১৯ আগস্ট ২০১৯

কুলাউড়ায় দুই শিশুকে ধর্ষণ, আপোষের নামে.....

-

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ও সদর ইউনিয়নে ব্যবধানে ৫ম শ্রেণি ও ১ম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। স্থানীয়ভাবে দুটি ধর্ষণের ঘটনা আপোষ নিষ্পত্তির নামে ধামাচাপার চেষ্টা চলে। কুলাউড়া থানায় রোববার একটি মামলা হয়েছে এবং অপরটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিলো। 

কুলাউড়া থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের একটি প্রাথমিক পঞ্চম শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে গত ১৯ জুন বেলা আড়াইটায় বাড়ি ফেরার পথে পানির পিপাসা লাগলে গণকিয়া গ্রামের হারিছ আলীর বাড়ি যান। এ সময় হারিছ আলীর ছেলের বউ সুলতানা বেগম পানি দিয়ে বাড়ির দক্ষিণ পাশে পুকুরে চলে যান। সেই সুযোগে হারিছ আলীর ছেলে সিএনজি অটোরিক্সা চালক আহাদ মিয়া (২৩) জোরপূর্বক স্কুলছাত্রীর মুখ চেপে ধরে বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখায়।

ওই স্কুলছাত্রীর মা বিষয়টি জানতে পেরে আহাদ মিয়ার বাবা হারিছ আলীর কাছে বিচারপ্রার্থী হন। কিন্তু আহাদ মিয়ার বাবা এ বিষয়ে কোন সমাধান না করায় রোববার রাতে ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে আহাদ মিয়াকে আসামী করে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা (নং ১৬ তাং ১৪/০৭/১৯) দায়ের করেন।

এদিকে উপজেলার কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের গাজীপুর চা বাগান এলাকায় প্রথম শ্রেণির ৬ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে গত ১২ জুলাই শুক্রবার দুপুরে ধর্ষণ করেছে খোকন রাজভর (৩২)। ওই স্কুলছাত্রীকে বাসায় একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে বাগানের কতিপয় ব্যক্তি আপোষ নিষ্পত্তির নামে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে সোমবার বিকেলে কুলাউড়া থানার এসআই্ দিদার উল্লাহ ও এসআই সনক কান্তি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

গাজীপুর চা বাগান ব্যবস্থাপক কাজল মাহমুদ জানান, আমি ঘটনাটি জানার পর শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বলেছি এবং আইনের আশ্রয় নেয়ার জন্য ভিকটিমের পরিবারকে বলেছি।

কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়ারদৌস হাসান জানান, ধর্ষনের পৃথক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ১ম শ্রেণির শিশু ধর্ষণের ঘটনায় কোন আপোষ নয়। মামলা হবে বলে তিনি জানান। 

 

 

 


আরো সংবাদ