২৭ জানুয়ারি ২০২০

তুলির আঁচড়ে জৈন্তার লাল শাপলা বিল

তুলির আঁচড়ে জৈন্তার লাল শাপলা বিল - ছবি : নয়া দিগন্ত

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার লাল শাপলার রাজ্যের ব্যাপকতা ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সম্প্রতি সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা এসে লাল শাপলার সাথে নিজের মন বিলিয়ে দেন।

গত ১০জানুয়ারী শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত লাল শাপলার বিল গুলোকে তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেন জার্মান চিত্রশিল্পী ক্লাউডিয়া, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টিকালচার বিভাগের লেকচারার জুনায়েদ মোস্তফা, রাশেদ কামাল রাশেদ। তারা মূলত সিলেটের জৈন্তাপুরের লাল শাপলার রাজ্যের বিভিন্ন দৃশ্য চিত্রকর্মে ফুটিয়ে তুলেছেন।

জুনায়েদ মোস্তফা প্রতিবেদককে জানান, জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে লাল শাপলার বিলের সংক্ষিপ্ত যে ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে তা সম্পূরকভাবে ভূল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে যার ফলে ঐহিত্যবাহী এবং পুরাকর্তী স্থানে স্থানীয় সহ বিভিন্ন দেশ হতে আগত পর্যটকরা এই অঞ্চলের ভূল ইতিহাস জানতেছে, অভিলম্বে লাল শাপলার রাজ্যের ভূল ইতিহাস অপসারন করে প্রকৃত ইতিহাস লিপিবদ্ধের দাবী জানান।

রাশেদ কামাল রাশেদ বলেন, আপনাদের মাধ্যমে সরকারের উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানাই এই বিল গুলোর বিভিন্ন অংশে অবৈধ ভাবে দোকান, লাল শাপলা ধ্বংস করে বিলের জমি দখল করে ফসলী জমি তৈরী করা হচ্ছে দ্রুত অবৈধ দখল দারের হাত হতে বিল গুলোকে রক্ষা করতে প্রশাসনের এখনই প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন, অন্যথায় লাল শাপলার বিল গুলো অচিরেই তার সৌন্দর্য্য বিলিন হবে।

তিনি আরও বলেন অচিরেই আমার ছাত্র-ছাত্রীদেরর নিয়ে লাল শাপলার বিলে চিত্রকর্মের উপর প্রশিক্ষনের নিয়ে আসব।

জার্মাসির চিত্রশিল্পী ক্লাউডিয়া প্রতিবেদককে জানান, বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান হিসেবে এটি ভালো লেগেছে। লাল শাপলা, অতিথি পাখি, সূর্য উদয়-সূর্যস্ত বিষয়টি ভালো লেগেছে। অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সিলেটের লাল শাপলার পর্যটন স্থানটি অন্যতম। স্থানটি দেখে বিভিন্ন ভাবে ১০টি চিত্রকর্ম তৈরী করেছি, যাহা বিশ্বের বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক এক্সিভিশনের তুলে ধরবেন বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, বিলে যাতায়াতের রাস্তাটির সংস্কার ও বিল এরিয়ার স্থাপনা সরিয়ে নিলে এটি আরও আকর্ষনীয় হত।

জৈন্তাপুর পুরার্কীতি ও পর্যটন উন্নয়ন সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ খায়রুল ইসলাম প্রতিবেদককে জানান, আমরা ইতোপূর্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করি বিলের লীজ বাতিল, পুরাকির্তী সংরক্ষণ এবং লাল শাপলা বিলের প্রকৃত এরিয়া নির্ধারণ করে বিলটি সংরক্ষণ করার। কিন্তু বিলের লীজ বাতিল করা হলেও অজ্ঞাত কারনে বিলের এরিয়া নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে প্রভাবশালী ভূমি খেকু চক্রের সদস্যরা বিলের প্রায় ২ হাজার বিঘা জমি দখল করে বাড়ী নির্মাণ ও লাল শাপলা নষ্ট করে ফসলী জমিতে রুপান্তর করছে। বিলটি প্রকৃত এরিয়া নির্ধারণ ও সংরক্ষণের জন্য আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।


আরো সংবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগ আহ্বান রাষ্ট্রপতির নতুন আইজিআর শহীদুল আলম ঝিনুক ডিএনএ পরীক্ষায় মজনুর ধর্ষণের আলামত মিলেছে : সিআইডি হাইকোর্টের দেয়া বেতন স্কেলের রায় পুনর্বহালের দাবি গ্রাম পুলিশের আমিন হুদা ও স্ত্রীর সম্পদ বিবরণী চেয়ে দুদকের নোটিশ জি কে শামীমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট তাবিথ আউয়ালের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল বহিষ্কার করোনা প্রতিরোধে সব বন্দরে স্ক্যানার রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী টাইফয়েড, কলেরা অপুষ্টি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন কাল শুরু

সকল