২০ নভেম্বর ২০১৯

অর্থনৈতিক ক্যান্সার ও পশ্চিমা সভ্যতা

-

বর্তমান বিশ্বের সামনে যেসব সঙ্কট তৈরি হয়েছে, তার একটি হলো অর্থব্যবস্থা তথা অর্থের সংস্থান নিয়ন্ত্রণ। এর শুরুটা হয়েছিল মূলত ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে। শুনে অনেকেই অবাক হতে পারেন যে, বর্তমান বিশ্বের অর্থের উৎস নিয়ন্ত্রণ করছেন মাত্র পাঁচ-সাত জন লোক। কোনো দেশ বা কোনো সরকার নয়। আর এটাই মানবসভ্যতার জন্য সবচেয়ে গুরুতর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এর ইতিহাস কিছুটা আমাদের জানা থাকা উচিত। আমরা এখন আমেরিকান সভ্য সমাজ বলতে যাদেরকে বুঝি, তারা মূলত ইউরোপ থেকে যাওয়া লোকজন। তারা ছিলেন উদ্যমী মানুষ। বিশাল এই উপমহাদেশে সৌভাগ্যের হাতছানি দেখে তারা ঝাঁকে ঝাঁকে সেখানে গিয়ে হাজির হয়েছেন। সপ্তদশ শতকের ঘটনা এটা। ইউরোপীয়রা সেখানে গিয়ে উপনিবেশ স্থাপন করেছিলেন। তারা সেখানে গিয়ে দেখেন, ইচ্ছেমতো যা খুশি তাই করা যাচ্ছে। ছোটবেলায় আমরা গল্প পড়েছিলাম ‘হাউ মাচ ল্যান্ড ডাজ এ ম্যান রিকয়্যার’। আমেরিকা মহাদেশে পাড়ি জমানো ইউরোপীয় অধিবাসীদের জন্য এই গল্প ছিল সত্যি।

ইউরোপ থেকে যারা আমেরিকায় পাড়ি জমান, তারা হাজার হাজার একর ভূ-সম্পত্তির মালিক হয়ে বসেন। কারণ তখন সেখানে জমির কোনো মালিক ছিলেন না। যে আগে গিয়ে যতখানি জায়গা মার্কিং দিয়ে নিজের বলে দাবি করতেন, সেটাই তার হয়ে যেত। সবাই এটা মেনেও নিতেন। কারণ জমির অভাব নেই। কিন্তু হাজার হাজার বিঘা জমি নিয়ে বসে থাকলে তো হবে না, জমি আবাদ করতে হবে। ইউরোপীয়রা এসে দেখেন; জমি পড়ে আছে কাজ করার লোক নেই। জঙ্গলে বিশাল বিশাল আকারের টার্কি ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা সেগুলো মেরে খাওয়া শুরু করলেন। আর সে কারণেই ৪ জুলাই আমেরিকানরা যখন তাদের স্বাধীনতা দিবস পালন করেন, সে দিন খাবারের মেন্যুতে টার্কি হচ্ছে প্রধান আইটেম।

কিন্তু টার্কি খেয়ে আর কত দিন চলা যায়? এরপর শুরু করা হলো দাসব্যবস্থা। ইউরোপীয়রা বিশেষ করে, আফ্রিকা থেকে আদিবাসীদের ধরে নিয়ে গিয়ে আমেরিকায় দাস হিসেবে কাজে লাগানো শুরু করেছিলেন। আমেরিকান সভ্যতার যাত্রা শুরু মূলত এখান থেকেই। এই ইউরোপীয় ভূস্বামীরা আমেরিকায় চরম স্বাধীনতা ভোগ করতে থাকেন। যে যার মতো চলতে থাকেন। এদের অনেকে এমন প্রতিপত্তি লাভ করেন যে, প্রাইভেট ব্যাংক নাম দিয়ে নিজেই টাকা ছাপানো শুরু করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রশাসনও তৈরি হলো। কিন্তু পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেল যে, প্রশাসনকে পর্যন্ত শাসনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য ওই সব পুঁজিপতির কাছে হাত পাততে হয়েছে। পরবর্তীকালে আরো অনেক দেশেও এটা ঘটেছে। এমন সম্পদশালী অনেক পরিবার তৈরি হয়, যারা সরকার চালানোর টাকা দিয়ে থাকে। সৌদি আরবের মতো দেশে আল রাজি পরিবার, আল নাসির পরিবার রয়েছে। বাদশাহ সউদ, বর্তমান সৌদি আরবের ক্ষমতাসীন পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা, তাদের বাড়িতে এসে থাকতেন। কারণ তখন রাজপ্রাসাদ তৈরি করার মতো অর্থ বাদশাহর ছিল না।

