১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

‘বিপন্ন গণতন্ত্র’ নিয়ে মমতার কবিতা

-

এবার ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে কবিতা লিখলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার, তিনি টুইটারে একটি কবিতা পোস্ট করেন। কবিতার নাম ‘ঠিকানা’। সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমকে গ্রেফতারের পরে সেই নিয়ে প্রথমে মতামত জানান তিনি। তারপর লেখেন ওই কবিতা। মমতার দাবি, পি চিদাম্বরমের গ্রেফতার প্রমাণ করছে দেশে গণতন্ত্রের অস্তিত্ত্ব বিপন্ন। বিচারের বাণী নীরবে, নিভৃতে কাঁদছে।

প্রসঙ্গত, কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমের নাটকীয় 'নিখোঁজ হওয়া', দিল্লির কংগ্রেস সদর দফতরে তার সংবাদ সম্মেলন এবং তারপরে গ্রেফতার।

এ বিষয়ে মমতার মন্তব্য, ‘আমি বিষয়টির বৈধতা নিয়ে কোনও কথা বলব না। তবে মিঃ চিদাম্বরম একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। একজন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী এবং দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাকে যেভাবে হেনস্থা করা হল তা অত্যন্ত হতাশাজনক। একই সঙ্গে দুঃখেরও।’

যদিও তার মধ্যেই তিনি বলেছেন, ‘আমাদের প্রত্যেককেই মনে রাখতে হবে, দেশে চারটি স্তম্ভ হল: গণতন্ত্র, নির্বাচন, গণমাধ্যম এবং বিচার বিভাগ। এদের স্বাধীনতা খর্ব হলে দেশ এক অর্থে পরাধীন। আজ তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বলা কথা উদ্ধৃত করে বলতে বাধ্য হচ্ছি, বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদছে।’

ঠিকানা

গণতন্ত্রের ঠিকানা? স্বীকৃত হতে পারে

দেশের ইতিহাস বোঝা যায় না।

খবরের জগত কথা বলছে না।

কাক কাঁচা করছে না, চড়ুই ধানের শীষ খাচ্ছে না

ন্যায়বিচার দক্ষতার সাথে দইয়ের মতো টক দই?

একটা ঝড় উঠেছে, অসম্মানের

কেন এই ঝড় থামছে না?

অধিকারগুলি একটি বস্তাতে স্টাফ করা হয়

প্রতিবাদকারীরা কারাগারে রয়েছেন

ফ্যাসিবাদ কারও দিকে মনোযোগ দেয় না

শুধু খুঁজে পাচ্ছি না, আমার ঠিকানা?

সবই চেনা, তবুও অজানা।

গণ্ডির মধ্যে, কোনও অনির্দিষ্ট সীমা নেই

তবে আমি ভাল আছি, আমি নিজেকে বলি?

হৃদয়, আমাকে আমার ঠিকানাটি সন্ধান করুন।

মমতা অবশ্য এই প্রথম কবিতা লিখলেন না। গত মে মাসে লোকসভা নির্বাচনের পর ফলাফল নিয়ে ইংরেজি, হিন্দি আর বাংলায় কবিতা লিখেছিলেন।

উদাহরণ আরও আছে। গতবছর, অসমে নাগরিক বিল নিয়ে আন্দোলন চলার সময়েও বিলের বিরোধিতা করে তিনি তার ফেসবুক পেজে কবিতা লেখেন। এনডিটিভি


আরো সংবাদ