১০ ডিসেম্বর ২০১৯

আইনের দৃষ্টিতে বৈষম্যের প্রতিকার ও সমতা

-

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির কাছে অক্ষশক্তির পরাজয় ঘটলে বিশ্বব্যাপী মানুষ মানবাধিকার বিষয়ে সোচ্চার হয়ে উঠতে থাকে। এরই ফলে জাতিসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা-পরবর্তী ১৯৪৮ সালে সার্বজনীন মানবাধিকার দলিল প্রণয়ন করে। এ দলিলটিতে যেসব অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে, সেসব অধিকার পৃথিবীর বেশির ভাগ উন্নত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংবিধানে দলিলটি প্রণয়ন-পূর্ববর্তী মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়ে আসছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী যেসব রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে, সেসব রাষ্ট্রের সংবিধানে জাতিসঙ্ঘ সার্বজনীন মানবাধিকার দলিলে বর্ণিত উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানবাধিকার মৌলিক অধিকার হিসেবে স্থান পেয়েছে। মূলত জাতিসঙ্ঘ সার্বজনীন মানবাধিকার দলিল ১৯৪৮-এ বিবৃত মানবাধিকার এবং পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রের সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

আইনের দৃষ্টিতে সমতা জাতিসঙ্ঘ সার্বজনীন মানবাধিকার দলিল ১৯৪৮-এর ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত একটি অধিকার। এ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং কোনোরূপ বৈষম্য ছাড়াই আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। এ সনদ লঙ্ঘনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং অনুরূপ বৈষম্যের উত্তেজনার বিরুদ্ধে সবাই সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার দলিলের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত অধিকারটি আমাদের বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার-সংক্রান্ত তৃতীয় ভাগের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে স্থান পেয়েছে। জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার দলিলের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদের মূল নীতিকে অক্ষুণ্ন রেখে আমাদের সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

পৃথিবীর প্রতিটি দেশের সংবিধানই সে দেশের সর্বোচ্চ আইন এবং এ বিষয়টি সংবিধানেই উল্লেখ থাকে। যেকোনো দেশের জনগণের আকাক্সক্ষা বা অভিপ্রায়ের প্রতিফলনে সংবিধান রচিত হয়। এ ক্ষেত্রে আমাদের সংবিধানও ব্যতিক্রম নয়।

আমাদের সংবিধানের প্রস্তাবনায় অপরাপর বিষয়ের পাশাপাশি আকাক্সক্ষা বা অভিপ্রায় বিষয়ে বলা হয়েছে- আমরা অর্থাৎ বাংলাদেশের জনগণ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছি যে, আমরা যাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাক্সক্ষার সাথে সঙ্গতি রক্ষা করে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারি, সে জন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এ সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং এর রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান আমাদের কর্তব্য।

সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন হওয়া বিষয়ে আমাদের সংবিধানের ৭(২) নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টত উল্লেখ রয়েছে- জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এ সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। আমাদের সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এই মৌলিক অধিকারটি দিয়ে যে কথাগুলো ব্যক্ত করা হয়েছে তা হলো- ধনী-গরিব, শ্রেণী-পেশা, পদমর্যাদা নির্বিশেষে দেশের প্রচলিত আইনের অধীন কোনো ব্যক্তি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হলে সমরূপ আইন ও বিচার পদ্ধতির মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে প্রকাশ্য আদালতে বিচারকার্য পরিচালিত হবে এবং এ ক্ষেত্রে আইনের বৈষম্যমূলক প্রয়োগের কোনো অবকাশ থাকবে না।

আদালত অবমাননা আইন ২০১৩, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সাল থেকে কার্যকর হয়। এ আইনটি কার্যকর-পূর্ববর্তী আদালত অবমাননা আইন ১৯২৬ কার্যকর ছিল। আদালত অবমাননা আইন ১৯২৬-এ আদালত অবমাননার কোনো সংজ্ঞা না থাকায় সুদীর্ঘকাল আদালত অবমাননা আইন ১৯২৬-এর অপপ্রয়োগে উচ্চ আদালতের প্রভাবশালী আইনজীবী ও বিচারপতিবহির্ভূত সমাজের অপরাপর শ্রেণী-পেশার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে হয়রানি, অপমান, লাঞ্ছনা, মানসিক যাতনা ও দণ্ডের সম্মুখীন হতে হয়েছে।

