি। এই দাঙ্গা বাধিয়েছিল বিদেশী শক্তি। আমরা তো অবুঝ ছিলাম। আমাদের সিরাজগঞ্জ এলাকাও সেই দাঙ্গা থেকে মুক্তি পায়নি। এলাকায় মুসলিমরা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ। মুসলিম নামধারী কিছু উগ্রলোক হিন্দুদের ওপর হামলা করে। তখন আমার বাবা কয়েকজন হিন্দুকে এনে আমাদের বাড়িতে আশ্রয় দেন। তাদেকে কলকাতা পাঠিয়ে দেবেন। আমার বাবা ডাক্তার ছিলেন। মুসলিম দাঙ্গাবাজরা জানতে পারে যে তার কাছে কয়েকজন হিন্দু আশ্রয় পেয়েছে। তারা তখন আমাদের বাড়িতে আসে। আমার স্পষ্ট মনে আছে। তখন আমার বয়স ৮-৯ হবে। তারা আমার বাবাকে জিজ্ঞেস করলে বাবা উত্তর দিলেন হ্যাঁ, আমার বাড়িতে কয়েকজন হিন্দু আছে। দাঙ্গাকারীরা ওদেরকে বের করে দিতে বললে বাবা বলেন, ‘তোদের সাহস থাকলে আমার বাড়িতে ঢুকে দেখ। ওরা আমার মেহমান, আমি ওদেরকে কালকে স্টিমারে করে শিয়ালদা পাঠিয়ে দেবো। তোরা ওদেরকে ঠিকমতো জাহাজ ঘাঁটায় নিয়ে যাবি। কেউ যেন ওদের কোনো ক্ষতি করতে না পারে দেখবি।’

তাই আমি বলছি সব সমাজেই এমন মানুষ আছে। দুঃখজনক হলো এসব মানুষ আমাদের সভ্যতাকে বিপন্ন করে তুলেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যেসব বক্তব্য দিচ্ছেন তার প্রেক্ষাপটে বলতে হচ্ছে হিংসা-বিদ্বেষ ছড়িয়ে কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না। ইতিহাস বারবার এর প্রমাণ দিয়েছে। মোদিকে অনেকে হিটলার বা মুসলিনির সাথে তুলনা করেছেন। হিটলার বা মুসলিনি ছিলেন ফ্যাসিস্ট। তারা ফ্যাসিবাদের বিস্তার ঘটিয়েছিলেন। ফ্যাসিজম, নাজিজম ও কমিউনিজম ছিল উনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে বিশ্বে প্রভাববিস্তারকারী তিনটি মতবাদ। ফ্যাসিস্টরা মনে করে সবকিছু রাষ্ট্রের জন্য। রাষ্ট্র যা খুশি করতে পারে। কমিউনিজম মানে এক দলের শাসন। আর নাজিজম হলো জার্মান শ্রেষ্ঠত্ব। কিন্তু এদের কেউই টিকে থাকতে পারেনি। এরা সবাই ঘৃণাকে পুঁজি করে মানুষের মধ্যে সাময়িক একটি উত্তেজনা তৈরি করেছিল। বুঝে হোক বা না বুঝেÑ মানুষ তাদের সমর্থন করেছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী তিনটিই ধ্বংস হয়ে গেছে। তাই ঘৃণার রাজনীতি করে ভারতেও কেউ টিকে থাকতে পারবে বলে আমি মনে করি না।

