১৯ আগস্ট ২০১৯

কাশ্মিরে ভারতীয় বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে ৪ স্বাধীনতাকামী নিহত

কাশ্মিরে ভারতীয় বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে ৪ স্বাধীনতাকামী নিহত - সংগৃহীত

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ স্বাধীনতাকামী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টা আগে স্বাধীনতাকামীদের গেরিলাবাহিনীতে যোগ দেয়া ২ বিশেষ পুলিশ কর্মকর্তা (এসপিও) রয়েছেন। শুক্রবার দক্ষিণ কাশ্মিরের পাঞ্জারান লসসিপোরা এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে স্বাধীনতাকামীরা নিহত হন।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, গোপনসূত্রে পাঞ্জারান লসসিপোরা এলাকায় স্বাধীনতাকামীদের উপস্থিতির কথা জানতে পেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেনাবাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ ও পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ সমন্বিত যৌথবাহিনী ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায়। এ সময় লুকিয়ে থাকা স্বাধীনতাকামীরা আচমকা নিরাপত্তা বাহিনীকে টার্গেট করে গুলিবর্ষণ করে।

যৌথবাহিনী পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পাল্টাপাল্টি গুলি বিনিময়ের মধ্যে প্রাথমিকভাবে এক স্বাধীনতাকামী নিহত হলেও শুক্রবার সকাল পর্যন্ত চলা ওই সংঘর্ষে মোট চার স্বাধীনতাকামী নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে সাবির আহমদ ও সুলাইমান নামে দু’জন জম্মু-কাশ্মিরের বিশেষ পুলিশ কর্মকর্তা (এসপিও) হিসেবে কাজ করছিলেন। তারা বৃহস্পতিবার সকালে জেলা পুলিশ লাইন থেকে নিজেদের সার্ভিস রাইফেল নিয়ে স্বাধীনতাকামীদের সাথে যোগ দেন।

পুলওয়ামার তুজান এলাকার বাসিন্দা সাবির ও সোপিয়ানের উথমুল্লার বাসিন্দা সুলাইমান পুলিশ লাইন থেকে ২৪ ঘণ্টা ধরে নিখোঁজ থাকার মধ্যে তারা স্বাধীনতাকামীদের গেরিলা দলে যোগ দেন। অন্যদিকে, ইরফান আহমেদ ভাট ও আশিক হুসেন গণি নামে নিহত দু’জনকে পুলওয়ামার আরিহাল ও পাঞ্জারানের বাসিন্দা বলে পুলিশ শনাক্ত করেছে। নিহতদের কাছ থেকে দু’টি একে-৪৭ রাইফেল ও দুটি ‘অন্য অস্ত্র উদ্ধার’ করা হয়েছে বলে দাবি ভারতীয় পুলিশের।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে স্বাধীনতাকামী গেরিলারা সোপোর থানার দিকে গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে তার আঘাতে ২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। গ্রেনেডটি থানার গেটের বাইরে বিস্ফোরণ হলে আব্দুল আজিজ ও আলী মুহাম্মাদ নামে দুই পুলিশ সদস্য স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য সোপোর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে ওই এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী জোরালো তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। সূত্র : পার্সটুডে।


আরো সংবাদ