এ কথা অনস্বীকার্য যে, ২০-২২ বছর ধরে মেধা, সততা, জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা ও দক্ষতার অবমূল্যায়নে রাজনৈতিক বিবেচনায় উচ্চ আদালতের বিচারক পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্য সমাধা হতে থাকায় বাস্তবিক অর্থেই উচ্চ আদালতের বিচারকরা দেশের প্রধান দু’টি রাজনৈতিক দলের মতাদর্শে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এ বিভক্তির কারণে এবং যোগ্যতাসম্পন্নরা নিয়োগ ও পদোন্নতিবঞ্চিত হওয়ায় এক দিকে যেমন বিচারের মান নিম্নমুখী হচ্ছে অপর দিকে ঠিক তেমনি আইনের অপপ্রয়োগ ও অপব্যবহারের ফলে ন্যায়বিচার পরাভূত হচ্ছে। বিচার বিভাগের এ অব্যবস্থাপনায় ব্যথিত হয়ে জনৈক প্রধান বিচারপতি কর্মে বহাল থাকাকালীন আক্ষেপ করে বলেছিলেন- বিগত দিনে বিচারপতি নিয়োগে যে মহাপ্রলয় ঘটে গেছে তা থেকে আগামী ৩০ বছরে উত্তরণ সম্ভব কি না, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। অপর একজন বিচারপতি প্রধান বিচারপতি পদ থেকে অবসর গ্রহণ-পরবর্তী কোনো এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বিচার বিভাগ সম্পর্কে বলেন, এটি এখন কাচের ঘর এবং এ ঘরটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়বে। দেশের একজন বরেণ্য আইনজীবী উচ্চ আদালতের বিচারকদের রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতা দেখে এতই মর্মাহত হয়েছিলেন যে, কোনো এক অনুষ্ঠানে উচ্চ আদালতের বিচারকদের সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন- আমাদের উচ্চ আদালতের বিচারকেরা এখন মুখ দেখে রায় দেন। বাংলাদেশের একজন সফল আইনমন্ত্রী, যিনি মন্ত্রী পদে বহাল থাকাকালে উচ্চ আদালতের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বিচারকের নিয়োগকার্য সমাধা করেছিলেন; তিনি রাজনৈতিক বিবেচনায় নিম্ন যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ উচ্চ আদালতের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বারের অডিটোরিয়ামে ক্ষমতাসীন দলের আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেলের উপস্থিতিতে বলেন, যাদের উচ্চ আদালতে কেরানি হওয়ার যোগ্যতা নেই; তাদেরকে উচ্চ আদালতের বিচারক পদে বসানো হয়েছে।

উপরোল্লিখিত মন্তব্য যারা করেছেন, তারা সবাই বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট। তাদের কেউ বর্তমানে আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন এবং কেউ বিচারপতি পদে নিয়োগ-পূর্ববর্তী আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। তারা সবাই বিচার বিভাগকে প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং স্বমহিমায় সমুজ্জ্বল দেখতে চান। আর এটি নিশ্চিত করতে হলে প্রয়োজন সৎ, দক্ষ, মেধাবী, জ্যেষ্ঠ ও যোগ্যদের উচ্চ আদালতে বিচারক পদে নিয়োগ।

পূর্বোল্লিখিত চারজন বিশিষ্ট ব্যক্তির মন্তব্যে উচ্চ আদালতের বিচারকদের নিম্নমুখী মান ও পক্ষপাতদুষ্টতার কারণে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ব্যক্ত করা হয়েছে। তারা যে মন্তব্য করেছেন তা সার্বিক অর্থেই করেছেন এবং কোনো ব্যক্তি বিচারক বা বিচার বিভাগকে কটাক্ষ করা তাদের কোনো অভিপ্রায় ছিল না।

পরবর্তীকালে দেখা গেল দেশের সামগ্রিক দুর্নীতি বিষয়ে অধস্তন আদালতের জনৈক বিচারক দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে বিচার বিভাগের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং বিচার বিভাগের ওপর মানুষের ক্রমহ্রাসমান আস্থা ফিরিয়ে আনার মানসে দেশের বহুল প্রচারিত পত্রিকার একটি নিবন্ধে প্রসঙ্গক্রমে বিচার বিভাগের দুর্নীতিসহ রাজনৈতিক বিবেচনায় বিচারক নিয়োগের কারণে জ্যেষ্ঠ, দক্ষ, মেধাবী, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিরা নিয়োগ ও পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়া বিষয়ে আলোকপাত করেন। নিবন্ধটি বহুল প্রচারিত পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও কেউ এর মধ্যে আদালত অবমাননার উপাদান খুঁজে পাননি। হঠাৎ দেখা গেল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের জনৈক বিচারক আদালতবহির্ভূত অবমাননা বিষয়ে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হওয়া সত্ত্বেও ওই নিবন্ধটিকে একটি নামসর্বস্ব পত্রিকায় ছাপানোর ব্যবস্থা করে পক্ষপাতমূলকভাবে শুধু লেখকের ওপর আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। রুল বিষয়ে অবহিত হওয়ার পর লেখক সর্বপ্রথম ওই নামসর্বস্ব পত্রিকা বিষয়ে অবহিত হন এবং পত্রিকার কর্তৃপক্ষকে কেন লেখকের অনুমতি ব্যতিরেকে অন্য পত্রিকায় প্রকাশিত নিবন্ধ পুনঃপ্রকাশ করে দেশের প্রচলিত আইনের অধীনে অপরাধ করা হয়েছে, সে মর্মে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়; কিন্তু পত্রিকাটি নামসর্বস্ব হওয়ায় এবং প্রেস ক্লাব সম্মুখের পত্রিকা বিক্রেতাসহ অপর কোনো পত্রিকা বিক্রেতার কাছে এ পত্রিকার কপি পাওয়া না যাওয়ায় প্রতিবাদলিপিটি প্রকাশিত হয়েছে কি হয়নি সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি।