যা হোক, ভূস্বামীরা যখন টাকা ছাপানো শুরু করলেন, তখন আমেরিকার রাজনীতিবিদদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলো। এর সুদূরপ্রসারী এবং ক্ষতিকর দিকগুলো চিন্তা করে আতঙ্কিতবোধ করলেন তারা। বেশির ভাগ আমেরিকান প্রেসিডেন্ট এটা প্রতিরোধ করতে চাইলেন। কিন্তু তারা তা পারেননি। এই চেষ্টা করতে গিয়ে আমেরিকার তৃতীয় প্রেসিডেন্ট টমাস জেফারসন বলেছিলেন : “If the American people ever allow private banks to control the issue of their currency, first by inflation, then by deflation, the banks and corporations that will grow up around them will deprive the people of all property until their children wake up homeless on the continent their Fathers conquered... The issuing power should be taken from the banks and restored to the people, to whom it properly belongs.” (আমেরিকার জনগণ যদি তাদের মুদ্রা ইস্যু করার ক্ষমতা বেসরকারি ব্যাংকগুলোর হাতে ছেড়ে দেয়, তাহলে প্রথমে মুদ্রাস্ফীতি ও পরে মুদ্রাসঙ্কোচনের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো জনগণকে তাদের সম্পত্তি থেকে এমনভাবে বঞ্চিত করতে থাকবে যত দিন না তাদের সন্তানরা এই মহাদেশে গৃহহীন হয়ে পড়ে, যে মহাদেশটিকে তাদের পিতারা জয় করেছিলেন... মুদ্রা ইস্যু করার ক্ষমতা ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিয়ে জনগণের কাছে দিতে হবে, যারা সত্যিকারের অধিকারী)। জেফারসন এই কথা বললেও তিনি প্রাইভেট ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে মুদ্রা ইস্যু করার ক্ষমতা নিতে পারেননি।

জেফারসনের পর চতুর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস ম্যাডিসনও একই কথা বলেছেন: “History records that the money changers have used every form of abuse, intrigue, deceit, and violent means possible to maintain their control over governments by controlling money and it's issuance.” (ইতিহাসে দেখা যায়, মুদ্রা ও এর ইস্যু করা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মুদ্রা ব্যবসায়ীরা সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের অপব্যবহার, চক্রান্ত, শঠতা, প্রতারণা ও হিংসাত্মক উপায় অবলম্বন করেছে)।

কারণ মানুষ যত কথাই বলুক না কেন, শেষ কথা হলো অর্থ। আমাদের দেশে কী হচ্ছে? কিছু মানুষ অবৈধ পথে বিপুল বিত্ত-বৈভবের অধিকারী হয়ে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে যাচ্ছে। এরা ম্যাডিসনের আশঙ্কা মতো কোনো অপকর্মই বাদ রাখছে না। পরিস্থিতি এক ধরনের ক্যান্সারে রূপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ দিই, তিনি দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করেছেন। তবে এটা শুধু একটি ক্ষেত্রে সীমিত রাখলে হবে না। এই ক্যাসিনোর মতো কিছু আমাদের দেশে হচ্ছে, অনেকের মতো আমিও তা ভাবতে পারিনি। নিজে যখন দীর্ঘ দিন ওয়ার্ল্ড ক্লাস টপ সিভিল সার্ভেন্ট থেকেও অস্তিত্বের সংগ্রাম করছি এখন, তখন কিছু তরুণ ও যুবকের অল্প সময়ে বিপুল অর্থের মালিক হওয়াটা আমাদের জন্য কল্পনাতীতই বটে।

অ্যান্ড্রু জ্যাকসন, আমেরিকার সপ্তম প্রেসিডেন্ট, ক্ষমতায় এসে বললেন : “If Congress has the right under the Constitution to issue paper money, it was given to be used by themselves, not to be delegated to individuals or corporations” (সংবিধানের আওতায় কংগ্রেসের কাছে কাগজের টাকা ইস্যু করার যে ক্ষমতা রয়েছে তা শুধু তারই ব্যবহারের জন্য, সেটি কোনো ব্যক্তি বা করপোরেশনের হাতে অর্পণের জন্য নয়)।