ভারতে বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের মহামিলন দেশটিকে মানব সভ্যতার একটি সামাজিক পরীক্ষাগারে পরিণত করেছে। নৃবিজ্ঞান বলে মানব ইতিহাস পঞ্চাশ হাজার বছরের। মানব সভ্যতার গোড়া পত্তন হয়েছিল ইরাকের মেসোপটেমিয়ায়, টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীকে কেন্দ্র করে, খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় ছয় হাজার বছর আগে। যাযাবর-শিকারি সমাজ থেকে প্রাক-কৃষি সমাজ। তারপর এলো কৃষিভিত্তিক সমাজ। জমি থেকে সফল উৎপাদনের সূচনা হলো মিসরে, নীল নদের উপত্যকায়। এভাবে মানব জ্ঞানের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে। এর মানে হলো মানবজ্ঞানের মালিকানা কারো একান্ত নয়। এটা কোনো প্রজন্মেরও নয়। হিন্দু, মিসরীয়, গ্রিক, রোমান, মুসলিম বা খ্রিষ্টান- প্রত্যেক সমাজ এতে অবদান রেখেছে। এক সমাজের জ্ঞানের ওপর আরেকটি সমাজ বিনির্মিত হয়েছে। এতে কারোই অতিমাত্রায় গর্ব করার কিছু নেই। মুসলমানরা গ্রিক বা রোমানদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছে। জর্ডানে আমি রোমান যুগের এম্পিথিয়েটার দেখেছি। দেখে মনে হবে মাত্র কিছু দিন আগে নির্মাণ করা হয়েছে। কয়েক হাজার মানুষ বসার উপযুক্ত স্টেডিয়ামের মতো দেখতে থিয়েটার। জর্ডান এক সময় রোমান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। রোমানদের স্থাপত্যগুলো সেখানে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। মিসরের পিরামিডের সামনে দাঁড়িয়ে আমার কল্পনায় ভেসে উঠেছে মানুষকে কিভাবে শোষণ করা হয়েছে। ইস্তাম্বুলে আমি ইউরোপ ও এশিয়াকে বিভক্তকারী দেয়ালটিও দেখেছি। অটোম্যানরা সেই দেয়াল ভেঙে সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটিয়েছিল। আমি অনেকবার ইস্তাম্বুল গিয়েছি। তবে ২০১৬ সালের সফরে সেখানকার ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো অনেক বেশি দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। তখন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ গুলের সাথেও আমার সাক্ষাৎ হয়। রজব তাইয়েব এরদোগান কিছুদিন আগে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। তাই তার সাথে আমার সাক্ষাতের সুযোগ হয়নি। বিভিন্ন সমাজের বিচিত্র রীতিনীতিও আমি দেখেছি। ১৯৮৫ সালের দিকে আমি নাইজেরিয়াতে সুলতান অব সোকোতোর প্রাসাদে আমন্ত্রিত হয়েছিলাম। সেখানে গিয়েছিলাম সোকোতো বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে। সুলতানের প্রাসাদে আমাকে ভোজের নিমন্ত্রণ করা হয়। আমরা যে হলরুমে বসেছিলাম সেখানকার দরজাগুলোতে ছোট ছোট সুরঙ্গ করা ছিল। আমি কৌতূহল নিয়ে বিষয়টি লক্ষ্য করছিলাম। হঠাৎ দুটি সুরঙ্গ থেকে দুজন লোক বের হয়ে আসে। ওরা সুলতানের ভৃত্য। ওরা মাথা উঁচু করে যেন কক্ষে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য ওই ব্যবস্থা।

এভাবে মানবসভ্যতার বিভিন্ন রূপ দেখার আমার সুযোগ হয়েছে। কিন্তু ভারতের মতো এত বৈচিত্র্যের অধিকারী দেশ আর দেখিনি। আমাদের সবার উচিত হবে এই বৈচিত্র্য রক্ষা করা। এই দায়িত্বটি মুসলিম দেশগুলোর তরফ থেকে ওআইসি নিতে পারে বলে আমি মনে করি। যুদ্ধ কোনো কিছুর সমাধান নয়। যুদ্ধ বাধানো খুব সহজ। নিমিষে সব কিছু ধ্বংস করে দেয়া যায়। পারমাণবিক যুদ্ধ বাধিয়ে আমরা সবাই মারা গেলে তো কারোরই লাভ হবে না। ওআইসির যে শক্তি রয়েছে তা পারমাণবিক বোমার চেয়েও বেশি। আমি অর্থনৈতিক শক্তির কথা বলছি। মুসলমানদের হাতে এই শক্তি আছে। এই শক্তি প্রয়োগ করে ভারতের এই জাতিগত মহামিলনকে রক্ষার দায়িত্ব মুসলমানদের নিতে হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সেই বার্তা দিতে হবে। মুসলিম দেশগুলোর তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে ভারতের পক্ষে কতদিন টিকে থাকা সম্ভব হবে? তবে ভারতের জনগণকে দুর্ভোগে না ফেলে, মোদিকে বিষয়টি বোঝাতে হবে। হয়তো তিনি বিষয়টি বুঝতে পারছেন না। এর পেছনে তার অজ্ঞতাসহ অনেক কারণ থাকতে পারে। কিন্তু মুসলমানদেরও মহান দায়িত্ব রয়েছে। তাকে বোঝতে হবে ভারতের ভালোর জন্য, মানব সভ্যতার কল্যাণের জন্য হিংসা ও বিদ্বেষের রাজনীতি পরিহার করতে হবে। শান্তির এই বার্তা ভারতের কাছে পৌঁছাতে হবে।

লেখক : অর্থনীতির অধ্যাপক


আরো সংবাদ