নিবন্ধটির লেখক আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেন, ওই নামসর্বস্ব পত্রিকায় প্রকাশিত কোনো নিবন্ধ তিনি লেখেননি এবং ওই পত্রিকায় ছাপানোর জন্য তিনি প্রেরণও করেননি। লেখকের উপরোল্লিখিত অবস্থান বিষয়ে অবহিত হওয়ার পর যেকোনো ন্যায়পরায়ণ ও বিবেকবান বিচারক তাৎক্ষণিক রুলটি খারিজ করে দিতেন; কিন্তু আলোচ্য বিচারক রুল ইস্যু বিষয়ে তিনি নিজে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হওয়া সত্ত্বেও উদ্দেশ্যমূলকভাবে নিবন্ধের লেখককে অপমান ও হয়রানি করার মানসে রুলটি খারিজ করেননি।

স্পষ্টত, ওই বিচারক আদালত কক্ষের বাইরের আদালত অবমাননা বিষয়ে ক্ষমতাবহির্ভূত হওয়া সত্ত্বেও সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদের চেতনার ব্যত্যয়ে বৈষম্যমূলকভাবে আদালত অবমাননা সংক্রান্ত রুলটি জারি করেন। অধস্তন আদালতের ওই কর্মকর্তার নিবন্ধে প্রাসঙ্গিক আলোচনায় কোনোভাবে দেশের বিশিষ্ট চারজন ব্যক্তির মন্তব্যে যে উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে তা অতিক্রম করে কোনো কিছুই ব্যক্ত করা হয়নি।

সমাজের যেকোনো ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ন হলে তিনি প্রতিকার প্রার্থনায় আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতের মূল কাজ অন্যায়ের প্রতিবিধান ও ন্যায়ের প্রতিপালন। কোনো আদালতের বিচারক যদি অন্যায়ের প্রতিরোধ ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠার ব্যত্যয়ে ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদের চেতনাকে জলাঞ্জলি দিয়ে বৈষম্যমূলকভাবে তথাকথিত আদালত অবমাননার খড়গ অন্যায়ভাবে প্রয়োগ করে একজন ব্যক্তিকে অপমানিত, লাঞ্ছিত ও দণ্ডিত করেন; সে ক্ষেত্রে সে দেশের সংবিধানে আইনের দৃষ্টিতে সমতাসংক্রান্ত বিধানটি সন্নিবেশিত থাকার যৌক্তিকতা কোথায়? এর পরও যদি বলা হয় যৌক্তিকতা আছে, তবে সে ক্ষেত্রে যিনি বৈষম্যমূলকভাবে এ বিধানের অপপ্রয়োগ করেছেন সংশ্লিষ্টদের উচিত হবে তাকে আইনের আওতায় এনে এর প্রতিবিধান করা। আর যদি প্রতিবিধান করতে না পারি তবে অনাগত দিনে দেশ ও জাতিকে হয়তো আরো বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে, যা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি সমুন্নতের পরিবর্তে অবদমিত করবে।

লেখক : সাবেক জেলা জজ ও সাবেক রেজিস্ট্রার, সুপ্রিম কোর্ট
E-mail: [email protected]


আরো সংবাদ

শোক সংবাদ : আলহাজ মো: শামসুল হক গণহত্যার জন্য মিয়ানমারের জবাবদিহির সময় এসেছে ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি : পর্বসংখ্যা-২২ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় চতুর্থ অধ্যায় : বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু সরকার ক্ষমতা দখল করে টিকে আছে : মির্জা ফখরুল বাংলা প্রথম পত্র গদ্যাংশ : আম আঁটির ভেঁপু গদ্যাংশ : মানুষ মুহম্মদ (স.) এসএসসি পরীক্ষার লেখাপড়া : বাংলা দ্বিতীয় পত্র তৃতীয় অধ্যায় : পরিচ্ছেদ-৩ : সংখ্যাবাচক শব্দ ২০২০ সালের ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি : সাধারণ জ্ঞান বিষয় : সাধারণ জ্ঞান এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি : পদার্থবিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় : ভৌত রাশি ও পরিমাপ হ্যাটট্রিক স্বর্ণে সোহেল প্রথম ফুটবলে কেন এই ব্যর্থতা

সকল