আব্রাহাম লিঙ্কনেরও একই কথা ছিল : The Government should create, issue, and circulate all the currency and credits needed to satisfy the spending power of the Government and the buying power of the consumers. By the adoption of these principles, the taxpayers will be save from immense sums of interest. Money will cease to be master and become the servant of humanity” (সরকারের ব্যয়ের ক্ষমতা ও ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা পরিতুষ্ট করার জন্য সরকার সব ধরনের মুদ্রা ও ক্রেডিট সৃষ্টি, ইস্যু ও বিতরণ করবে। এই নীতিমালা গ্রহণ করা হলে করদাতারা বিপুল অঙ্কের সুদ থেকে রক্ষা পাবেন। অর্থ তখন প্রভু না হয়ে মানবতার সেবকে পরিণত হবে)।

এই উদ্ধৃতিগুলো দিয়েছি মূলত ব্যক্তির হাতে অর্থ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা যে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে, তা বুঝানোর জন্য। আমেরিকার সেরা প্রেসিডেন্টরা পর্যন্ত এটা জানতেন। আর আব্রাহাম লিঙ্কন যে কথা বলেছেন, তাতে ইসলামের মূল্যবোধের কথাই চলে আসে। লিঙ্কন তো মুসলমান ছিলেন না। কিন্তু মানবিক বিষয়গুলো সব সভ্যতাতেই এক। ইসলাম মানবসভ্যতা ও মানবজ্ঞানেরই অংশ।

কিন্তু এতসব সতর্কবাণীর পরও ১৯১৩ সালে প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ফেডারেল রিজার্ভ আইনে স্বাক্ষর করে আমেরিকার মুদ্রাব্যবস্থা কয়েকজন ব্যক্তির নিয়ন্ত্রিত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেন, যা আজকে ‘ফেডারেল রিজার্ভ’ নামে পরিচিত। এটি কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয় যে, সরকার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এটা বলতে গেলে, একটি আর্থিক মাফিয়া চক্র পরিচালিত প্রতিষ্ঠান। আর সে কারণে পরে উইলসনই আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি সবচেয়ে দুঃখী মানুষ। কারণ আমি অনিচ্ছায় আমার দেশকে ধ্বংস করেছি।’

উইলসনের ওই আইনে স্বাক্ষর করার হয়তো কারণ ছিল। হয়তো তাকেও অর্থের জন্য বেসরকারি খাতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। আজ এই ফেডারেল রিজার্ভ আমেরিকার সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা শুধু ডলার ছাপিয়ে বাজারে ছাড়ছেন আর আমাদের মতো দেশগুলো তার পেছনে ছুটছে। যখন মিশিগানে ডক্টরেট করছিলাম, তখন আমার প্রফেসর বলতেন, ‘কোনো সমস্যা নেই। আমরা শুধু নোট প্রিন্ট করব।’ ডলারের বিপরীতে স্বর্ণ মজুদ করার কথা ছিল। কিন্তু এই নিয়মও বাতিল করা হলো। আমরা ডলার দেখলে পাগল হয়ে যাই। কিন্তু সূক্ষ্ম বিচারে এই ডলারের কোনো মূল্যই নেই। এটা ‘কাগুজে বাঘ’ মাত্র। এটাই বাস্তবতা। যে কেউ এই তথ্যগুলো যাচাই করে দেখতে পারেন। সারা দুনিয়ায় তারা এই কাগুজে বাঘ ছড়িয়ে দিয়েছেন। সে কারণেই সৌদি আরবকে তারা কব্জায় রাখতে চান।

