২৪ মে ২০১৯

বিয়ের পোশাক পরেই ভোট দিলেন কাশ্মীরি নবদম্পতি

বিয়ের পোশাক পরেই লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিতে কেন্দ্রে হাজির হন এই কাশ্মীরি নবদম্পতি - সংগৃহীত

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে চলছে ভোটগ্রহণ। প্রথম দফা শেষে বৃহস্পতিবার ১১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির মোট ৯৫টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও একটি বিষয়ে সবার চোখ আটকে গেছে। আর হল বিয়ের পোশাক পরেই ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে চলে আসা। বিয়ের তারিখ আগেই ঠিক হয়েছিল। এর মধ্যে পড়ল নির্বাচনের তারিখ। তবে কি বিয়ে করতে গিয়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোট দেয়ার সুযোগ হারাবেন তারা। আর তাই নিজেদের লোকসভা নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে জম্মু ও কাশ্মীরের এক নবদম্পতি বিয়ে সেরেই চলে চান ভোটকেন্দ্রে। সেখানে গিয়ে ভোটও দিয়েছেন তারা। বিয়ের পোশাকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়া তাদের ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমও তাদেরকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। বলা হচ্ছে, বিয়ে তো কী হয়েছে! গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে কোনো কিছুই বাধা হতে পারে না -এমনটাই দেখিয়েছেন এই বর-কনে।

জানা গেছে, লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় ম্যাঙ্গালুরুতে বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে কনের সাজেই ভোট দিয়েছিলেন কার্তিকা। এবার দ্বিতীয় দফায় জম্মু ও কাশ্মীরের এ নবদম্পতি উধমপুর বুথে ভোট দিয়েছেন।

ভোট দিয়ে গিয়ে বর বলেন, ‘বিয়ের অনুষ্ঠান তিন-চার দিন ধরে চলে তার মধ্যে থেকে ১০ মিনিট বের করে ভোট দিতে না আসার কোনো কারণ নেই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা পাঁচ বছরের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করি। তাই এখন যদি কোনো রকম ভুল হয় তার দায় আমাদেরকেই নিতে হবে।’

স্বামীর সঙ্গে সুর মিলিয়ে স্ত্রীও বলেন, ‘ভোট খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশের উন্নয়ন যাতে ভালোভাবে হতে পারে তা নিশ্চিত করতে আমাদের সকলেরই ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়া উচিত।’

আরো পড়ুন : ইসলাম ধর্ম পবিত্র ধর্ম, এটা মাথায় রাখতে হবে : মমতা
নয়া দিগন্ত অনলাইন, (১৬ এপ্রিল ২০১৯)

ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। প্রথম ধাপে বেশ কিছু জায়গাতে ভোট নেয়া হয়ে গেলেও এখনো বাকি রয়েছে আরো ছয়টি ধাপ। ফলে তুমুল বেগে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা। এদিক থেকে পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলও। আজ মঙ্গলবার ইটাহারে এমনই এক নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, ইসলাম ধর্ম পবিত্র ধর্ম, এটা মাথায় রাখতে হবে। ধর্ম নিয়ে কোনো ধরনের ভাগাভাগি চলবে না।

আজ বালুরঘাট কেন্দ্রের প্রার্থী অর্পিতা ঘোষের হয়ে আজ মঙ্গলবার ইটাহার ও বুনিয়াদপুরে সভা করেন মমতা।

ইটাহারের জনসভায় মমতা যেমন তৃণমূল সরকারের কাজের খতিয়ান ও উন্নয়ন তুলে ধরেছেন, তেমনি বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, দেশকে রক্ষা করতে গেলে দিল্লির সরকার বদলে দিন৷ তৃণমূলকে ভোট দিন। কারণ বিজেপি বলছে, তারা বাংলাতেও নাগরিকত্ব বিল করবে। এটা কী জানেন? পাঁচ বছরের জন্য আপনাকে বিদেশী করে দেবে৷ তারপর কী গ্যারান্টি আছে যে আপনি নাগরিকত্ব ফিরে পাবেন। তারা দাবি করছে, এনআরসি করবে। আমি তাদেরকে বলছি আগে এন টা ছুঁয়ে দেখ, তারপর আরসি করবে।

বাংলার ব্যাপারে তিনি বলেন, নিজের জীবন বাজি রাখতে রাজি, কিন্তু ভাগাভাগি চলবে না। কারণ বাংলার সংস্কৃতি এটা নয়। মুসলমানদের ব্যাপারে তিনি স্পষ্টভাষায় বলেন, ইসলাম ধর্ম পবিত্র ধর্ম এটা মাথায় রাখতে হবে। ধর্মের নামে কোনো ভাগাভাগি চলবে না। হিন্দু, ইসলাম, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন ধর্ম থাকবে, তবেই তো দেশ।

বিজেপি দলিত, কৃষকসহ সবার ওপর অত্যাচার করছে উল্লেখ করে মমমতা বলেন, এই সরকারের আর প্রয়োজন নেই। ২০১৯ সালেই ফিনিশ হবে বিজেপি ফিনিশ।


আরো সংবাদ