আজ সৌদি আরব যদি বলে, তারা তেলের মূল্য হিসেবে কাগুজে ডলারের পরিবর্তে সমমূল্যের সোনা চান, তাহলে আমেরিকার পতন ঘটবে। যুক্তরাষ্ট্র এটা কোনোভাবেই সহ্য করবে না। কিন্তু আমেরিকানদের যুদ্ধশক্তির কাছে বিশ্ব হয়ে আছে অসহায়। চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যবিরোধের সূচনা এখানেই। চীন এখন উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি। কারণ বাণিজ্যক্ষেত্রে আমেরিকা তার প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ‘ডকট্রিন অব কমপিটেটিভ অ্যাডভানটেজ’ বহুল পঠিত একটি বিষয়। এর মোদ্দা কথা হলো, যে যত কম দামে পণ্য তৈরি করবে, ক্রেতা তার দিকে ঝুঁকবে। একই পণ্য যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যখন তৈরি করে, সেগুলোর মানের কিছুটা পার্থক্য থাকলেও দামের ব্যবধান থাকে কয়েক গুণ। চল্লিশ ও পঞ্চাশের দশকে আমেরিকার জিডিপি’র ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ আসত পণ্যসামগ্রী বিক্রি থেকে। তাদের মেনুফ্যাকচারিং খাত সেরা মানের পণ্য তৈরি করত। কিন্তু পরে তারা জাপানের কাছে এই প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হারায়। তাদের জিডিপিতে মেনুফ্যাকচারিং খাতের অবদান ১০ শতাংশেরও নিচে নেমে এসেছে। অনেক স্বল্পোন্নত দেশেও এর অবদান আরো বেশি। জাপান ও চীন দুটোরই উদ্ভাবনী মেধা ও কঠোর পরিশ্রমী জনবল রয়েছে। দু’টি দেশের কাছেই পরিশ্রম করা হচ্ছে ধর্মীয় অনুশীলনের মতো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হেরে জাপান যুদ্ধসরঞ্জাম তৈরি থেকে মনোযোগ সরিয়ে গৃহসামগ্রী তৈরির দিকে মনোযোগী হয়। ১৯৭০-এর দশক নাগাদ আমেরিকাকে তারা এ ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধায় অনেক পেছনে ফেলে দেয়। একইভাবে ১৯৯০-এর দশকের পর থেকে চীনের উত্থান শুরু হয়। একে বলব ‘প্যারাডাইম চেঞ্জ।’

একটি জাতি কিভাবে ছোট থেকে বড় হয়। সেই শিক্ষা জাপান ও চীনের কাছ থেকে আমাদের নেয়া উচিত। অস্ত্র কেনা এবং সামরিক বাহিনীর পেছনে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় না করে দেশের সত্যিকারের উন্নয়নের জন্য আমাদের উচিত প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির পেছনে অর্থ ব্যয় করা। আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠী আসলে একটি বিশাল সম্পদ। এটাকে লালন করা উচিত। জাপান ও চীনের মতো দেশগুলো মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ করেছে। ফলে আজ তাদের এই পরিবর্তন। এখন আমেরিকার বেশির ভাগ ব্র্যান্ডের পণ্যসামগ্রী তৈরি করা হয় চীনে। কারণ তারা দেখেছেন, চীনে শ্রমিকদের মান খারাপ নয়। অনেক সস্তায় সেখানে ভালো মানের পণ্য তৈরি করা যাচ্ছে। বিশ্বের এই পরিবর্তনগুলো মাত্র ৭০ বছরের মধ্যে ঘটেছে। গত ৩০ বছরের মধ্যে আমেরিকা তার প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হারিয়ে ফেলেছে।

কিন্তু একটি ক্ষেত্রে আমেরিকা সুবিধা ধরে রেখেছে- সেটি হলো উদ্ভাবন। সারা বিশ্ব থেকে নানাভাবে প্রলুব্ধ করে মেধাবী মানুষদের তারা নিয়ে গেছে। আমেরিকা খুবই কসমোপলিটন একটি সোসাইটি। সেখানে যদি ছয় মিলিয়ন মুসলমান থাকে, তাহলে দেখা যাবে দুই মিলিয়নই পিএইচডি ডিগ্রিধারী। ১০ হাজার ইহুদি থাকলে তাদের ১০ হাজারই ডক্টরেট। বিশ্বের আর কোনো দেশে এটা নেই। আমেরিকানরা এখনো উদ্ভাবন ও আবিষ্কারের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে। এটা এ কারণে নয় যে, সাদা চামড়ার মানুষ মেধাবী, আর অন্যরা মেধাহীন। তারা মেধাপাচার করে নিয়ে যাওয়ার কারণেই এটা হয়েছে। এই উদ্ভাবনের কারণে তারা যুদ্ধশিল্পে সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে পেরেছে। তাদের টিকে থাকলে হলে যুদ্ধ বাধিয়েই টিকে থাকতে হবে।

লেখক : প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড; সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক, জেদ্দা
[email protected]


আরো সংবাদ